নিজস্ব প্রতিবেদক::
কোটা আন্দোলনে নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরা আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে গণভবনে দেখা করেছন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী তাদের বিভিন্নভাবে স্বান্তনা দেন।
প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী নিহত আবু সাঈদের পরিবারের সদস্যসহ ৩৩টি পরিবারের সদস্যরা।
এসময় নিহতদের পরিবারের সদস্যরা শেখ হাসিনার কাছে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন। প্রধানমন্ত্রীও আবেগ সংবরণ করতে ব্যর্থ হন। নিহতদের পরিবারের সদস্যদের কথা শুনে প্রধানমন্ত্রীও অশ্রুসিক্ত হন।
তাদের সান্তনা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাকে দেখেন, আমি অনেক কষ্ট নিয়ে বেঁচে আছি।’ তাদের পাশে আছেন উল্লেখ করে সরকার প্রধান আরো বলেন, তাদের মতো স্বজন হারানোর বেদনা তিনিও বহন করছেন।

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ‘ আমি আপনাদের ব্যথা বুঝতে পারি। এটা আমার দুর্ভাগ্য যে আমাকে আপনাদের অশ্রু দেখতে হচ্ছে।’ এ সময় গণভবনে এক হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। এসময় স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
নিহত শিক্ষার্থী আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেন ও মা মনোয়ারা বেগমসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা গতকাল রংপুর থেকে ঢাকায় এসে গণভবনে আসেন।
উল্লেখ্য, গত ১৬ জুলাই রংপুরে কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিআরইউ) দ্বাদশ ব্যাচের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ নিহত হন।
এছাড়াও বিআরইউআর প্রশাসন গত ২৬ জুলাই নিহত আবু সাঈদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেয়। রংপুরের পীরগঞ্জে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রতিনিধি দল ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার চেক হস্তান্তর করেন তার বাবা-মায়ের কাছে।
কোটা আন্দোলনে নিহতদের পরিবারের সদস্যদের আর্থিক সহায়তা প্রদান প্রধানমন্ত্রীর
কোটা আন্দোলনে নিহতদের পরিবারের সদস্যদের আর্থিক সহায়তা প্রদান প্রধানমন্ত্রীর
নিজস্ব প্রতিবেদক::কোটা আন্দোলনে নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরা আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে গণভবনে দেখা করেছন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী তাদের বিভিন্নভাবে স্বান্তনা দেন। প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী নিহত আবু সাঈদের পরিবারের সদস্যসহ ৩৩টি পরিবারের সদস্যরা।এসময় নিহতদের পরিবারের সদস্যরা শেখ হাসিনার কাছে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন। প্রধানমন্ত্রীও আবেগ সংবরণ করতে ব্যর্থ হন। নিহতদের পরিবারের সদস্যদের কথা শুনে প্রধানমন্ত্রীও অশ্রুসিক্ত হন। তাদের সান্তনা
দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাকে দেখেন, আমি অনেক কষ্ট নিয়ে বেঁচে আছি।’ তাদের পাশে আছেন উল্লেখ করে সরকার প্রধান আরো বলেন, তাদের মতো স্বজন হারানোর বেদনা তিনিও বহন করছেন।প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ‘ আমি আপনাদের ব্যথা বুঝতে পারি। এটা আমার দুর্ভাগ্য যে আমাকে আপনাদের অশ্রু দেখতে হচ্ছে।’ এ সময় গণভবনে এক হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। এসময় স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান সেখানে উপস্থিত ছিলেন।নিহত শিক্ষার্থী আবু সাঈদের
বাবা মকবুল হোসেন ও মা মনোয়ারা বেগমসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা গতকাল রংপুর থেকে ঢাকায় এসে গণভবনে আসেন। উল্লেখ্য, গত ১৬ জুলাই রংপুরে কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিআরইউ) দ্বাদশ ব্যাচের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ নিহত হন।এছাড়াও বিআরইউআর প্রশাসন গত ২৬ জুলাই নিহত আবু সাঈদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেয়। রংপুরের পীরগঞ্জে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রতিনিধি দল ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার চেক হস্তান্তর করেন তার বাবা-মায়ের কাছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত