করোনা মহামারীকে কেন্দ্র করে বৈশ্বিক জরুরি অবস্থার অবসান ঘোষণা করেছে
জাতিসঙ্ঘের অন্যতম অঙ্গসংগঠন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। মহামারী শেষ
হওয়ার জন্য এটিকে একটি বড় পদক্ষেপ বলছে সংস্থাটি।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, করোনা মহামারীর কারণে ৬ দশমিক ৯ মিলিয়নেরও বেশি মানুষের
মৃত্যু হয়েছে। শুধু তাই নয়, বিশ্ব অর্থনীতিকে ব্যাহত করেছে
এটি। তবে এখন আর স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থার প্রয়োজন নেই।
গেব্রিয়েসুস বলেছেন, ‘গতকাল (বৃহস্পতিবার) জরুরি কমিটি ১৫ বারের মতো
বৈঠকে বসেছে এবং বিশ্বে জারি থাকা জনস্বাস্থ্যে জরুরি অবস্থা তুলে নেয়ার জন্য আমার
কাছে সুপারিশ করেছে। আমি সেই পরামর্শ মেনে নিয়েছি। অতঃপর আমি কোভিড-১৯ এ বৈশ্বিক
জনস্বাস্থ্যে জরুরি অবস্থার সমাপ্তি ঘোষণা করেছি।’
ডব্লিউএইচও জরুরি অবস্থা তুলে নেয়াকে এই মহামারী মোকাবেলায় বিশ্বের অগ্রগতির
লক্ষণ বলে বর্ণনা করেছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য মতে, করোনা মহামারীতে ৬৯ লাখের বেশি মানুষের
মৃত্যু হয়েছে। শুধু তাই নয়, করোনার কারণে বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এখন আর স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থার প্রয়োজন নেই।
উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহান শহরে প্রথম করোনা শনাক্ত হয়। এরপর তা
আস্তে আস্তে বিশ্বের দেশে দেশে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। করোনা সংক্রমণ শুরু হওয়ার এক
মাসের মাথায় (৩০ জানুয়ারি) একে ‘গ্লোবাল ইমার্জেন্সি’ তথা বৈশ্বিক জরুরি অবস্থা ঘোষণা দেsয় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
করোনার জরুরি অবস্থা তুলে নিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
করোনার জরুরি অবস্থা তুলে নিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
করোনা মহামারীকে কেন্দ্র করে বৈশ্বিক জরুরি অবস্থার অবসান ঘোষণা করেছে জাতিসঙ্ঘের অন্যতম অঙ্গসংগঠন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। মহামারী শেষ হওয়ার জন্য এটিকে একটি বড় পদক্ষেপ বলছে সংস্থাটি।বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, করোনা মহামারীর কারণে ৬ দশমিক ৯ মিলিয়নেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। শুধু তাই নয়, বিশ্ব অর্থনীতিকে ব্যাহত করেছে এটি। তবে এখন আর স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থার প্রয়োজন নেই।গেব্রিয়েসুস বলেছেন, ‘গতকাল (বৃহস্পতিবার) জরুরি কমিটি
১৫ বারের মতো বৈঠকে বসেছে এবং বিশ্বে জারি থাকা জনস্বাস্থ্যে জরুরি অবস্থা তুলে নেয়ার জন্য আমার কাছে সুপারিশ করেছে। আমি সেই পরামর্শ মেনে নিয়েছি। অতঃপর আমি কোভিড-১৯ এ বৈশ্বিক জনস্বাস্থ্যে জরুরি অবস্থার সমাপ্তি ঘোষণা করেছি।’ডব্লিউএইচও জরুরি অবস্থা তুলে নেয়াকে এই মহামারী মোকাবেলায় বিশ্বের অগ্রগতির লক্ষণ বলে বর্ণনা করেছে।বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য মতে, করোনা মহামারীতে ৬৯ লাখের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। শুধু তাই
নয়, করোনার কারণে বিশ্ব অর্থনীতি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এখন আর স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থার প্রয়োজন নেই। উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহান শহরে প্রথম করোনা শনাক্ত হয়। এরপর তা আস্তে আস্তে বিশ্বের দেশে দেশে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। করোনা সংক্রমণ শুরু হওয়ার এক মাসের মাথায় (৩০ জানুয়ারি) একে ‘গ্লোবাল ইমার্জেন্সি’ তথা বৈশ্বিক জরুরি অবস্থা ঘোষণা দেsয় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত