কুমিল্লা ব্যুরো :
কুমিল্লায় মাদক সহ ভারতীয় অবৈধ পণ্য চোরাচালানের সহজ ও অন্যতম নিরাপদ মাধ্যম এখন কুমিল্লা। নগরসহ জেলায় ব নামে বেনামে গড়ে ওঠা কুরিয়ার ও পার্সেল সার্ভিসগুলো। গোপন খবরের ভিত্তিতে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে নগরীর রানীর বাজার সংলগ্ন রেডএক্স কুরিয়ার সার্ভিসের অফিসের ভেতর থেকে দুটি কার্টুন বোঝাই গাঁজাসহ পাচার কাজে জড়িত কুরিয়ার ম্যানেজার লোটাস সহ তার এক সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ভারত সীমান্ত লাগোয়া জেলা কুমিল্লা। অরক্ষিত সীমন্তের শতশত স্পট দিয়ে দেদারসে দেশে আসছে মদ গাঁজা বিয়ার ফেনসিডিল ইয়াবা আইস পেন্টাডল টাপেন্টা স্কার্ফ সহ নানান মরন নেশা । এছাড়াও অবৈধ ও চোরাই পথে রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে মোবাইল ফোন, শাড়ী, বাঁজি, কসমেটিকস সহ ভারতীয় বিভিন্ন পণ্য তো আসছেই। সাম্প্রতিক সময়ে আাবারো সীমান্ত ব্যাপক হারে বেড়েছে মাদক চোরাচালান। বেপরোয়া হয়ে উঠেছে মাদক কারবারিরা। প্রতিদিনই আসছে কোটি কোটি টাকার মাদক। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্য মতে, এসব মাদকের মাত্র ৩থেকে ৪ শতাংশই আটক করা সম্ভব হয়। নানান পথে নানা উপায়ে বেশীর ভাগ চালানই পৌঁছে গন্তব্যে। সীমান্ত পেরিয়ে এসব মাদক একবার দেশে প্রবেশ করলে বিস্তীর্ণ এলাকায় প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে গন্তব্য পৌঁছাতে নিত্য নতুন পদ্ধতি ও পথের যেন শেষ নেই। তাই সঠিক ও নির্ভূল তথ্য ছাড়া এসব মাদকের চালান আটক করা প্রায় অসম্ভব।
জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান জানান, নিয়মনীতি তয়াক্কা ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কঠোর নজরদারির এবং কুরিয়ার সার্ভিসগুলোর জবাবদিহিতার অভাবে মাদক কারবার ও পাচারের আরেকটি মাধ্যম এখন কুরিয়ার সার্ভিসগুলো। মাদক ও অবৈধ পণ্য পাচারে সরাসরি জড়িত থাকারও প্রমাণও রয়েছে কুরিয়ার সার্ভিসগুলোর বিরুদ্ধে। সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে দীর্ঘদিন ধরেই নগরীর রেডএক্স কুরিয়ার সার্ভিস সার্ভিসে নজরদারি করা হচ্ছিলো। এরই ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ১টায় কুরিয়ারের গাড়িতে ওঠানোর আগেই অভিযান চালিয়ে দুটো কার্টুন জব্দ করা হয়। এসময় মাদক পাচারে জড়িত থাকার অভিযোগে বুড়িচং উপজেলার পূর্ণমতি এলাকার মৃত সিরাজুল হকের ছেলে রেজাউল করিম লোটাস, এবং তার সহযোগী বরুড়া উপজেলার নবীপুর গ্রামের হাফিজ উল্লাহর ছেলে সোহাগ মিয়া নামে দুজনকে আটক করা হয়। আটককৃতদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি মডেল থানায় উপ পরিদর্শক তমাল মজুমদার বাদী হয়ে মাদক আইনে মামলা দায়ের করেছেন। মাদক নির্মূলে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে তথ্য দিয়ে সহায়তার জন্য সর্ব সাধারণদের প্রতিও অনুরোধ জানান চৌধুরী ইমরুল হাসান।
কুমিল্লায় কুরিয়ারে মাদক পাচার ! অভিযানে ম্যানেজার সহ আটক দুই
কুমিল্লায় কুরিয়ারে মাদক পাচার ! অভিযানে ম্যানেজার সহ আটক দুই
কুমিল্লা ব্যুরো :কুমিল্লায় মাদক সহ ভারতীয় অবৈধ পণ্য চোরাচালানের সহজ ও অন্যতম নিরাপদ মাধ্যম এখন কুমিল্লা। নগরসহ জেলায় ব নামে বেনামে গড়ে ওঠা কুরিয়ার ও পার্সেল সার্ভিসগুলো। গোপন খবরের ভিত্তিতে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে নগরীর রানীর বাজার সংলগ্ন রেডএক্স কুরিয়ার সার্ভিসের অফিসের ভেতর থেকে দুটি কার্টুন বোঝাই গাঁজাসহ পাচার কাজে জড়িত কুরিয়ার ম্যানেজার লোটাস সহ তার এক সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভারত সীমান্ত লাগোয়া জেলা কুমিল্লা। অরক্ষিত সীমন্তের শতশত স্পট দিয়ে দেদারসে দেশে আসছে মদ গাঁজা বিয়ার ফেনসিডিল ইয়াবা আইস পেন্টাডল টাপেন্টা স্কার্ফ সহ নানান মরন নেশা । এছাড়াও অবৈধ ও চোরাই পথে রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে মোবাইল ফোন, শাড়ী, বাঁজি, কসমেটিকস সহ ভারতীয় বিভিন্ন পণ্য তো আসছেই। সাম্প্রতিক সময়ে আাবারো
সীমান্ত ব্যাপক হারে বেড়েছে মাদক চোরাচালান। বেপরোয়া হয়ে উঠেছে মাদক কারবারিরা। প্রতিদিনই আসছে কোটি কোটি টাকার মাদক। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্য মতে, এসব মাদকের মাত্র ৩থেকে ৪ শতাংশই আটক করা সম্ভব হয়। নানান পথে নানা উপায়ে বেশীর ভাগ চালানই পৌঁছে গন্তব্যে। সীমান্ত পেরিয়ে এসব মাদক একবার দেশে প্রবেশ করলে বিস্তীর্ণ এলাকায় প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে গন্তব্য পৌঁছাতে নিত্য নতুন পদ্ধতি ও পথের যেন শেষ নেই। তাই সঠিক ও নির্ভূল তথ্য ছাড়া এসব মাদকের চালান আটক করা প্রায় অসম্ভব। জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান জানান, নিয়মনীতি তয়াক্কা ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কঠোর নজরদারির এবং কুরিয়ার সার্ভিসগুলোর জবাবদিহিতার অভাবে মাদক কারবার ও পাচারের আরেকটি মাধ্যম এখন কুরিয়ার সার্ভিসগুলো। মাদক ও অবৈধ পণ্য পাচারে
সরাসরি জড়িত থাকারও প্রমাণও রয়েছে কুরিয়ার সার্ভিসগুলোর বিরুদ্ধে। সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে দীর্ঘদিন ধরেই নগরীর রেডএক্স কুরিয়ার সার্ভিস সার্ভিসে নজরদারি করা হচ্ছিলো। এরই ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ১টায় কুরিয়ারের গাড়িতে ওঠানোর আগেই অভিযান চালিয়ে দুটো কার্টুন জব্দ করা হয়। এসময় মাদক পাচারে জড়িত থাকার অভিযোগে বুড়িচং উপজেলার পূর্ণমতি এলাকার মৃত সিরাজুল হকের ছেলে রেজাউল করিম লোটাস, এবং তার সহযোগী বরুড়া উপজেলার নবীপুর গ্রামের হাফিজ উল্লাহর ছেলে সোহাগ মিয়া নামে দুজনকে আটক করা হয়। আটককৃতদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি মডেল থানায় উপ পরিদর্শক তমাল মজুমদার বাদী হয়ে মাদক আইনে মামলা দায়ের করেছেন। মাদক নির্মূলে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে তথ্য দিয়ে সহায়তার জন্য সর্ব সাধারণদের প্রতিও অনুরোধ জানান চৌধুরী ইমরুল হাসান।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত