কুমিল্লা ব্যুরো ঃ
২০০৬ সালে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে আমানগন্ডা এলাকায় ট্রাক ড্রাইভার জয়নাল আবেদীন হত্যা মামলায় দুই আসামিকে মৃত্যুদন্ড দিয়েছে আদালত। একই ঘটনায় অপর এক আসামিকে ১০ বছরের সশ্রম কারদন্ড প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত দুই আসামিকে ১ লক্ষ টাকা করে এবং কারাদন্ডাদেশ প্রাপ্ত আসামিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মামলাটির রায় দেন কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ চতুর্থ আদালতের বিচারক সেলিনা আক্তার। তবে দন্ডপ্রাপ্ত তিন আসামিই মামলা চলাকালীন সময়ে জামিনে গিয়ে পলাতক রয়েছে।
রাষ্ট্র্র পক্ষের পক্ষের আইনজীবী মো: মজিবুর রহমান বাহার জানান, ২০০৬ সালের ২০ জুন চৌদ্দগ্রামের আমানগন্ডা এলাকায় ট্রাক লুট করার সময় চালক জয়নাল আবেদীনকে খুন করা হয়। এই ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে অজ্ঞাতদের বিরুদ্ধে চৌদ্দগ্রাম থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। মামলার তদন্তে পুলিশ বিভিন্ন স্থান থেকে আসামি আহসান উল্যাহ, মোঃ হোসেন ও মোঃ শামসুল হককে গ্রেফতার করে। আসামিরা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। এই মামলায় ১৬ জন সাক্ষী সাক্ষ্য প্রদান করে। ২০০৭ সালে ১ মার্চ তিনজনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জ গঠন করা হয়।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মামলার আইনজীবী মোঃ মজিবুর রহমান বাহার জানান, আসামিরা মামলার চলাকালীন সময়ে জামিনে গিয়ে পলাতক রয়েছে।
কুমিল্লায় ট্রাকচালক হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদন্ড
কুমিল্লায় ট্রাকচালক হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদন্ড
কুমিল্লা ব্যুরো ঃ২০০৬ সালে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে আমানগন্ডা এলাকায় ট্রাক ড্রাইভার জয়নাল আবেদীন হত্যা মামলায় দুই আসামিকে মৃত্যুদন্ড দিয়েছে আদালত। একই ঘটনায় অপর এক আসামিকে ১০ বছরের সশ্রম কারদন্ড প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত দুই আসামিকে ১ লক্ষ টাকা করে এবং কারাদন্ডাদেশ প্রাপ্ত আসামিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মামলাটির রায় দেন কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা
জজ চতুর্থ আদালতের বিচারক সেলিনা আক্তার। তবে দন্ডপ্রাপ্ত তিন আসামিই মামলা চলাকালীন সময়ে জামিনে গিয়ে পলাতক রয়েছে।রাষ্ট্র্র পক্ষের পক্ষের আইনজীবী মো: মজিবুর রহমান বাহার জানান, ২০০৬ সালের ২০ জুন চৌদ্দগ্রামের আমানগন্ডা এলাকায় ট্রাক লুট করার সময় চালক জয়নাল আবেদীনকে খুন করা হয়। এই ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে অজ্ঞাতদের বিরুদ্ধে চৌদ্দগ্রাম থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। মামলার তদন্তে
পুলিশ বিভিন্ন স্থান থেকে আসামি আহসান উল্যাহ, মোঃ হোসেন ও মোঃ শামসুল হককে গ্রেফতার করে। আসামিরা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। এই মামলায় ১৬ জন সাক্ষী সাক্ষ্য প্রদান করে। ২০০৭ সালে ১ মার্চ তিনজনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জ গঠন করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মামলার আইনজীবী মোঃ মজিবুর রহমান বাহার জানান, আসামিরা মামলার চলাকালীন সময়ে জামিনে গিয়ে পলাতক রয়েছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত