কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি :
ঈদুল আজহার দিন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে কুড়িগ্রামের বিভিন্ন গবাদি পশুর হাট জমে উঠেছে । চলছে পশু বেচা কেনা। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ব্যবসায়ীরা কুড়িগ্র্মেরর যাত্রাপুর ,উলিপুর ভুরুঙ্গামারীতে আসা শুরু করেছেন এবং হাটগুলো ও দ্রত কোরবানির পশুতে ভরে উঠছে। কুড়িগ্রামে এবার গরু ও ছাগলের কোরবানির চাহিদা পুরন হবার পরে উদবৃত্ত বিভিন্ন জেলায় চলে যাচ্ছে। জেলা উপজেলাগুলোতে বসেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী গবাদি পশুর হাট। দিন যতই যাচ্ছে গরুর দাম ও চাহিদা বেড়ে চলছে। কুড়্রগ্রিাম জেলায় স্থায়ী অস্থায়ী মিলে মোট ২৯টি কোরবানির গরু-ছাগলের হাট বসেছে। এসবের মধ্যে বড় এবং স্থায়ী হাট, যাত্রাপুর হাট, মোগলবাসা হাট,কাঁঠালবাড়ি হাট,ভুরুঙ্গামারী হাট, উল্লেখযোগ্য। এছাড়াও কিছু এলাকায় অনুমোদনবিহীন ছোট ছোট হাট গড়ে উঠেছে। অধিকাংশ বাঁশের কাঠামো তৈরি হয়েছে, বিক্রেতারা ও কৃষি খামার মালিকেরা তাদের স্থান চিহ্নিত করেছেন সাইনবোর্ড দিয়েছে। কুড়িগ্রামের সবচেয়ে ঐতিয্যবাহী হাট যাত্রাপুর হাট। কয়েক হাজার গরুর আমদানী হয় এখানে। ঈদের শেষ মূহুর্তেও চলে এ হাটের বেচাকেনা। জেলার বিভিন্ন হাটে বড় গরুর চেয়ে মাঝারি ও ছোট গরুর চাহিদা বেশি। বড় গরুগুলি পাইকাররা ঢাকা সহ সারা দেশে নিয়ে যাচ্ছে। ব্য্যবসায়ী ও খামারিরা বলছেন, ‘কয়েক বছর ধরে গো খাদ্যের মূল্যবৃদ্ধি পেয়েছে। কোনো কোনো খাদ্যের দাম দ্বিগুণ হয়েছে। এতে গরু পালনে ব্যয় বেড়েছে। তাই গরু গুলির দাম বেশ বেশী। অন্য্যদিকে জেলার স্থায়ী ও অস্থায়ী পশুর হাট গুলি সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি আর্মির টহল ও জোরদার করেছে।
যাত্রাপুর হাটে গরু নিয়ে এসেছেন আবুল হোসেন জানান এবারের গরুর দাম কম। উপায় না পেয়ে বিক্রি করছি। যে গরুর দাম ১লক্ষ সেই গরু ৮০ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে । ক্রেতা রহমান আলী জানান গরুর দাম বেশী ।বাজেটের চেয়ে ৫/৬হাজার টাকা বেশী খরচ করতে হচ্ছে।
ইজারদার মো.রহিম উদ্দিন হায়দার রিপন জানান এবার হাটে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খুবই ভালো। এখন পর্যন্ত কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে নাই। পুলিশ প্রশাসন ও সেনাবাহিনী সব সময় তদারকি করছে।
ব্যাংক কর্মকর্তা মো. জাকারিয়া সুমন ব্যাংক কর্মকর্তা জানান দেশের প্রান্তিক জেলা কুড়িগ্রাম। এখানকার ঐতিয্যবাহীহাট যাত্রাপুর। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় আমরা এসেছি। ক্রেতা বিক্রেতা কেউ যেন প্রতারণার স্বীকার না হয়। জাল নোট সনাক্ত কররার জন্যই এই হাটেই বসেছি।
উপ-সহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. গোলাম মোস্তফা খান জানান কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার প্রানী সম্পদের পক্ষ থেকে ভ্যাটানারি মেডিকেল টিম যাত্রাপুর সহ বিভিন্ন হাটে অবস্থান করছি। গবাদী পশু গুলির বিভিন্ন সংক্রাম রোগ হিট ষ্ট্রোক রোগের চিকিৎসার জন্য্য সার্বক্ষনিক চিকিৎসা ক্জা করে যাচ্ছে।
কুড়িগ্রামে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট চলছে বেচা কেনা
কুড়িগ্রামে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট চলছে বেচা কেনা
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি : ঈদুল আজহার দিন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে কুড়িগ্রামের বিভিন্ন গবাদি পশুর হাট জমে উঠেছে । চলছে পশু বেচা কেনা। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ব্যবসায়ীরা কুড়িগ্র্মেরর যাত্রাপুর ,উলিপুর ভুরুঙ্গামারীতে আসা শুরু করেছেন এবং হাটগুলো ও দ্রত কোরবানির পশুতে ভরে উঠছে। কুড়িগ্রামে এবার গরু ও ছাগলের কোরবানির চাহিদা পুরন হবার পরে উদবৃত্ত বিভিন্ন জেলায় চলে যাচ্ছে। জেলা উপজেলাগুলোতে বসেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী গবাদি পশুর হাট। দিন যতই যাচ্ছে গরুর দাম ও চাহিদা বেড়ে চলছে। কুড়্রগ্রিাম জেলায় স্থায়ী অস্থায়ী মিলে মোট ২৯টি কোরবানির গরু-ছাগলের হাট বসেছে। এসবের মধ্যে বড় এবং স্থায়ী হাট, যাত্রাপুর হাট, মোগলবাসা হাট,কাঁঠালবাড়ি হাট,ভুরুঙ্গামারী হাট, উল্লেখযোগ্য। এছাড়াও কিছু এলাকায় অনুমোদনবিহীন ছোট ছোট হাট গড়ে উঠেছে। অধিকাংশ বাঁশের কাঠামো তৈরি হয়েছে, বিক্রেতারা ও কৃষি খামার মালিকেরা তাদের স্থান চিহ্নিত
করেছেন সাইনবোর্ড দিয়েছে। কুড়িগ্রামের সবচেয়ে ঐতিয্যবাহী হাট যাত্রাপুর হাট। কয়েক হাজার গরুর আমদানী হয় এখানে। ঈদের শেষ মূহুর্তেও চলে এ হাটের বেচাকেনা। জেলার বিভিন্ন হাটে বড় গরুর চেয়ে মাঝারি ও ছোট গরুর চাহিদা বেশি। বড় গরুগুলি পাইকাররা ঢাকা সহ সারা দেশে নিয়ে যাচ্ছে। ব্য্যবসায়ী ও খামারিরা বলছেন, ‘কয়েক বছর ধরে গো খাদ্যের মূল্যবৃদ্ধি পেয়েছে। কোনো কোনো খাদ্যের দাম দ্বিগুণ হয়েছে। এতে গরু পালনে ব্যয় বেড়েছে। তাই গরু গুলির দাম বেশ বেশী। অন্য্যদিকে জেলার স্থায়ী ও অস্থায়ী পশুর হাট গুলি সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি আর্মির টহল ও জোরদার করেছে। যাত্রাপুর হাটে গরু নিয়ে এসেছেন আবুল হোসেন জানান এবারের গরুর দাম কম। উপায় না পেয়ে বিক্রি করছি। যে গরুর দাম ১লক্ষ সেই গরু ৮০ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে । ক্রেতা রহমান
আলী জানান গরুর দাম বেশী ।বাজেটের চেয়ে ৫/৬হাজার টাকা বেশী খরচ করতে হচ্ছে। ইজারদার মো.রহিম উদ্দিন হায়দার রিপন জানান এবার হাটে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খুবই ভালো। এখন পর্যন্ত কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে নাই। পুলিশ প্রশাসন ও সেনাবাহিনী সব সময় তদারকি করছে।ব্যাংক কর্মকর্তা মো. জাকারিয়া সুমন ব্যাংক কর্মকর্তা জানান দেশের প্রান্তিক জেলা কুড়িগ্রাম। এখানকার ঐতিয্যবাহীহাট যাত্রাপুর। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় আমরা এসেছি। ক্রেতা বিক্রেতা কেউ যেন প্রতারণার স্বীকার না হয়। জাল নোট সনাক্ত কররার জন্যই এই হাটেই বসেছি।উপ-সহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. গোলাম মোস্তফা খান জানান কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার প্রানী সম্পদের পক্ষ থেকে ভ্যাটানারি মেডিকেল টিম যাত্রাপুর সহ বিভিন্ন হাটে অবস্থান করছি। গবাদী পশু গুলির বিভিন্ন সংক্রাম রোগ হিট ষ্ট্রোক রোগের চিকিৎসার জন্য্য সার্বক্ষনিক চিকিৎসা ক্জা করে যাচ্ছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত