কুষ্টিয়ার ছেঁউড়িয়ায় আধ্যাত্মিক সাধক, বাউল সম্রাট ফকির লালন শাহের ১৩৫তম তিরোধান দিবস উপলক্ষে তিন দিনব্যাপী লালন উৎসব শুরু হয়েছে। এ বছর লালন উৎসব শুধু কুষ্টিয়ার ছেঁউড়িয়ায় নয়, বরং ঢাকাসহ দেশের ৬৪ জেলাতেই জাতীয় পর্যায়ে উদযাপিত হচ্ছে লালন স্মরণোৎসব। গতকাল শুক্রবার বিকালে উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন অন্তর্র্বতী সরকারের সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।
তিনি বলেন, এ বছর জাতীয় পর্যায়ে পালিত হচ্ছে বাউল সম্রাট ফকির লালন শাহের তিরোধান দিবস। লালন সাঁই ছিলেন মানবতার সেবক। এই প্রথমবারের মতো রাষ্ট্রীয়ভাবে উদযাপিত হচ্ছে লালনের তিরোধান দিবস, যা লালনের দর্শনকে আরও বিস্তৃতভাবে দেশবাসীর কাছে তুলে ধরার এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংস্কৃতি সচিব মো. মফিদুর রহমান। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন লেখক ও গবেষক প্রফেসর গায়ত্রী চক্রবর্তী স্পিভাক। অন্য বক্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট লেখক ফরহাদ মজহার এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক আল মামুন, কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক ও লালন একাডেমির সভাপতি আবু হাসনাত মোহাম্মদ আরেফীন। উদ্বোধনীর প্রাক্কালে সদ্যপ্রয়াত লালন সংগীতশিল্পী ফরিদা পারভীনকে স্মরণ করে একটি তথ্যচিত্রও প্রদর্শিত হয়।
উৎসবকে ঘিরে কুষ্টিয়ার ছেঁউড়িয়া এখন যেন এক বিশাল ভাবজগৎ। দূরদূরান্ত থেকে হাজারো সাধু, গুরু ও লালনভক্ত জড়ো হয়েছেন আখড়াবাড়ি ও আশপাশের মরা কালীগঙ্গা নদীর তীরে। নদীর পশ্চিম প্রান্তের মাঠে শতাধিক বাউল অনুসারী অস্থায়ী তাঁবু গেড়ে অবস্থান নিয়েছেন। একতারা, দোতারা, খমক আর বাঁশির সুরে ভরে উঠেছে চারপাশ।
মাঠের দক্ষিণ পাশে নির্মিত বিশাল মঞ্চে প্রতিদিন গভীর রাত পর্যন্ত চলবে লালন সংগীতের আসর। উত্তরের অংশে বসেছে পণ্যেও দোকান, হস্তশিল্পের পসরা আর স্থানীয় খাবারের আয়োজন।
লালনের সমাধিস্থলের পাশের উন্মুক্ত শেডে ভক্তরা গেয়ে চলেছেন সাঁইজির বাণীÑ ‘মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি’। কেউ ধ্যানে মগ্ন, কেউবা ভাবগানে হারিয়ে গেছেন লালনের দর্শনে। সাধু সাহেব আলী বলেন, রাষ্ট্রীয়ভাবে এমন আয়োজন অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল। দেরিতে হলেও সরকারের উদ্যোগে লালনের বাণী দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়বে এতে আমরা গর্বিত। স্থানীয় অনুসারী মোশারফ সাধু বলেন, আমরা এখানে আসি সাঁইজির মর্মবাণী চর্চা আর ভাব বিনিময়ের জন্য। এখানে জাত-পাত নেই, অহঙ্কার নেইÑ সবাই এক সূত্রে বাঁধা।
কুষ্টিয়ার ছেঁউড়িয়ায় শুরু ৩ দিনের স্মরণোৎসব
কুষ্টিয়ার ছেঁউড়িয়ায় শুরু ৩ দিনের স্মরণোৎসব
কুষ্টিয়ার ছেঁউড়িয়ায় আধ্যাত্মিক সাধক, বাউল সম্রাট ফকির লালন শাহের ১৩৫তম তিরোধান দিবস উপলক্ষে তিন দিনব্যাপী লালন উৎসব শুরু হয়েছে। এ বছর লালন উৎসব শুধু কুষ্টিয়ার ছেঁউড়িয়ায় নয়, বরং ঢাকাসহ দেশের ৬৪ জেলাতেই জাতীয় পর্যায়ে উদযাপিত হচ্ছে লালন স্মরণোৎসব। গতকাল শুক্রবার বিকালে উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন অন্তর্র্বতী সরকারের সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।তিনি বলেন, এ বছর জাতীয় পর্যায়ে পালিত হচ্ছে বাউল সম্রাট ফকির লালন শাহের তিরোধান দিবস। লালন সাঁই ছিলেন মানবতার সেবক। এই প্রথমবারের মতো রাষ্ট্রীয়ভাবে উদযাপিত হচ্ছে লালনের তিরোধান দিবস, যা লালনের দর্শনকে আরও বিস্তৃতভাবে দেশবাসীর কাছে তুলে ধরার এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংস্কৃতি সচিব মো. মফিদুর রহমান। প্রধান আলোচক
হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন লেখক ও গবেষক প্রফেসর গায়ত্রী চক্রবর্তী স্পিভাক। অন্য বক্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট লেখক ফরহাদ মজহার এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক আল মামুন, কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক ও লালন একাডেমির সভাপতি আবু হাসনাত মোহাম্মদ আরেফীন। উদ্বোধনীর প্রাক্কালে সদ্যপ্রয়াত লালন সংগীতশিল্পী ফরিদা পারভীনকে স্মরণ করে একটি তথ্যচিত্রও প্রদর্শিত হয়।উৎসবকে ঘিরে কুষ্টিয়ার ছেঁউড়িয়া এখন যেন এক বিশাল ভাবজগৎ। দূরদূরান্ত থেকে হাজারো সাধু, গুরু ও লালনভক্ত জড়ো হয়েছেন আখড়াবাড়ি ও আশপাশের মরা কালীগঙ্গা নদীর তীরে। নদীর পশ্চিম প্রান্তের মাঠে শতাধিক বাউল অনুসারী অস্থায়ী তাঁবু গেড়ে অবস্থান নিয়েছেন। একতারা, দোতারা, খমক আর বাঁশির
সুরে ভরে উঠেছে চারপাশ।মাঠের দক্ষিণ পাশে নির্মিত বিশাল মঞ্চে প্রতিদিন গভীর রাত পর্যন্ত চলবে লালন সংগীতের আসর। উত্তরের অংশে বসেছে পণ্যেও দোকান, হস্তশিল্পের পসরা আর স্থানীয় খাবারের আয়োজন।লালনের সমাধিস্থলের পাশের উন্মুক্ত শেডে ভক্তরা গেয়ে চলেছেন সাঁইজির বাণীÑ ‘মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি’। কেউ ধ্যানে মগ্ন, কেউবা ভাবগানে হারিয়ে গেছেন লালনের দর্শনে। সাধু সাহেব আলী বলেন, রাষ্ট্রীয়ভাবে এমন আয়োজন অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল। দেরিতে হলেও সরকারের উদ্যোগে লালনের বাণী দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়বে এতে আমরা গর্বিত। স্থানীয় অনুসারী মোশারফ সাধু বলেন, আমরা এখানে আসি সাঁইজির মর্মবাণী চর্চা আর ভাব বিনিময়ের জন্য। এখানে জাত-পাত নেই, অহঙ্কার নেইÑ সবাই এক সূত্রে বাঁধা।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত