দশ লাখ মুসল্লি নিয়ে শুরু হলো এবারের হজের আনুষ্ঠানিকতা। হজযাত্রীরা সমবেত হচ্ছেন ইসলামের স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক আরাফাতের ময়দানে। কণ্ঠে তাদের সমস্বরে উচ্চারণ হচ্ছে- ‘লাব্বাইক, আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইকা লা শারিকা লাকা লাব্বাইক, ইন্নাল হাম্দা ওয়ান্নি’মাতা লাকা ওয়ালমুক’।
বুধবার (৬ জুলাই) রাত থেকেই মক্কা থেকে মিনার পথে যাত্রা শুরু করেন হজযাত্রীরা। অনেকে এরই মধ্যে পৌঁছে গেছেন। বাকিরা আজ (বৃহস্পতিবার) সেখানে সমবেত হবেন। মিনায় যাওয়ার আগে মক্কার মসজিদুল হারামে কাবা শরিফ তাওয়াফ করেন তারা।
শুক্রবার ফজরের নামাজ আদায় করে ঐতিহাসিক আরাফাত ময়দানের উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন হজযাত্রীরা। আরাফাত ময়দানে সমবেত হওয়ার মাধ্যমে শুরু হবে হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা।
দুপুরে হবে হজের খুৎবা। সূর্যাস্তের পর আরাফাত ময়দান ত্যাগ করে হজ প্রত্যাশীরা যাত্রা করবেন মুজদালিফার উদ্দেশ্যে। সেখানে আদায় করবেন মাগরিব ও এশার নামাজ। জামারায় প্রতীকী শয়তানকে নিক্ষেপের জন্য পাথর সংগ্রহ করবেন হজযাত্রীরা।
এদিন রাতে খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করবেন তারা। শনিবার সকালে সূর্যোদয়ের পর পাথর নিক্ষেপ করবেন। এরপর আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য পশু কোরবানি করে মাথা মুণ্ডন করবেন। এহরাম খুলে পরবেন সাধারণ পোশাক। এরপর আবার কাবাঘর তাওয়াফ করে সাফা-মারওয়া পাহাড়ে সাতবার দৌড়াবেন। এরপর আবারও ফিরে যাবেন মিনায়।
‘লাব্বাইক, আল্লাহুম্মা লাব্বাইক : মূখরিত আরাফাতের ময়দানে
‘লাব্বাইক, আল্লাহুম্মা লাব্বাইক : মূখরিত আরাফাতের ময়দানে
দশ লাখ মুসল্লি নিয়ে শুরু হলো এবারের হজের আনুষ্ঠানিকতা। হজযাত্রীরা সমবেত হচ্ছেন ইসলামের স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক আরাফাতের ময়দানে। কণ্ঠে তাদের সমস্বরে উচ্চারণ হচ্ছে- ‘লাব্বাইক, আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইকা লা শারিকা লাকা লাব্বাইক, ইন্নাল হাম্দা ওয়ান্নি’মাতা লাকা ওয়ালমুক’।বুধবার (৬ জুলাই) রাত থেকেই মক্কা থেকে মিনার পথে যাত্রা শুরু করেন হজযাত্রীরা। অনেকে এরই মধ্যে পৌঁছে গেছেন। বাকিরা আজ (বৃহস্পতিবার)
সেখানে সমবেত হবেন। মিনায় যাওয়ার আগে মক্কার মসজিদুল হারামে কাবা শরিফ তাওয়াফ করেন তারা।শুক্রবার ফজরের নামাজ আদায় করে ঐতিহাসিক আরাফাত ময়দানের উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন হজযাত্রীরা। আরাফাত ময়দানে সমবেত হওয়ার মাধ্যমে শুরু হবে হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা।দুপুরে হবে হজের খুৎবা। সূর্যাস্তের পর আরাফাত ময়দান ত্যাগ করে হজ প্রত্যাশীরা যাত্রা করবেন মুজদালিফার উদ্দেশ্যে। সেখানে আদায় করবেন মাগরিব ও
এশার নামাজ। জামারায় প্রতীকী শয়তানকে নিক্ষেপের জন্য পাথর সংগ্রহ করবেন হজযাত্রীরা।এদিন রাতে খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করবেন তারা। শনিবার সকালে সূর্যোদয়ের পর পাথর নিক্ষেপ করবেন। এরপর আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য পশু কোরবানি করে মাথা মুণ্ডন করবেন। এহরাম খুলে পরবেন সাধারণ পোশাক। এরপর আবার কাবাঘর তাওয়াফ করে সাফা-মারওয়া পাহাড়ে সাতবার দৌড়াবেন। এরপর আবারও ফিরে যাবেন মিনায়।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত