রবিবার, ৭ জুন ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
দেশের খবর লালমনিহাটে বাদাম চাষিদের ক্ষতি

লালমনিহাটে বাদাম চাষিদের ক্ষতি

লালমনিহাট জেলা প্রতিনিধি ঃ

লালমনিহাটে তিস্তাপাড়ের বাদাম চাষী জালাল উদ্দিন , আব্দুল হামিদ জন্মগতভাবে তিস্তা পাড়ের মানুষ জীবন-জীবিকা সুখ-দুঃখ হাসি-কান্না সবই এই নদী পাড়ে। বিগত বছরগুলোর ন্যায় এ বছরও স্ত্রী সন্তানের মুখে হাসি ফোটাতে বাদাম চাষ করেন তিস্তা পাড়ের জমিতে । সেই চাষ করা বাদামের ক্ষেত থেকে বাদাম ঘরে তুলতে আনতে পারেনি এখানকার বাদাম চাষীরা। যতটুকু আনতে পেরেছেন তা হয়তো রোপনের সময়ের খরচ এর চার ভাগের এক ভাগের আনতে পারেনি । সর্বনাশা তিস্তা নদী তে   আকস্মিক গেল বৃহস্পতিবার থেকে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় সুখের গুজরাটের ফাশন বিনষ্ট হয়েছে। এসকল ভুক্তভোগী কৃষকদের কৃষি বিভাগের লোকজনের কাছে আবেদন করলেও তারা কেউ সাড়া দেননি ভুক্তভোগী কৃষকদের মাঝে। এই অভিযোগ মৎস্যচাষীদের মত বাদাম চাষীদের ও। বাদাম চাষ জালালউদ্দিন ২৫ দোন মাটিতে বাদাম চাষ করেন কিন্তু ঘরে ক্ষেত থেকে নিয়ে আসতে পেরেছেন দুইদোন ক্ষেতের ফসল।

প্রতীকে কৃষক হাদী ১০ দোন মাটিতে বাদামের চাষ করেন সংসারের সবার মুখে হাসি ফোটাবেন বলে কিন্তু বাদশা যে সর্বনাশা তিস্তা নদী পানিতে তলিয়ে থাকা ফসলের ক্ষেত থেকে প্রায় দুইজন মাটির বাদাম ঘরে আনতে পেরেছেন। 

আরেকজন বাদাম চাষী জয়নাল ২৩ দোন মাটিতে বাদাম চাষ করেন কিন্তু উজানের পাহাড়ি ঢল অনবরত বৃষ্টির জলে বাদাম চাষের স্বপ্ন ধ্বংস করেছে। ২৩ দোন জমির মধ্যে মাত্র ৭ দোন জমির বাদাম খেত থেকে তুলতে পেরেছেন। এসকল ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে লালমনিরহাট জেলার সহকারী নিয়োগ প্রাপ্ত কৃষি কর্মকর্তা, ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয় সহ জেলা প্রশাসনের কাউকে পাশে পাননি তাদের এই দুঃসময়ে।

খুঁজুন