নিজস্ব প্রতিনিধি,লালমনিরহাট :
লালমনিরহাটে বন্যা পরিস্থিতির খানিকটা উন্নতি, তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে বিপদসীমার ১০ সেন্টিমিটার নীচ দিয়ে পানি বইছে তবে বানভাসিদের মাঝে সরকারি বরাদ্দ থাকলেও তা এখনো পৌছায়নি।
পানি উন্মন বোর্ড সূত্র জানায়, যদি উজানে ভারিবৃষ্টিপাত না হয় তাহলে দ্রুত তিস্তার পানি নেমে যাবে। ইতোমধ্যে তিস্তার ডালিয়া পয়েন্টে আজ সকালম৯ টায় বিপদসীমার ১০ সেন্টিমিটার নীচ দিয়ে পানি বইছে। এদিকে এখন পর্যন্ত নতুন করে নদীতে ভাঙ্গন দেখ দেয়নি।
জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন অফিস সূত্রে জানা গেছে এ পর্যন্ত ৩৩শত শুকনো খাবারের প্যাকেট বরাদ্দ হয়েছে তা বিতরণের প্রস্তুতি চলছে। মাঠপর্যায়ের তথ্য মতে জেলার হাতিবান্ধা, কালীগঞ্জ,আদিতমারি ও লালমনিরহাট সদর উপজেলার ১৬ টি ইউনিয়নে প্রায় ৩০ হাজার পরিবার পানি বন্দী অবস্থায় আছে। এই বানভাসিদের জন্য যে পরিমান বরাদ্দ দিয়েছে তা চাহিদার চেয়ে একেবারেই অপ্রতুল। অপরদিকে বানভাসিদের মানুষদের সুপেয় পানির অভাব সহ পয়োনিষ্কাশনের মারাত্মক সমস্যা, রান্নাঘরে পানি ওঠায় খাবারের সমস্যা, গোখাদ্য সমস্যা দেখা দিয়েছে। আদিতমারি উপজেলা নির্বাহী অফিসার সারোয়ার আলম জানান মহিষ খোঁচা ইউনিয়নে প্রায় ৩ হাজার পরিবার পানি বন্দী রয়েছে।

অপরদিকে লালমনিরহাট সদর পিআইও মশিউর রহমান জানান,তালিকা হচ্ছে আর জেলা প্রশাসক আবু জাফর, উপজেলা চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান সুজন ও খুনিয়াগাছ ইউপি চেয়ারম্যান বাদল সহ মঙ্গলবার বিকেল ৫ টার পর বানভাসি এলাকা পরিদর্শন করা হয়েছে।
এছাড়াও হাতিবান্ধা পিআইও এবং কালীগঞ্জ উপজেলায় কর্মরত পিআইও ( প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা) এর সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তারা ফোন রিসিভ না করায় তাদের তথ্য পাওয়া যানি। তবে হাতিবান্ধার জাউয়া বাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মশিউর রহমান জানান, ওই ইউনিয়নে ২হাজারেরও বেশি পরিবার পানি বন্দী হয়ে আছেন। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার গোলাম নবী সরেজমিনে এসে জানান,বানের পানি ওঠায় আপাতত ৭ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।
লালমনিরহাটে বন্যার খনিকটা উন্নতি, ত্রান পাননি বানভাসি মানুষ
লালমনিরহাটে বন্যার খনিকটা উন্নতি, ত্রান পাননি বানভাসি মানুষ
নিজস্ব প্রতিনিধি,লালমনিরহাট :লালমনিরহাটে বন্যা পরিস্থিতির খানিকটা উন্নতি, তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে বিপদসীমার ১০ সেন্টিমিটার নীচ দিয়ে পানি বইছে তবে বানভাসিদের মাঝে সরকারি বরাদ্দ থাকলেও তা এখনো পৌছায়নি। পানি উন্মন বোর্ড সূত্র জানায়, যদি উজানে ভারিবৃষ্টিপাত না হয় তাহলে দ্রুত তিস্তার পানি নেমে যাবে। ইতোমধ্যে তিস্তার ডালিয়া পয়েন্টে আজ সকালম৯ টায় বিপদসীমার ১০ সেন্টিমিটার নীচ দিয়ে পানি বইছে। এদিকে এখন পর্যন্ত নতুন করে নদীতে ভাঙ্গন দেখ দেয়নি। জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন অফিস সূত্রে জানা গেছে এ পর্যন্ত ৩৩শত শুকনো খাবারের প্যাকেট বরাদ্দ হয়েছে তা বিতরণের প্রস্তুতি চলছে। মাঠপর্যায়ের তথ্য
মতে জেলার হাতিবান্ধা, কালীগঞ্জ,আদিতমারি ও লালমনিরহাট সদর উপজেলার ১৬ টি ইউনিয়নে প্রায় ৩০ হাজার পরিবার পানি বন্দী অবস্থায় আছে। এই বানভাসিদের জন্য যে পরিমান বরাদ্দ দিয়েছে তা চাহিদার চেয়ে একেবারেই অপ্রতুল। অপরদিকে বানভাসিদের মানুষদের সুপেয় পানির অভাব সহ পয়োনিষ্কাশনের মারাত্মক সমস্যা, রান্নাঘরে পানি ওঠায় খাবারের সমস্যা, গোখাদ্য সমস্যা দেখা দিয়েছে। আদিতমারি উপজেলা নির্বাহী অফিসার সারোয়ার আলম জানান মহিষ খোঁচা ইউনিয়নে প্রায় ৩ হাজার পরিবার পানি বন্দী রয়েছে। অপরদিকে লালমনিরহাট সদর পিআইও মশিউর রহমান জানান,তালিকা হচ্ছে আর জেলা প্রশাসক আবু জাফর, উপজেলা চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান সুজন ও খুনিয়াগাছ
ইউপি চেয়ারম্যান বাদল সহ মঙ্গলবার বিকেল ৫ টার পর বানভাসি এলাকা পরিদর্শন করা হয়েছে। এছাড়াও হাতিবান্ধা পিআইও এবং কালীগঞ্জ উপজেলায় কর্মরত পিআইও ( প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা) এর সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তারা ফোন রিসিভ না করায় তাদের তথ্য পাওয়া যানি। তবে হাতিবান্ধার জাউয়া বাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মশিউর রহমান জানান, ওই ইউনিয়নে ২হাজারেরও বেশি পরিবার পানি বন্দী হয়ে আছেন। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার গোলাম নবী সরেজমিনে এসে জানান,বানের পানি ওঠায় আপাতত ৭ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত