নিজস্ব প্রতিনিধি :
লালমনিরহাট জেলা সদরের প্রগতি শাখার ব্যবস্থাপক আব্দুল জলিলের বিরুদ্ধে গ্রাহককদেরকে পূণরায় লোন দেয়ার কথা বলে আগের দেয়া লোনের টাকা সুদ সহ আদায় করার পর নানান রকমের হয়রানি করছে মর্মে একাধিক গ্রাহকরা অভিযোগ তুলছেন।
এমন কয়েকজন ভুক্তভোগী গ্রাহক জানান,ব্রাক সদস্যদের নিকট আগে সঞ্চয় নিয়ে গ্রাহকদের মাঝে লোনের টাকা প্রদান করে থাকে বিভিন্ন মেয়াদে। গ্রাহকদের কেউ কেউ ধার্য্যকৃত দিনের থেকে ২/১ দিন কিংবা কয়েকদিন পর সমূদয় টাকা পরিশোধ করলে তাকে পূণরায় লোন দেয়ার কথা বলে নতুন করে লোন আবেদন ফরমে স্বাক্ষর নিয়ে ২/৪দিন গ্রাহককে ঘোরানোর পর বলে নতুন লোন দেয়া যাবেনা বলে জানায়।
এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট মাঠ অফিসার আমির হামজা সহ একাধিক মাঠ কর্তারা বলেন, ব্যবস্থাপক চাইলে লোন দিতে পারেন,না চাইলে তার ওপর কথা বলার সাহস আমাদের নাই কারণ আমারা তার অধিনে চাকরি করি।
এ প্রতিনিধিকে একাধিক ভুক্তভোগি অধ্যাপক লিটন,শেফালী, সুজন সহ অনেকে ব্রাক ব্যবস্থাপকের বিরুদ্ধে উল্লেখিত অভিযোগ সহ নানানভাবে গ্রাহক হয়রানির মৌখিক অভিযোগ তোলেন। তাছাড়াও উক্ত জলিল কোন কোন সনাতনী লোকজনকে নির্বাচনের আগে সামান্য ত্রুটি থাকলে তাকে লোন না দেয়ার কথাও বলতে লোক মুখে শোনা গেছে।
এ ব্যাপারে লালমনিরহাট ব্রাকের রিজিওনাল ব্যবস্থাপক আব্দুল মালেককের নিকট এধরণের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রথমে তিনি বলেন এটি সংশ্লিষ্ট ব্যবস্থাপকের বিষয়,পরে বলেন ব্রাক নিয়মের মধ্যে চলো তবে গ্রাহক হয়রানির বিষয়ের জন্য দু:খ প্রকাশ করেন এবং উক্ত জলিলের সাথে বিষয়টি নিয়ে কথা বলবেন বলেও জানান।
অপরদিকে ভুক্তভোগি গ্রাহকদেরকে হয়রানির বিষয়ে অভিযুক্ত আবদুল জলিল গ্রাহক হয়রানির বিষয়টি এরিয়ে যান। তাছাড়া উক্ত ব্যবস্থাপক দিনের বেলা অফিসে ২/৪ মিনিট উপস্থিত থাকলেও অন্য ব্রাঞ্চে যাওয়ার কথ বলেন এবং রাতে তিনি অফিস করেন। আর বলেন সনাতনীদেরকে(হিন্দু) ভোটের আগে লোনের টাকা দেয়া যাবেনা এমন উক্তিটি পুরোপুরি অস্বীকার করে বলেন আমাদের পরিচালক হিন্দু আছেন।
যারা সুদের টাকা সহ লোনের মূলধন পরিশোধ করেন তারা পরবর্তীতে লোন নিয়ে কোননা কোন জরুরি কাজে লাগায় আর এই ব্রাক প্রগতি শাখা তাদেরকে লোনদেয়ার নামে একধরনের প্রতারণ সহ হয়রানি করার অভিযোগ এজেলায় অসংখ্য গ্রাহকদের নিকট থেকে পাওয়া যাচ্ছে।
লালমনিরহাটে ব্রাক প্রগতি শাখার ব্যবস্থাপকের বিরুদ্ধে গ্রাহক হয়রাণীর অভিযোগ
লালমনিরহাটে ব্রাক প্রগতি শাখার ব্যবস্থাপকের বিরুদ্ধে গ্রাহক হয়রাণীর অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিনিধি :লালমনিরহাট জেলা সদরের প্রগতি শাখার ব্যবস্থাপক আব্দুল জলিলের বিরুদ্ধে গ্রাহককদেরকে পূণরায় লোন দেয়ার কথা বলে আগের দেয়া লোনের টাকা সুদ সহ আদায় করার পর নানান রকমের হয়রানি করছে মর্মে একাধিক গ্রাহকরা অভিযোগ তুলছেন। এমন কয়েকজন ভুক্তভোগী গ্রাহক জানান,ব্রাক সদস্যদের নিকট আগে সঞ্চয় নিয়ে গ্রাহকদের মাঝে লোনের টাকা প্রদান করে থাকে বিভিন্ন মেয়াদে। গ্রাহকদের কেউ কেউ ধার্য্যকৃত দিনের থেকে ২/১ দিন কিংবা কয়েকদিন পর সমূদয় টাকা পরিশোধ করলে তাকে পূণরায় লোন দেয়ার কথা বলে নতুন করে লোন আবেদন ফরমে স্বাক্ষর নিয়ে ২/৪দিন গ্রাহককে ঘোরানোর পর বলে নতুন লোন দেয়া যাবেনা বলে জানায়। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট মাঠ অফিসার আমির হামজা সহ একাধিক
মাঠ কর্তারা বলেন, ব্যবস্থাপক চাইলে লোন দিতে পারেন,না চাইলে তার ওপর কথা বলার সাহস আমাদের নাই কারণ আমারা তার অধিনে চাকরি করি। এ প্রতিনিধিকে একাধিক ভুক্তভোগি অধ্যাপক লিটন,শেফালী, সুজন সহ অনেকে ব্রাক ব্যবস্থাপকের বিরুদ্ধে উল্লেখিত অভিযোগ সহ নানানভাবে গ্রাহক হয়রানির মৌখিক অভিযোগ তোলেন। তাছাড়াও উক্ত জলিল কোন কোন সনাতনী লোকজনকে নির্বাচনের আগে সামান্য ত্রুটি থাকলে তাকে লোন না দেয়ার কথাও বলতে লোক মুখে শোনা গেছে। এ ব্যাপারে লালমনিরহাট ব্রাকের রিজিওনাল ব্যবস্থাপক আব্দুল মালেককের নিকট এধরণের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রথমে তিনি বলেন এটি সংশ্লিষ্ট ব্যবস্থাপকের বিষয়,পরে বলেন ব্রাক নিয়মের মধ্যে চলো তবে গ্রাহক হয়রানির বিষয়ের জন্য দু:খ প্রকাশ করেন এবং উক্ত জলিলের
সাথে বিষয়টি নিয়ে কথা বলবেন বলেও জানান।অপরদিকে ভুক্তভোগি গ্রাহকদেরকে হয়রানির বিষয়ে অভিযুক্ত আবদুল জলিল গ্রাহক হয়রানির বিষয়টি এরিয়ে যান। তাছাড়া উক্ত ব্যবস্থাপক দিনের বেলা অফিসে ২/৪ মিনিট উপস্থিত থাকলেও অন্য ব্রাঞ্চে যাওয়ার কথ বলেন এবং রাতে তিনি অফিস করেন। আর বলেন সনাতনীদেরকে(হিন্দু) ভোটের আগে লোনের টাকা দেয়া যাবেনা এমন উক্তিটি পুরোপুরি অস্বীকার করে বলেন আমাদের পরিচালক হিন্দু আছেন। যারা সুদের টাকা সহ লোনের মূলধন পরিশোধ করেন তারা পরবর্তীতে লোন নিয়ে কোননা কোন জরুরি কাজে লাগায় আর এই ব্রাক প্রগতি শাখা তাদেরকে লোনদেয়ার নামে একধরনের প্রতারণ সহ হয়রানি করার অভিযোগ এজেলায় অসংখ্য গ্রাহকদের নিকট থেকে পাওয়া যাচ্ছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত