চলতি বছরের অক্টোবরে তিন দফায় লিবিয়া থেকে দেশে এসেছেন ৯২৮ বাংলাদেশি নাগরিক। এ ছাড়া লিবিয়ার স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার দেশটি থেকে আরো ৩১০ বাংলাদেশিকে দেশে প্রত্যাবাসন করা হবে। লিবিয়া থেকে অনিয়মিত অভিবাসীদের প্রত্যাবাসনের জাতীয় কর্মসূচি ঘোষণা উপলক্ষে গত মঙ্গলবার একটি উচ্চপর্যায়ের সভায় এ তথ্য জানান বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মুহাম্মদ খায়রুল বাশার।
ত্রিপোলির বাংলাদেশ দূতাবাস জানায়, সভায় সভাপতিত্ব করেন লিবিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মেজর জেনারেল এমাদ মোস্তফা আল-তরাবলুসি।
এতে লিবিয়ায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহের প্রধান উপস্থিত ছিলেন। এতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের নেতৃত্বে বাংলাদেশ দূতাবাসের একটি প্রতিনিধি দল অংশ নেয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিয়মিত অভিবাসীদের প্রত্যাবাসন কর্মসূচির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তিনি জানান, অক্টোবর ২০২৫ থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির আওতায় প্রাথমিকভাবে মিশর, নাইজার, নাইজেরিয়া এবং বাংলাদেশের হাজারো অভিবাসীকে নিরাপদে দেশে প্রত্যাবাসন করা হয়েছে।
এই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া মানবিক নীতি, নিরাপদ পরিবহন, যথাযথ খাদ্য ও আবাসন নিশ্চিত এবং সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাসের সহযোগিতায় সম্পন্ন করা হয়েছে। এ ছাড়া অভিবাসীদের জরিমানা মওকুফ করে বহির্গমন ভিসা ইস্যু করা হয়েছে।
রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ দূতাবাস নিবন্ধিত অভিবাসীদের স্বেচ্ছায় প্রত্যাবর্তনের জন্য লিবিয়ার জাতীয় ঐকমত্যের সরকার, বিশেষ করে স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ে কাজ করছে। লিবিয়া সরকারের সহযোগিতায় অক্টোবর মাসে তিনটি ফ্লাইটের মাধ্যমে ৯২৮ জন বাংলাদেশিকে নিরাপদে দেশে প্রত্যাবাসন করা হয়েছে।
এ ছাড়া ৪ ডিসেম্বর আরও ৩১০ জনকে লিবিয়া সরকারের সহযোগিতায় দেশে প্রত্যাবাসন করা হবে।
তিনি বাংলাদেশের নাগরিকদের নিরাপদ ও সম্মানজনক প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে লিবিয়া সরকারের সহযোগিতার জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতেও এই সহযোগিতা অব্যাহত থাকার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
লিবিয়া থেকে দেশে আসবে আরো ৩১০ বাংলাদেশি
লিবিয়া থেকে দেশে আসবে আরো ৩১০ বাংলাদেশি
চলতি বছরের অক্টোবরে তিন দফায় লিবিয়া থেকে দেশে এসেছেন ৯২৮ বাংলাদেশি নাগরিক। এ ছাড়া লিবিয়ার স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার দেশটি থেকে আরো ৩১০ বাংলাদেশিকে দেশে প্রত্যাবাসন করা হবে। লিবিয়া থেকে অনিয়মিত অভিবাসীদের প্রত্যাবাসনের জাতীয় কর্মসূচি ঘোষণা উপলক্ষে গত মঙ্গলবার একটি উচ্চপর্যায়ের সভায় এ তথ্য জানান বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মুহাম্মদ খায়রুল বাশার।ত্রিপোলির বাংলাদেশ দূতাবাস জানায়, সভায় সভাপতিত্ব করেন লিবিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মেজর জেনারেল এমাদ মোস্তফা আল-তরাবলুসি।এতে লিবিয়ায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহের প্রধান উপস্থিত
ছিলেন। এতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের নেতৃত্বে বাংলাদেশ দূতাবাসের একটি প্রতিনিধি দল অংশ নেয়।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিয়মিত অভিবাসীদের প্রত্যাবাসন কর্মসূচির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তিনি জানান, অক্টোবর ২০২৫ থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির আওতায় প্রাথমিকভাবে মিশর, নাইজার, নাইজেরিয়া এবং বাংলাদেশের হাজারো অভিবাসীকে নিরাপদে দেশে প্রত্যাবাসন করা হয়েছে।এই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া মানবিক নীতি, নিরাপদ পরিবহন, যথাযথ খাদ্য ও আবাসন নিশ্চিত এবং সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাসের সহযোগিতায় সম্পন্ন করা হয়েছে। এ ছাড়া অভিবাসীদের জরিমানা মওকুফ করে বহির্গমন ভিসা ইস্যু করা হয়েছে।রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ দূতাবাস
নিবন্ধিত অভিবাসীদের স্বেচ্ছায় প্রত্যাবর্তনের জন্য লিবিয়ার জাতীয় ঐকমত্যের সরকার, বিশেষ করে স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ে কাজ করছে। লিবিয়া সরকারের সহযোগিতায় অক্টোবর মাসে তিনটি ফ্লাইটের মাধ্যমে ৯২৮ জন বাংলাদেশিকে নিরাপদে দেশে প্রত্যাবাসন করা হয়েছে।এ ছাড়া ৪ ডিসেম্বর আরও ৩১০ জনকে লিবিয়া সরকারের সহযোগিতায় দেশে প্রত্যাবাসন করা হবে।তিনি বাংলাদেশের নাগরিকদের নিরাপদ ও সম্মানজনক প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে লিবিয়া সরকারের সহযোগিতার জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতেও এই সহযোগিতা অব্যাহত থাকার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত