শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :
নওগাঁ নিয়ামতপুর উপজেলার বাহাদুরপুর বরিয়া ইসলামীয়া দাখিল মাদ্রাসাতে ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারীদের নিয়োগ নিয়ে অনিয়ম এর অভিযোগ উঠেছে। এ-ঘটনায় নিয়োগ পরীক্ষার খাতা পুনঃ যাচাই এর দাবি জানিয়ে গত ২৩ জুলাই নওগাঁ জেলা শিক্ষা অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন মানিক হোসেন নামের চাকরি প্রার্থী এক যুবক। অপরদিকে দাখিলকৃত অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন ঐ মাদ্রাসার সুপারিন্টেন্ডেন্ট মোঃ আব্দুল মান্নান।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, নিয়ামতপুর উপজেলার রামগাঁ গ্রামের মোঃ আফছার আলীর প্রতিবন্ধী ছেলে মোঃ মানিক হোসেন বরিয়া ইসলামীয়া দাখিল মাদ্রাসায় পরিচ্ছন্নতা কর্মী পদে নিয়োগ এর জন্য আবেদন করেন। কিন্তু মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোঃ আবুল কালাম আজাদ ও সুপারিনটেনডেন্ট মোঃ আব্দুল মান্নান চাকরি প্রত্যাশী মানিক হোসেনকে ডেকে মোটা অংকের ঘুষ দাবি করেন। দাবিকৃত টাকা দিতে না পারায় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আবুল কালাম আজাদের নিকটতম আত্মীয় এনামুলকে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে নিয়োগ প্রদান করেন। এছাড়াও আয়া পদে খাইরুন নেছাকেও অবৈধভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগে মানিক হোসেন আরো বলেন, আমি গরীব ও প্রতিবন্ধী হওয়া সত্বেও ৮ লাখ টাকা দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু তারা আমার কাছে ১৫ লাখ টাকা দাবী করে। আমার পরীক্ষা ভালো হওয়া সত্বেও আমি তাদের দাবীকৃত টাকা দিতে অস্বীকার করায় সভাপতির চাচাতো ভাই এনামুলকে নিয়োগ দেয় ১৫ লাখ টাকার বিনিময়ে।

এব্যাপারে অভিযোগকারী চাকরি প্রার্থী মানিক হোসেন বলেন, মাদ্রাসার সভাপতি আবুল কালাম আজাদ ও সুপার আব্দুল মান্নান মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে স্বেচ্ছাচারিতা, স্বজন প্রীতি করে ঐ প্রতিষ্ঠানে পরিচ্ছন্নতা কর্মী ও আয়া পদে নিয়োগ প্রদান করেছেন। নিয়োগ প্রাপ্তদের এমপিও ভূক্ত না করে তাদের নিয়োগ বাতিল করে তার নিয়োগ পরীক্ষা খাতা পুণ:যাচাই করার দাবী জানাচ্ছি বলেও জানান তিনি।
অভিযোগটি ভিত্তিহীন দাবি করে মাদ্রাসার সুপারিন্টেন্ডেন্ট মোঃ আব্দুল মান্নান বলেন, লেনদেনে বিষয়ে আমার সাথে কারো কোনো কথা হয়নি। বিষয়টি আমি জানিনা। এ অভিযোগের কোন ভিত্তি নেই।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আবুল কালাম আজাদের মুঠোফোনে একাধিক বার কল দিয়ে যোগাযোগ করতে না পারায় তার কোন বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
অভিযোগ প্রাপ্তির সত্যতা নিশ্চিত করে নওগাঁ জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ লুৎফর রহমান বলেন, অভিযোগটি তদন্ত করে সুনির্দিষ্ঠ তথ্য প্রমান পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মাদ্রাসা সুপার ও সভাপতির বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ
মাদ্রাসা সুপার ও সভাপতির বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ
শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :নওগাঁ নিয়ামতপুর উপজেলার বাহাদুরপুর বরিয়া ইসলামীয়া দাখিল মাদ্রাসাতে ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারীদের নিয়োগ নিয়ে অনিয়ম এর অভিযোগ উঠেছে। এ-ঘটনায় নিয়োগ পরীক্ষার খাতা পুনঃ যাচাই এর দাবি জানিয়ে গত ২৩ জুলাই নওগাঁ জেলা শিক্ষা অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন মানিক হোসেন নামের চাকরি প্রার্থী এক যুবক। অপরদিকে দাখিলকৃত অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন ঐ মাদ্রাসার সুপারিন্টেন্ডেন্ট মোঃ আব্দুল মান্নান।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, নিয়ামতপুর উপজেলার রামগাঁ গ্রামের মোঃ আফছার আলীর প্রতিবন্ধী ছেলে মোঃ মানিক হোসেন বরিয়া ইসলামীয়া দাখিল মাদ্রাসায় পরিচ্ছন্নতা কর্মী পদে নিয়োগ এর জন্য আবেদন করেন। কিন্তু মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোঃ আবুল কালাম আজাদ ও সুপারিনটেনডেন্ট মোঃ আব্দুল মান্নান চাকরি প্রত্যাশী
মানিক হোসেনকে ডেকে মোটা অংকের ঘুষ দাবি করেন। দাবিকৃত টাকা দিতে না পারায় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আবুল কালাম আজাদের নিকটতম আত্মীয় এনামুলকে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে নিয়োগ প্রদান করেন। এছাড়াও আয়া পদে খাইরুন নেছাকেও অবৈধভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগে মানিক হোসেন আরো বলেন, আমি গরীব ও প্রতিবন্ধী হওয়া সত্বেও ৮ লাখ টাকা দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু তারা আমার কাছে ১৫ লাখ টাকা দাবী করে। আমার পরীক্ষা ভালো হওয়া সত্বেও আমি তাদের দাবীকৃত টাকা দিতে অস্বীকার করায় সভাপতির চাচাতো ভাই এনামুলকে নিয়োগ দেয় ১৫ লাখ টাকার বিনিময়ে।এব্যাপারে অভিযোগকারী চাকরি প্রার্থী মানিক হোসেন বলেন, মাদ্রাসার সভাপতি আবুল কালাম আজাদ ও সুপার আব্দুল মান্নান মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে স্বেচ্ছাচারিতা, স্বজন প্রীতি করে
ঐ প্রতিষ্ঠানে পরিচ্ছন্নতা কর্মী ও আয়া পদে নিয়োগ প্রদান করেছেন। নিয়োগ প্রাপ্তদের এমপিও ভূক্ত না করে তাদের নিয়োগ বাতিল করে তার নিয়োগ পরীক্ষা খাতা পুণ:যাচাই করার দাবী জানাচ্ছি বলেও জানান তিনি।অভিযোগটি ভিত্তিহীন দাবি করে মাদ্রাসার সুপারিন্টেন্ডেন্ট মোঃ আব্দুল মান্নান বলেন, লেনদেনে বিষয়ে আমার সাথে কারো কোনো কথা হয়নি। বিষয়টি আমি জানিনা। এ অভিযোগের কোন ভিত্তি নেই।অভিযোগের বিষয়ে জানতে মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আবুল কালাম আজাদের মুঠোফোনে একাধিক বার কল দিয়ে যোগাযোগ করতে না পারায় তার কোন বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।অভিযোগ প্রাপ্তির সত্যতা নিশ্চিত করে নওগাঁ জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ লুৎফর রহমান বলেন, অভিযোগটি তদন্ত করে সুনির্দিষ্ঠ তথ্য প্রমান পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত