যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর শুল্ক বাড়ানোর প্রতিবাদে জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশন এবং একতা গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশন ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস ঘেরাও এবং স্মারকলিপি দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।
আগামী বুধবার বেলা ১১টায় মার্কিন দূতাবাস ঘেরাও এবং স্মারকলিপি পেশ করা হবে৷ সেখান থেকেই পরবর্তী কর্মসূরি ঘোষণা করা হবে বলে এক বার্তায় জানানো হয়েছে।
জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি আমিরুল হক আমিন এবং একতা গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসানের সই করা বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।
বার্তায় বলা হয়, সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল ট্রাম্প এক নির্বাহী আদেশে সেদেশের বাজারে বিদেশি পণ্য প্রবেশে শুল্কহার নতুনভাবে নির্ধারণ করেছেন। এই নতুন শুল্ক নির্ধারণে তিনি বাংলাদেশের প্রতি একটি চরম বিবেচনাহীন ও অমানবিক শুল্ক নির্ধারণ করেছেন। যা বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশে নারীমুক্তি, নারী স্বাধীনতা ও নারীর অগ্রগতি স্তব্ধ করে দেবে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের ১৩টিসহ মোট ৬৩টি দেশের জন্য নতুন করে শুল্ক নির্ধারণ করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। যেখানে তুরস্ক, ব্রাজিল, মেক্সিকো ও মরক্কোর মতো পোশাক রপ্তানিকারক গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলোর জন্য শুল্ক বৃদ্ধি না করে আগের শুল্ক বহাল রাখা হয়েছে।
বার্তায় আরও বলা হয়, পৃথিবীর আরও ১৫টি দেশের ওপর মার্কিন শুল্কহার একই রাখা হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশের জন্য শুল্কহার দ্বিগুণেরও বেশি (১৫ থেকে বাড়িয়ে ৩৭ শতাংশ) বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের ৮৪ শতাংশ রপ্তানি পোশাকশিল্প থেকে। এ রপ্তানির সিংহভাগই মার্কিন বাজারে। যেখানে বাংলাদেশের পোশাকশিল্প খাতে কাজ করেন ৩৫ লাখ নারী শ্রমিক।
মার্কিন দূতাবাস ঘেরাও কর্মসূচি ঘোষণা
মার্কিন দূতাবাস ঘেরাও কর্মসূচি ঘোষণা
যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর শুল্ক বাড়ানোর প্রতিবাদে জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশন এবং একতা গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশন ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস ঘেরাও এবং স্মারকলিপি দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।আগামী বুধবার বেলা ১১টায় মার্কিন দূতাবাস ঘেরাও এবং স্মারকলিপি পেশ করা হবে৷ সেখান থেকেই পরবর্তী কর্মসূরি ঘোষণা করা হবে বলে এক বার্তায় জানানো হয়েছে।জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি আমিরুল হক আমিন এবং একতা গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসানের সই করা বার্তায়
এ তথ্য জানানো হয়।বার্তায় বলা হয়, সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল ট্রাম্প এক নির্বাহী আদেশে সেদেশের বাজারে বিদেশি পণ্য প্রবেশে শুল্কহার নতুনভাবে নির্ধারণ করেছেন। এই নতুন শুল্ক নির্ধারণে তিনি বাংলাদেশের প্রতি একটি চরম বিবেচনাহীন ও অমানবিক শুল্ক নির্ধারণ করেছেন। যা বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশে নারীমুক্তি, নারী স্বাধীনতা ও নারীর অগ্রগতি স্তব্ধ করে দেবে।ইউরোপীয় ইউনিয়নের ১৩টিসহ মোট ৬৩টি দেশের জন্য নতুন করে শুল্ক নির্ধারণ করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। যেখানে তুরস্ক, ব্রাজিল,
মেক্সিকো ও মরক্কোর মতো পোশাক রপ্তানিকারক গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলোর জন্য শুল্ক বৃদ্ধি না করে আগের শুল্ক বহাল রাখা হয়েছে।বার্তায় আরও বলা হয়, পৃথিবীর আরও ১৫টি দেশের ওপর মার্কিন শুল্কহার একই রাখা হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশের জন্য শুল্কহার দ্বিগুণেরও বেশি (১৫ থেকে বাড়িয়ে ৩৭ শতাংশ) বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের ৮৪ শতাংশ রপ্তানি পোশাকশিল্প থেকে। এ রপ্তানির সিংহভাগই মার্কিন বাজারে। যেখানে বাংলাদেশের পোশাকশিল্প খাতে কাজ করেন ৩৫ লাখ নারী শ্রমিক।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত