মার্কিন সিনেটে আজ প্রেসিডেন্টের যুদ্ধ ঘোষণার ক্ষমতা সীমিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবের ওপর ভোটাভুটি অনুষ্ঠিত হবে। স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় বিলটি নিয়ে বিতর্ক শুরু হওয়ার কথা রয়েছে এবং বিকেল ৪টায় ভোট গ্রহণ করা হবে।
প্রস্তাবটি পাস হলে প্রেসিডেন্ট প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একতরফাভাবে যুদ্ধ ঘোষণা বা সামরিক অভিযান শুরুর ক্ষমতার ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ হতে পারে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক ইরান ইস্যুকে কেন্দ্র করেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সমালোচকদের অভিযোগ, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়াই ইরানে হামলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সংবিধান অনুযায়ী যুদ্ধ ঘোষণা করার ক্ষমতা কংগ্রেসের হাতে থাকলেও, প্রেসিডেন্ট তা পাশ কাটিয়ে বড় ধরনের সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারেন কি না, তা নিয়ে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, কংগ্রেসের অনেক আইনপ্রণেতা ট্রাম্পের এই পদক্ষেপের সঙ্গে একমত নন।
এদিকে, ইরান অভিযোগ করেছে— এই সংঘাতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প মূলত ইসরায়েলকে সন্তুষ্ট করার জন্য কাজ করছেন, মার্কিন নাগরিকদের স্বার্থে নয়।
ভোটের ফলাফল যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা নীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সূত্র : রয়টার্স
মার্কিন সিনেটে প্রেসিডেন্টের যুদ্ধ ঘোষণার ক্ষমতা সীমিত করার ভোট
মার্কিন সিনেটে প্রেসিডেন্টের যুদ্ধ ঘোষণার ক্ষমতা সীমিত করার ভোট
মার্কিন সিনেটে আজ প্রেসিডেন্টের যুদ্ধ ঘোষণার ক্ষমতা সীমিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবের ওপর ভোটাভুটি অনুষ্ঠিত হবে। স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় বিলটি নিয়ে বিতর্ক শুরু হওয়ার কথা রয়েছে এবং বিকেল ৪টায় ভোট গ্রহণ করা হবে।প্রস্তাবটি পাস হলে প্রেসিডেন্ট প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একতরফাভাবে যুদ্ধ ঘোষণা বা সামরিক অভিযান শুরুর ক্ষমতার ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ
হতে পারে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক ইরান ইস্যুকে কেন্দ্র করেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।সমালোচকদের অভিযোগ, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়াই ইরানে হামলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সংবিধান অনুযায়ী যুদ্ধ ঘোষণা করার ক্ষমতা কংগ্রেসের হাতে থাকলেও, প্রেসিডেন্ট তা পাশ কাটিয়ে বড় ধরনের সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারেন কি না, তা নিয়ে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। মার্কিন
সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, কংগ্রেসের অনেক আইনপ্রণেতা ট্রাম্পের এই পদক্ষেপের সঙ্গে একমত নন।এদিকে, ইরান অভিযোগ করেছে— এই সংঘাতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প মূলত ইসরায়েলকে সন্তুষ্ট করার জন্য কাজ করছেন, মার্কিন নাগরিকদের স্বার্থে নয়।ভোটের ফলাফল যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা নীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সূত্র : রয়টার্স
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত