মুদ্রাবাজার স্বাভাবিক রাখতে রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি করেই চলেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সব মিলিয়ে চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের সাড়ে ১০ মাসে (২০২১ সালের ১ জুলাই থেকে ১৯ মে পর্যন্ত) ৫৫০ কোটি (৫ দশমিক ৫০ বিলিয়ন) ডলার বিক্রি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর বিপরীতে বাজার থেকে ৪৮ হাজার ১২৫ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ৮৭ টাকা ৫০ পয়সা) বেশি তুলে নেয়া হয়েছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে এর আগে কখনই কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে এত ডলার বাজারে ছাড়া হয়নি। এরপরও বাজারের অস্থিরতা কাটছে না। বেড়েই চলেছে যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রা ডলারের দর। দুর্বল হচ্ছে টাকা।
গত এক সপ্তাহ ধরে আন্তব্যাংক মুদ্রাবাজারে প্রতি ডলার ৮৭ টাকা ৫০ পয়সায় বিক্রি হলেও ব্যাংকগুলো এর চেয়ে ৮-১০ টাকা বেশি দরে নগদ ডলার বিক্রি করছে। এই ব্যবধান কমাতে গত বৃহস্পতিবার থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের চারটি তদন্ত দল মাঠে নেমেছে। তারা ব্যাংকগুলো পরিদর্শন করেছে। তারপরও ব্যাংকগুলো ডলারের দর কমায়নি।
ব্যাংকগুলোর ওয়েবসাইটে দেখা যায়, রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংক রোববার ৯২ টাকা ৪৫ পয়সা দরে ডলার বিক্রি করেছে। জনতা ব্যাংক করেছে ৯৩ টাকা ৯০ পয়সায়। অগ্রণী ব্যাংক বিক্রি করেছে ৯৩ টাকা ৫০ পয়সা দরে। আর বেসরকারি ইস্টার্ন ব্যাংক বিক্রি করেছে ৯৭ টাকায়। প্রইম ব্যাংক ৯৭ টাকা ৯৫ পয়সা দরে ডলার বিক্রি করেছে।
অস্থির বাজারে ১৭ মে খোলাবাজারে ডলারের দর ১০০ টাকা ছাড়িয়ে ১০৪ টাকা পর্যন্ত উঠেছিল। ১৮ মে ১০০ টাকার বেশি দরে কার্ব মাকেটে ডলার বিক্রি হয়। ১৯ মে অবশ্য ডলারের দর ১০০ টাকার নিচে নেমে এসে ৯৬ টাকা ২০ পয়সা থেকে ৯৬ টাকায় ৩০ পয়সায় বিক্রি হয়। তবে চলতি সপ্তাহের প্রথম দিন রোববারে খোলাবাজারে ডলারের দর ফের বেড়েছে; ৯৮ টাকা থেকে ৯৯ টাকায়র মধ্যে ডলার বিক্রি হয়েছে।
আমদানি অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় চাহিদা বাড়ায় বাজারে ডলারের সংকট দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংকাররা। আমদানির লাগাম টেনে ধরা ছাড়া ডলারের বাজার স্বাভাবিক হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন তারা।
ব্যাংকগুলো বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যে দামে ডলার কেনে বা বিক্রি করে, তাকে আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজার বলে। এ হিসাবে আন্তঃব্যাংক রেটের চেয়ে ৮ থেকে ১০ টাকা বেশি দামে ডলার বিক্রি করছে ব্যাংকগুলো। অথচ এই ব্যবধান বা পার্থক্য এক-দেড় টাকার বেশি হওয়ার কথা নয়।
খোলাবাজারের ওপর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কোনো হাত নেই। তবে ব্যাংকগুলো বেশি দামে ডলার বিক্রি করলে বাংলাদেশ ব্যাংক হস্তক্ষেপ করে থাকে। কেননা কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে আন্তঃব্যাংক দরে ডলার কিনে সেই ডলার বিক্রি করে থাকে ব্যাংকগুলো। এর আগে দেখা গেছে, ব্যাংকগুলোর বিক্রি করা ডলারের দর আর আন্তঃব্যাংক বা ব্যাংক রেটের মধ্যে বেশি ব্যবধান হলে বাংলাদেশ ব্যাংক সেই পার্থক্যের একটা সীমা নির্ধারণ করে দিত; সেটা এক থেকে দুই টাকার মধ্যে থাকত। কিন্তু গত কয়েক মাস ধরে ব্যাংকগুলো আন্তঃব্যাংক রেটের চেয়ে অনেক বেশি দামে ডলার বিক্রি করলেও এতোদিন কোনো হস্তক্ষেপ করেনি কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
মাসে ডলার বিক্রি ৫৫০ কোটি ডলার
মাসে ডলার বিক্রি ৫৫০ কোটি ডলার
মুদ্রাবাজার স্বাভাবিক রাখতে রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি করেই চলেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সব মিলিয়ে চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের সাড়ে ১০ মাসে (২০২১ সালের ১ জুলাই থেকে ১৯ মে পর্যন্ত) ৫৫০ কোটি (৫ দশমিক ৫০ বিলিয়ন) ডলার বিক্রি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর বিপরীতে বাজার থেকে ৪৮ হাজার ১২৫ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ৮৭ টাকা ৫০ পয়সা) বেশি তুলে নেয়া হয়েছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে এর আগে কখনই কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে এত ডলার বাজারে ছাড়া হয়নি। এরপরও বাজারের অস্থিরতা কাটছে না। বেড়েই চলেছে যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রা ডলারের দর। দুর্বল হচ্ছে টাকা।গত এক সপ্তাহ ধরে আন্তব্যাংক মুদ্রাবাজারে প্রতি ডলার ৮৭ টাকা ৫০ পয়সায় বিক্রি হলেও ব্যাংকগুলো এর চেয়ে ৮-১০ টাকা বেশি দরে নগদ ডলার বিক্রি করছে। এই ব্যবধান কমাতে গত বৃহস্পতিবার থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের চারটি তদন্ত দল মাঠে নেমেছে। তারা ব্যাংকগুলো পরিদর্শন করেছে। তারপরও ব্যাংকগুলো ডলারের দর কমায়নি।ব্যাংকগুলোর ওয়েবসাইটে দেখা যায়, রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংক
রোববার ৯২ টাকা ৪৫ পয়সা দরে ডলার বিক্রি করেছে। জনতা ব্যাংক করেছে ৯৩ টাকা ৯০ পয়সায়। অগ্রণী ব্যাংক বিক্রি করেছে ৯৩ টাকা ৫০ পয়সা দরে। আর বেসরকারি ইস্টার্ন ব্যাংক বিক্রি করেছে ৯৭ টাকায়। প্রইম ব্যাংক ৯৭ টাকা ৯৫ পয়সা দরে ডলার বিক্রি করেছে।অস্থির বাজারে ১৭ মে খোলাবাজারে ডলারের দর ১০০ টাকা ছাড়িয়ে ১০৪ টাকা পর্যন্ত উঠেছিল। ১৮ মে ১০০ টাকার বেশি দরে কার্ব মাকেটে ডলার বিক্রি হয়। ১৯ মে অবশ্য ডলারের দর ১০০ টাকার নিচে নেমে এসে ৯৬ টাকা ২০ পয়সা থেকে ৯৬ টাকায় ৩০ পয়সায় বিক্রি হয়। তবে চলতি সপ্তাহের প্রথম দিন রোববারে খোলাবাজারে ডলারের দর ফের বেড়েছে; ৯৮ টাকা থেকে ৯৯ টাকায়র মধ্যে ডলার বিক্রি হয়েছে।আমদানি অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় চাহিদা বাড়ায় বাজারে ডলারের সংকট দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংকাররা। আমদানির লাগাম টেনে ধরা ছাড়া ডলারের বাজার স্বাভাবিক হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে
দিয়েছেন তারা।ব্যাংকগুলো বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যে দামে ডলার কেনে বা বিক্রি করে, তাকে আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজার বলে। এ হিসাবে আন্তঃব্যাংক রেটের চেয়ে ৮ থেকে ১০ টাকা বেশি দামে ডলার বিক্রি করছে ব্যাংকগুলো। অথচ এই ব্যবধান বা পার্থক্য এক-দেড় টাকার বেশি হওয়ার কথা নয়।খোলাবাজারের ওপর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কোনো হাত নেই। তবে ব্যাংকগুলো বেশি দামে ডলার বিক্রি করলে বাংলাদেশ ব্যাংক হস্তক্ষেপ করে থাকে। কেননা কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে আন্তঃব্যাংক দরে ডলার কিনে সেই ডলার বিক্রি করে থাকে ব্যাংকগুলো। এর আগে দেখা গেছে, ব্যাংকগুলোর বিক্রি করা ডলারের দর আর আন্তঃব্যাংক বা ব্যাংক রেটের মধ্যে বেশি ব্যবধান হলে বাংলাদেশ ব্যাংক সেই পার্থক্যের একটা সীমা নির্ধারণ করে দিত; সেটা এক থেকে দুই টাকার মধ্যে থাকত। কিন্তু গত কয়েক মাস ধরে ব্যাংকগুলো আন্তঃব্যাংক রেটের চেয়ে অনেক বেশি দামে ডলার বিক্রি করলেও এতোদিন কোনো হস্তক্ষেপ করেনি কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত