আন্তর্জাতিক ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের হাউয়াই রাজ্যের মাউইয়ে নতুন করে আবারও জ্বলে উঠেছে দাবানলের আগুন। সঙ্গে সেখানে বেড়েছে মৃতের সংখ্যাও। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দাবানলের আগুনে পুড়ে মৃত্যু হয়েছে ৮০ জন মানুষের।
মাউইয়ে শুক্রবার (১১ আগস্ট) রাতে আবারও নতুন করে আগুন জ্বলার পর সাধারণ মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়।
স্থানীয় পুলিশ বিভাগ জানিয়েছে, নতুন আগুনে মাউইয়ের পূর্বাঞ্চলের কানাপালির অঞ্চল পুড়ছিল। এর আগে এ সপ্তাহের শুরুতে এই অঞ্চলটির উত্তর-পূর্বাঞ্চল আগুনে ভষ্মীভূত হয়ে যায়। তবে সাধারণ মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে পুলিশ কিছু জানায়নি।
এমন সময় নতুন করে আবারও দাবানল সক্রিয় হলো যখন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ তদন্ত করছে— কীভাবে এই আগুনের সূত্রপাত হলো এবং কীভাবে কোনো আগাম সতর্কতা ছাড়াই ঐতিহাসিক শহর লাহাইনায় এত দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ল।
হাওয়াইয়ের ইতিহাসে এটিই সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ঘটনা। ১৯৬০ সালে শক্তিশালী সুনামিতে রাজ্যটিতে ৬১ জন মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার এক বছর পরই ওই সুনামির কবলে পড়েছিল হাওয়াই।
উদ্ধারকারীরা সতর্কতা দিয়েছেন, ধ্বংসস্তূপের ভেতর আরও মরদেহ পাওয়া যেতে পারে।
এদিকে ভয়াবহ দাবানলের আগুনে এক হাজারের বেশি বাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে করে বাস্তুহারা হয়ে গেছেন হাজার হাজার মানুষ। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এতই বেশি যে— এটি কাটিয়ে ওঠতে কয়েক বছর এবং কয়েক বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটর সংবাদমাধ্যম এমএসএনবিসিকে শুক্রবার বলেছেন, ‘যেসব অবকাঠামো পুড়ে গেছে সেগুলোর ভেতর কেউ প্রবেশ করেনি। আর এ কারণে দুর্ভাগ্যবশত আমরা আশঙ্কা করছি মৃতের সংখ্যা অনেক বাড়তে পারে।’
সংবাদমাধ্যম সিএনএনের সঙ্গে অপর এক সাক্ষাৎকারে এ সিনেটর বলেছেন, লাহাইনা শহর দেখলে মনে হবে এখানে বোমা হামলা হয়েছে। যেটির তাপে সবকিছু গলে গেছে।’
এদিকে লাহাইনা শহরের কয়েকজন বাসিন্দা জানিয়েছেন, তারা দাবানলের ব্যাপারে কোনো আগাম সতর্কতাই পাননি। শহরের মধ্যে কয়েক মিনিটের মধ্যে আগুন চলে আসে। ফলে জীবন বাঁচাতে অনেকে প্রশান্ত মহাসাগরের পানিতে ঝাঁপ দেন।
মাউইয়ে নতুন দাবানল, বাড়ছে মৃতের সংখ্যা
মাউইয়ে নতুন দাবানল, বাড়ছে মৃতের সংখ্যা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের হাউয়াই রাজ্যের মাউইয়ে নতুন করে আবারও জ্বলে উঠেছে দাবানলের আগুন। সঙ্গে সেখানে বেড়েছে মৃতের সংখ্যাও। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দাবানলের আগুনে পুড়ে মৃত্যু হয়েছে ৮০ জন মানুষের।মাউইয়ে শুক্রবার (১১ আগস্ট) রাতে আবারও নতুন করে আগুন জ্বলার পর সাধারণ মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়।স্থানীয় পুলিশ বিভাগ জানিয়েছে, নতুন আগুনে মাউইয়ের পূর্বাঞ্চলের কানাপালির অঞ্চল পুড়ছিল। এর আগে এ সপ্তাহের শুরুতে এই অঞ্চলটির উত্তর-পূর্বাঞ্চল আগুনে ভষ্মীভূত হয়ে যায়। তবে সাধারণ মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে পুলিশ কিছু জানায়নি।এমন সময় নতুন করে আবারও দাবানল সক্রিয় হলো যখন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ তদন্ত
করছে— কীভাবে এই আগুনের সূত্রপাত হলো এবং কীভাবে কোনো আগাম সতর্কতা ছাড়াই ঐতিহাসিক শহর লাহাইনায় এত দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ল।হাওয়াইয়ের ইতিহাসে এটিই সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ঘটনা। ১৯৬০ সালে শক্তিশালী সুনামিতে রাজ্যটিতে ৬১ জন মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার এক বছর পরই ওই সুনামির কবলে পড়েছিল হাওয়াই।উদ্ধারকারীরা সতর্কতা দিয়েছেন, ধ্বংসস্তূপের ভেতর আরও মরদেহ পাওয়া যেতে পারে।এদিকে ভয়াবহ দাবানলের আগুনে এক হাজারের বেশি বাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে করে বাস্তুহারা হয়ে গেছেন হাজার হাজার মানুষ। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এতই বেশি যে— এটি কাটিয়ে ওঠতে কয়েক বছর
এবং কয়েক বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হবে।যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটর সংবাদমাধ্যম এমএসএনবিসিকে শুক্রবার বলেছেন, ‘যেসব অবকাঠামো পুড়ে গেছে সেগুলোর ভেতর কেউ প্রবেশ করেনি। আর এ কারণে দুর্ভাগ্যবশত আমরা আশঙ্কা করছি মৃতের সংখ্যা অনেক বাড়তে পারে।’সংবাদমাধ্যম সিএনএনের সঙ্গে অপর এক সাক্ষাৎকারে এ সিনেটর বলেছেন, লাহাইনা শহর দেখলে মনে হবে এখানে বোমা হামলা হয়েছে। যেটির তাপে সবকিছু গলে গেছে।’এদিকে লাহাইনা শহরের কয়েকজন বাসিন্দা জানিয়েছেন, তারা দাবানলের ব্যাপারে কোনো আগাম সতর্কতাই পাননি। শহরের মধ্যে কয়েক মিনিটের মধ্যে আগুন চলে আসে। ফলে জীবন বাঁচাতে অনেকে প্রশান্ত মহাসাগরের পানিতে ঝাঁপ দেন।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত