মাভাবিপ্রবি প্রতিনিধি :
টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (মাভাবিপ্রবি) এর বিদ্যূৎ (এক্সপ্রেসওয়ে) লাইন থেকে ক্যাম্পাসের বাইরে নিজের বাড়িতে আলাদা তার দিয়ে বিদ্যূৎ সংযোগ নিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল অফিসের সহকারী টেকনিক্যাল অফিসার (ইলেকট্রিক) মো. আব্দুর রহমান।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম গেইট সংলগ্ন পাওয়ার হাউস থেকে এই বিদ্যুত তিনি অবৈধভাবে ব্যবহার করে আসছিলেন।
আজ (সোমবার) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর, এস্টেট শাখার অফিস প্রধান, শিক্ষার্থী কল্যান ও পরামর্শদান কেন্দ্রের পরিচালক , জনসংযোগ ও প্রেস প্রকাশনা দপ্তরের পরিচালক ঘটনাস্থলে যান এবং এই ঘটনার প্রমান পান।
বিদ্যূৎ চুরির ঘটনা জানতে চাইলে এস্টেট শাখার অফিস প্রধান ড. মো. মুছা মিয়া বিডিটুডেসকে জানান, প্রাথমিকভাবে প্রমানসহ তার স্বীকারোক্তি পেয়েছি। অধিকতর তদন্তের জন্য ব্যবস্থা গ্রহন চলছে।
এই ব্যাপারে জানতে চাইলে প্রকৌশল অফিসের সহকারী টেকনিক্যাল অফিসার (ইলেকট্রিক) মো. আব্দুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি সংবাদপত্রের পরিচয় পেয়ে কথা বোঝ যাচ্ছেনা বলে কেটে দেন। পরবর্তীতে তিনি আর কোন কল রিসিভ করেননি।
উল্লেখ্য যে, দীর্ঘদিন তিনি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যুত লাইন ব্যবহার করছিলেন, ফলে গ্রামে বিদ্যুতের লোডশেডিং হলেও তার বাসায় বিদ্যুৎ থাকতো।
মাভাবিপ্রবিতে বিদ্যুত চুরির নেপথ্যে কে !!
মাভাবিপ্রবিতে বিদ্যুত চুরির নেপথ্যে কে !!
মাভাবিপ্রবি প্রতিনিধি :টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (মাভাবিপ্রবি) এর বিদ্যূৎ (এক্সপ্রেসওয়ে) লাইন থেকে ক্যাম্পাসের বাইরে নিজের বাড়িতে আলাদা তার দিয়ে বিদ্যূৎ সংযোগ নিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল অফিসের সহকারী টেকনিক্যাল অফিসার (ইলেকট্রিক) মো. আব্দুর রহমান। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম গেইট সংলগ্ন পাওয়ার হাউস থেকে এই বিদ্যুত তিনি অবৈধভাবে ব্যবহার করে আসছিলেন। আজ (সোমবার) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর,
এস্টেট শাখার অফিস প্রধান, শিক্ষার্থী কল্যান ও পরামর্শদান কেন্দ্রের পরিচালক , জনসংযোগ ও প্রেস প্রকাশনা দপ্তরের পরিচালক ঘটনাস্থলে যান এবং এই ঘটনার প্রমান পান। বিদ্যূৎ চুরির ঘটনা জানতে চাইলে এস্টেট শাখার অফিস প্রধান ড. মো. মুছা মিয়া বিডিটুডেসকে জানান, প্রাথমিকভাবে প্রমানসহ তার স্বীকারোক্তি পেয়েছি। অধিকতর তদন্তের জন্য ব্যবস্থা গ্রহন চলছে।এই ব্যাপারে জানতে
চাইলে প্রকৌশল অফিসের সহকারী টেকনিক্যাল অফিসার (ইলেকট্রিক) মো. আব্দুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি সংবাদপত্রের পরিচয় পেয়ে কথা বোঝ যাচ্ছেনা বলে কেটে দেন। পরবর্তীতে তিনি আর কোন কল রিসিভ করেননি। উল্লেখ্য যে, দীর্ঘদিন তিনি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যুত লাইন ব্যবহার করছিলেন, ফলে গ্রামে বিদ্যুতের লোডশেডিং হলেও তার বাসায় বিদ্যুৎ থাকতো।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত