শনিবার, ৬ জুন ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
দেশের খবর মাভাবিপ্রবিতে মওলানা ভাসানীর জন্মবার্ষিকী পালন

মাভাবিপ্রবিতে মওলানা ভাসানীর জন্মবার্ষিকী পালন


মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ১৪৫ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে টাঙ্গাইলে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে  দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। ১৮৮০ সালের ১২ ডিসেম্বর সিরাজগঞ্জের ধানগড়া পল্লীতে জন্ম নেওয়া এই মহান নেতা কৃষক-শ্রমিকের অধিকার, বৈষম্যমুক্ত সমাজ ও শোষণমুক্ত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে সারাজীবন লড়াই করে গেছেন। শৈশবে ‘চেগা মিয়া’ নামে পরিচিত ভাসানী তাঁর অদম্য ব্যক্তিত্ব ও মানবিক রাজনীতির জন্য আজও স্মরণীয়।

‎শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় টাঙ্গাইলের সন্তোষে মওলানা ভাসানীর মাজারে ফুলেল শ্রদ্ধা জানিয়ে দিবসের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে প্রথমে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন মাভাবিপ্রবির প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. ইমাম হোসেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মতিউর রহমান, লাইফ সায়েন্স অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. আবু জুবাইর, রেজিস্ট্রার (দায়িত্বপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. সাজ্জাদ ওয়াহিদ, বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এ. কে. এম. মহিউদ্দিনসহ বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।

‎পরিবারের পক্ষ থেকে নাতি হাসরত খান ভাসানী ও আজাদ খান ভাসানী পৃথকভাবে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পাশাপাশি বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ–ভাসানী), ভাসানী পরিষদ এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও স্থানীয় বিভিন্ন সংগঠন মাজারে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানায়। কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকালে র‌্যালি বের করা হয় এবং ভাসানীর হাতে প্রতিষ্ঠিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ সংরক্ষণ ও একটি ভাসানী চত্বর নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

‎দিবসটি উপলক্ষে বাদ জুমা দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। বক্তারা বলেন, শোষণমুক্ত, বৈষম্যহীন ও মানবিক রাষ্ট্র গঠনে মওলানা ভাসানীর আদর্শ আজও প্রাসঙ্গিক। তাঁর পরিবার, মুরিদান ও অনুসারীরা আগামী প্রজন্মের কাছে ভাসানীর সংগ্রামী জীবন ও দর্শন তুলে ধরতে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ বাড়ানোর আহ্বান জানান।

খুঁজুন