এম.পলাশ শরীফ, নিজস্ব প্রতিবেদক :
সাগরে মা ইলিশ ধরা বন্ধের ৭ অক্টোবর থেকে ২৮ অক্টোবর নিশেধাজ্ঞার ২২ দিন পার করে শুক্রবার মধ্য রাত থেকেই সাগরে গেছে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে ৩ হাজার জেলে। সরকারিভাবে বরাদ্দকৃত বিশেষ ভিজিএফ’র ৪ হাজার ৩৩৪ জন জেলে পরিবার জনপ্রতি ২৫ কেজি করে চাল বিতরণ আনুষ্ঠানিক শুরু হয়েছে।
বলইবুনিয়া ৩১৫, বহরবুনিয়া ২২৫ ও বনগ্রাম ইউনিয়নে ১৬৫ জন জেলে পরিবারের মাঝে এ চাল বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের মেরিন ফিসারিজ অফিসার আব্দুল্লাহ আল মেদাচ্ছের, ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শাহজাহান আলী খান, চেয়ারম্যান রিপন চন্দ্র দাস, ইউপি সদস্য মো. জাহাঙ্গীর শেখ, এসকেন খান, উপজেলা মৎস্যজীবী সমিতির সভাপতি মো. এসএম আলী খান, প্রমুখ।
এদিকে সাগরে নির্ভরশীল জেলেরা সকাল থেকে উপজেলার বলইবুনিয়া ইউনিয়নের শ্রেনীখালী, দোনা, বলইবুনিয়া, পঞ্চকরণের পঞ্চকরণ, বারইখালীর কাস্মির, তুলাতলা, খাউলিয়ার কুমারখালী, আমতলী, মধ্য বরিশাল, পশুরবুনিয়া, চিংড়াখালীর পূর্ব-চন্ডিপুর পশুরিপাড়া, চন্ডিপুর, বারইখালীর উত্তর বারইখালী, কাষ্মির, হোগলাবুনিয়ার বদনী ভাঙ্গা, পাঠামারা, সদর ইউনিয়নের গাবতলা, কাঠালতলা ও পুটিখালী ইউনিয়নের সোনাখালী গ্রামের প্রায় এক হাজার ট্রলার-নৌকা শত শত শ্রমীক নিয়ে সাগরে যাওয়ার প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন।
প্রতিটি ট্রলার ও নৌকায় ৫ মাসের খাবার চাল, ডাল, তৈল, লবণ, রান্না করার শুকনা কাঠসহ বিভিন্ন সামগ্রী নৌকায় তুলতে দেখা গেছে জেলেদের। মধ্য রাতের অপেক্ষায় রয়েছে সকলে। দীর্ঘ ২২দিন অবকাশ কালিন সময় পার করে কর্মময় জীবনে ফিরছেন এসব জেলেরা। চোঁখে মুখে আনন্দের ছাপ।
কথা হয় সোনাখালী গ্রামের জুয়েল হাওলাদার, মো. নাইম খান, সবুর হাওদার, সিদ্দিকুর রহমান গাজী, আব্দুল হাই খান, উত্তর ফুলহাতা গ্রামের এশারাত তালুকদার, পঞ্চকনের হায়াত বাদশা, দেলোয়ার মাল, শাহিন হাওলাদারসহ একাধিক জেলেরা বলেন, মাছ ধরার মৌসুম শুরু, সাগরে যাওয়ার আনন্দটাই আলাদা। ৫ মাস পার করতে হবে গভীর সাগরে। জালে মাছ বেশী ধরা পড়লে দাদন কেটে বছর পার হবে। মাছ কম হলে দেনা হতে হবে আরও বেশী। মহাজনদের কাছ থেকে দাদন নিয়ে অগ্রীম টাকা দিয়ে বেতনে শ্রমীকদের নিতে হচ্ছে। প্রতিটি ট্রলার ও নৌকায় ১০/১২ জন শ্রমীক রয়েছে। তাদের সাথে এদের মাসিক বেতন ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা।
জেলেদের দাবি সরকারিভাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খাদ্য সহায়তার পাশাপাশি বিনা সুদে ব্যাংকের মাধ্যমে লোন দেওয়া হলে দাদন ব্যবসায়ীদের হাত থেকে রক্ষা পাবেন তারা। বছরের পর বছর আর দেনা গ্রস্ত হতে হবে না।
এ সর্ম্পকে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা বিনয় কুমার রায় বলেন, এ উপজেলার সাগর নির্ভরশীল প্রায় ৩ হাজার জেলে নিশেধাজ্ঞার ২২ দিন পর আজ মধ্যে রাত থেকে সাগরে যাত্রা শুরু করছেন। ইতোমধ্যে সরকারিভাবে তাদের বরাদ্দকৃত বিশেষ ভিজিএফ’র ২৫ কেজি করে চাল জেলেদের মাঝে বিতরণ শুরু করা হয়েছে।
মধ্যে রাতে ৩ হাজার জেলে গেছে সাগরে
মধ্যে রাতে ৩ হাজার জেলে গেছে সাগরে
এম.পলাশ শরীফ, নিজস্ব প্রতিবেদক : সাগরে মা ইলিশ ধরা বন্ধের ৭ অক্টোবর থেকে ২৮ অক্টোবর নিশেধাজ্ঞার ২২ দিন পার করে শুক্রবার মধ্য রাত থেকেই সাগরে গেছে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে ৩ হাজার জেলে। সরকারিভাবে বরাদ্দকৃত বিশেষ ভিজিএফ’র ৪ হাজার ৩৩৪ জন জেলে পরিবার জনপ্রতি ২৫ কেজি করে চাল বিতরণ আনুষ্ঠানিক শুরু হয়েছে। বলইবুনিয়া ৩১৫, বহরবুনিয়া ২২৫ ও বনগ্রাম ইউনিয়নে ১৬৫ জন জেলে পরিবারের মাঝে এ চাল বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের মেরিন ফিসারিজ অফিসার আব্দুল্লাহ আল মেদাচ্ছের, ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শাহজাহান আলী খান, চেয়ারম্যান রিপন চন্দ্র দাস, ইউপি সদস্য মো. জাহাঙ্গীর শেখ, এসকেন খান, উপজেলা মৎস্যজীবী সমিতির সভাপতি মো. এসএম আলী খান, প্রমুখ। এদিকে সাগরে নির্ভরশীল জেলেরা সকাল থেকে উপজেলার বলইবুনিয়া ইউনিয়নের শ্রেনীখালী, দোনা, বলইবুনিয়া, পঞ্চকরণের পঞ্চকরণ, বারইখালীর কাস্মির, তুলাতলা, খাউলিয়ার কুমারখালী, আমতলী, মধ্য বরিশাল, পশুরবুনিয়া, চিংড়াখালীর পূর্ব-চন্ডিপুর
পশুরিপাড়া, চন্ডিপুর, বারইখালীর উত্তর বারইখালী, কাষ্মির, হোগলাবুনিয়ার বদনী ভাঙ্গা, পাঠামারা, সদর ইউনিয়নের গাবতলা, কাঠালতলা ও পুটিখালী ইউনিয়নের সোনাখালী গ্রামের প্রায় এক হাজার ট্রলার-নৌকা শত শত শ্রমীক নিয়ে সাগরে যাওয়ার প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন। প্রতিটি ট্রলার ও নৌকায় ৫ মাসের খাবার চাল, ডাল, তৈল, লবণ, রান্না করার শুকনা কাঠসহ বিভিন্ন সামগ্রী নৌকায় তুলতে দেখা গেছে জেলেদের। মধ্য রাতের অপেক্ষায় রয়েছে সকলে। দীর্ঘ ২২দিন অবকাশ কালিন সময় পার করে কর্মময় জীবনে ফিরছেন এসব জেলেরা। চোঁখে মুখে আনন্দের ছাপ। কথা হয় সোনাখালী গ্রামের জুয়েল হাওলাদার, মো. নাইম খান, সবুর হাওদার, সিদ্দিকুর রহমান গাজী, আব্দুল হাই খান, উত্তর ফুলহাতা গ্রামের এশারাত তালুকদার, পঞ্চকনের হায়াত বাদশা, দেলোয়ার মাল, শাহিন হাওলাদারসহ একাধিক জেলেরা বলেন, মাছ ধরার মৌসুম শুরু, সাগরে যাওয়ার আনন্দটাই আলাদা। ৫ মাস পার করতে হবে গভীর সাগরে। জালে মাছ বেশী ধরা পড়লে দাদন
কেটে বছর পার হবে। মাছ কম হলে দেনা হতে হবে আরও বেশী। মহাজনদের কাছ থেকে দাদন নিয়ে অগ্রীম টাকা দিয়ে বেতনে শ্রমীকদের নিতে হচ্ছে। প্রতিটি ট্রলার ও নৌকায় ১০/১২ জন শ্রমীক রয়েছে। তাদের সাথে এদের মাসিক বেতন ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা। জেলেদের দাবি সরকারিভাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খাদ্য সহায়তার পাশাপাশি বিনা সুদে ব্যাংকের মাধ্যমে লোন দেওয়া হলে দাদন ব্যবসায়ীদের হাত থেকে রক্ষা পাবেন তারা। বছরের পর বছর আর দেনা গ্রস্ত হতে হবে না।এ সর্ম্পকে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা বিনয় কুমার রায় বলেন, এ উপজেলার সাগর নির্ভরশীল প্রায় ৩ হাজার জেলে নিশেধাজ্ঞার ২২ দিন পর আজ মধ্যে রাত থেকে সাগরে যাত্রা শুরু করছেন। ইতোমধ্যে সরকারিভাবে তাদের বরাদ্দকৃত বিশেষ ভিজিএফ’র ২৫ কেজি করে চাল জেলেদের মাঝে বিতরণ শুরু করা হয়েছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত