এপ্রিল মাসে সারাদেশে স্বাভাবিক অপেক্ষা ৭৫ দশমিক ৭ শতাংশ বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে। চলতি মে মাসে দেশে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এ মাসে এক থেকে দুইটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার মধ্যে একটি নিম্নচাপ বা ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। এক থেকে তিনটি মৃদু অথবা মাঝারি তাপপ্রবাহ, যার মধ্যে একটি তীব্র তাপপ্রবাহের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মে মাসে দেশে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। বঙ্গোপসাগরে এক থেকে দুইটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার মধ্যে একটি নিম্নচাপ অথবা ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, এ মাসে দেশে বিক্ষিপ্তভাবে শিলাসহ ৫-৮ দিন হালকা অথবা মাঝারি, যার মধ্যে দুই থেকে তিন দিন তীব্র কালবৈশাখি ঝড়সহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।
মে মাসে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকতে পারে। মে মাসে দেশে এক থেকে তিনটি মৃদু (৩৬ থেকে ৩৭.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস) অথবা মাঝারি, (৩৮ থেকে ৩৯.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস) যার মধ্যে একটি তীব্র (৪০-৪১.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস) তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।
দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, মে মাসে দেশের প্রধান নদ-নদীসমূহে স্বাভাবিক প্রবাহ বিরাজমান থাকতে পারে। তবে বিচ্ছিন্ন ভারি বৃষ্টিপাতের প্রেক্ষিতে দেশের উত্তরাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের নদীসমূহের পানি সমতল সময় বিশেষে বৃদ্ধি পেতে পারে।
এ মাসে দেশের দৈনিক গড় বাষ্পীভবন ৩ দশমিক ৫ থেকে ৫ দশমিক ৫ মিলিমিটার এবং গড় সূর্য কিরণকাল ৫ দশমিক ৫ থেকে ৭ দশমিক ৫ ঘণ্টা থাকতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত এপ্রিল মাসে দেশে গড় স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত ১১৯ মিলিমিটার হলেও বৃষ্টি হয়েছে ১৯৬ মিলিমিটার। এ মাসে গড়ে ৮ দিন বৃষ্টি হওয়ার কথা থাকলেও হয়েছে ১১ দিন।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এপ্রিলে সিলেটে স্বাভাবিক গড় বৃষ্টিপাত ২৯৫ মিলিমিটার হলেও হয়েছে ৬০৩ মিলিমিটার—যা স্বাভাবিকের তুলনায় ১০৪ দশমিক ৪ শতাংশ বেশি। একই সময়ে সিলেটে গড়ে ১৩ দিন বৃষ্টি হওয়ার কথা থাকলেও হয়েছে ২৩ দিন।
ঢাকায় গড় বৃষ্টিপাত ১১৯ মিলিমিটার হলেও হয়েছে ২১৩ মিলিমিটার, যা স্বাভাবিকের তুলনায় ৭৯ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি।
চট্টগ্রামে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত ১২০ মিলিমিটার হলেও বৃষ্টি হয়েছে ১৬৪ মিলিমিটার। স্বাভাবিকের তুলনায় ৩৬ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি।
রংপুরে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত ১০৯ মিলিমিটার হলেও হয়েছে ২০৫ মিলিমিটার, যা স্বাভাবিকের তুলনায় ৮৭ দশমিক ১ শতাংশ বেশি।
এছাড়া খুলনায় স্বাভাবিকের চেয়ে ৬৯ দশমিক ৩ শতাংশ, বরিশালে ১৬৯ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে।
গত ২৮ এপ্রিল কিশোরগঞ্জের নিকলিতে সর্বোচ্চ ১৬০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করে আবহাওয়া অধিদপ্তর। অন্যদিকে, রাজশাহীতে স্বাভাবিকের তুলনায় শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ বৃষ্টি কম হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেছা বলেন, এপ্রিলে বৃষ্টির ধরন ছিল অস্বাভাবিক। সাধারণত বছরের এই সময় উপস্ট্রিমে (ভারতের দিকে) বৃষ্টিপাত বেশি হয়ে থাকে। কিন্তু এ বছর ডাউনস্ট্রিমে মানে বাংলাদেশে প্রায় দ্বিগুণ বৃষ্টিপাত হয়েছে।
মে মাসে ঘূর্ণিঝড়, তীব্র তাপপ্রবাহের পূর্বাভাস
মে মাসে ঘূর্ণিঝড়, তীব্র তাপপ্রবাহের পূর্বাভাস
এপ্রিল মাসে সারাদেশে স্বাভাবিক অপেক্ষা ৭৫ দশমিক ৭ শতাংশ বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে। চলতি মে মাসে দেশে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এ মাসে এক থেকে দুইটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার মধ্যে একটি নিম্নচাপ বা ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। এক থেকে তিনটি মৃদু অথবা মাঝারি তাপপ্রবাহ, যার মধ্যে একটি তীব্র তাপপ্রবাহের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মে মাসে দেশে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। বঙ্গোপসাগরে এক থেকে দুইটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার মধ্যে একটি নিম্নচাপ অথবা ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে।আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, এ মাসে দেশে বিক্ষিপ্তভাবে শিলাসহ ৫-৮ দিন হালকা অথবা মাঝারি, যার মধ্যে দুই থেকে তিন দিন তীব্র কালবৈশাখি ঝড়সহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।মে মাসে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকতে পারে। মে মাসে দেশে এক থেকে তিনটি মৃদু (৩৬ থেকে ৩৭.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস) অথবা মাঝারি,
(৩৮ থেকে ৩৯.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস) যার মধ্যে একটি তীব্র (৪০-৪১.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস) তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, মে মাসে দেশের প্রধান নদ-নদীসমূহে স্বাভাবিক প্রবাহ বিরাজমান থাকতে পারে। তবে বিচ্ছিন্ন ভারি বৃষ্টিপাতের প্রেক্ষিতে দেশের উত্তরাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের নদীসমূহের পানি সমতল সময় বিশেষে বৃদ্ধি পেতে পারে।এ মাসে দেশের দৈনিক গড় বাষ্পীভবন ৩ দশমিক ৫ থেকে ৫ দশমিক ৫ মিলিমিটার এবং গড় সূর্য কিরণকাল ৫ দশমিক ৫ থেকে ৭ দশমিক ৫ ঘণ্টা থাকতে পারে।আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত এপ্রিল মাসে দেশে গড় স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত ১১৯ মিলিমিটার হলেও বৃষ্টি হয়েছে ১৯৬ মিলিমিটার। এ মাসে গড়ে ৮ দিন বৃষ্টি হওয়ার কথা থাকলেও হয়েছে ১১ দিন।আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এপ্রিলে সিলেটে স্বাভাবিক গড় বৃষ্টিপাত ২৯৫ মিলিমিটার হলেও হয়েছে ৬০৩ মিলিমিটার—যা স্বাভাবিকের তুলনায় ১০৪ দশমিক ৪ শতাংশ বেশি। একই সময়ে সিলেটে গড়ে ১৩ দিন
বৃষ্টি হওয়ার কথা থাকলেও হয়েছে ২৩ দিন।ঢাকায় গড় বৃষ্টিপাত ১১৯ মিলিমিটার হলেও হয়েছে ২১৩ মিলিমিটার, যা স্বাভাবিকের তুলনায় ৭৯ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি।চট্টগ্রামে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত ১২০ মিলিমিটার হলেও বৃষ্টি হয়েছে ১৬৪ মিলিমিটার। স্বাভাবিকের তুলনায় ৩৬ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি।রংপুরে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত ১০৯ মিলিমিটার হলেও হয়েছে ২০৫ মিলিমিটার, যা স্বাভাবিকের তুলনায় ৮৭ দশমিক ১ শতাংশ বেশি।এছাড়া খুলনায় স্বাভাবিকের চেয়ে ৬৯ দশমিক ৩ শতাংশ, বরিশালে ১৬৯ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে।গত ২৮ এপ্রিল কিশোরগঞ্জের নিকলিতে সর্বোচ্চ ১৬০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করে আবহাওয়া অধিদপ্তর। অন্যদিকে, রাজশাহীতে স্বাভাবিকের তুলনায় শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ বৃষ্টি কম হয়েছে।আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেছা বলেন, এপ্রিলে বৃষ্টির ধরন ছিল অস্বাভাবিক। সাধারণত বছরের এই সময় উপস্ট্রিমে (ভারতের দিকে) বৃষ্টিপাত বেশি হয়ে থাকে। কিন্তু এ বছর ডাউনস্ট্রিমে মানে বাংলাদেশে প্রায় দ্বিগুণ বৃষ্টিপাত হয়েছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত