চাঁদপুরে মেঘনা নদীতে ঘন কুয়াশার কবলে পড়ে দুই লঞ্চের ভয়াবহ সংঘর্ষে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ৮ জন যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত অর্ধশতাধিক যাত্রী।
বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে চাঁদপুর সদর উপজেলার হরিণা ফেরিঘাট সংলগ্ন এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
শুক্রবার সকালে নৌ-পুলিশ চাঁদপুর অঞ্চলের এসপি সৈয়দ মুশফিকুর রহমান হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও নৌ-পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ঘোষেরহাট থেকে যাত্রী নিয়ে ঢাকা অভিমুখে আসছিল এম.ভি জাকির সম্রাট-৩। একই সময়ে ঢাকা থেকে বরিশাল অভিমুখে যাচ্ছিল এম.ভি অ্যাডভেঞ্চার-৯। চাঁদপুর সদরের হরিণা ফেরিঘাট এলাকায় পৌঁছালে তীব্র কুয়াশায় দিক নির্ণয় করতে না পেরে লঞ্চ দুটির মধ্যে সজোরে সংঘর্ষ হয়। এতে জাকির সম্রাট-৩ লঞ্চটির একাংশ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ডুবো-ডুবো অবস্থায় নদীতে ভাসতে থাকে। এ সময় পাশ দিয়ে যাওয়া এম.ভি কর্ণফুলী-৯ লঞ্চটি দ্রুত এগিয়ে এসে অনেক যাত্রীকে উদ্ধার করে।
নিহতদের মধ্যে ৪ জনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। তারা হলেন, ভোলার লালমোহনের আব্দুল গনি (৩৮), মো. সাজু (৪৫), মোছা. রিনা (৩৫) এবং চরফ্যাশনের হানিফ (৬০)। বাকি চারজনের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
চাঁদপুর বিআইডব্লিউটিএর উপ-পরিচালক বাবু লাল বৌদ্ধ জানান, দুর্ঘটনাকবলিত লঞ্চগুলো উদ্ধারের পর পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
এদিকে দুর্ঘটনার পর পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকালে ঝালকাঠি থেকে ঘাতক লঞ্চ এম.ভি অ্যাডভেঞ্চার-৯-কে জব্দ করেছে নৌ-পুলিশ। শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে ঝালকাঠি লঞ্চ টার্মিনালে নোঙর করলে পুলিশ সেটি নিয়ন্ত্রণে নেয়।
এ সময় প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য লঞ্চের ৪ জন স্টাফকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় ভোলার চরফ্যাশন ও লালমোহন এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
মেঘনায় দুই লঞ্চের সংঘর্ষে প্রাণ গেল ৮ যাত্রীর
মেঘনায় দুই লঞ্চের সংঘর্ষে প্রাণ গেল ৮ যাত্রীর
চাঁদপুরে মেঘনা নদীতে ঘন কুয়াশার কবলে পড়ে দুই লঞ্চের ভয়াবহ সংঘর্ষে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ৮ জন যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত অর্ধশতাধিক যাত্রী।বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে চাঁদপুর সদর উপজেলার হরিণা ফেরিঘাট সংলগ্ন এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।শুক্রবার সকালে নৌ-পুলিশ চাঁদপুর অঞ্চলের এসপি সৈয়দ মুশফিকুর রহমান হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।প্রত্যক্ষদর্শী ও নৌ-পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ঘোষেরহাট থেকে যাত্রী নিয়ে ঢাকা অভিমুখে আসছিল এম.ভি জাকির সম্রাট-৩। একই সময়ে ঢাকা
থেকে বরিশাল অভিমুখে যাচ্ছিল এম.ভি অ্যাডভেঞ্চার-৯। চাঁদপুর সদরের হরিণা ফেরিঘাট এলাকায় পৌঁছালে তীব্র কুয়াশায় দিক নির্ণয় করতে না পেরে লঞ্চ দুটির মধ্যে সজোরে সংঘর্ষ হয়। এতে জাকির সম্রাট-৩ লঞ্চটির একাংশ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ডুবো-ডুবো অবস্থায় নদীতে ভাসতে থাকে। এ সময় পাশ দিয়ে যাওয়া এম.ভি কর্ণফুলী-৯ লঞ্চটি দ্রুত এগিয়ে এসে অনেক যাত্রীকে উদ্ধার করে।নিহতদের মধ্যে ৪ জনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। তারা হলেন, ভোলার লালমোহনের আব্দুল গনি (৩৮), মো. সাজু (৪৫), মোছা. রিনা (৩৫) এবং চরফ্যাশনের হানিফ
(৬০)। বাকি চারজনের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। চাঁদপুর বিআইডব্লিউটিএর উপ-পরিচালক বাবু লাল বৌদ্ধ জানান, দুর্ঘটনাকবলিত লঞ্চগুলো উদ্ধারের পর পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।এদিকে দুর্ঘটনার পর পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকালে ঝালকাঠি থেকে ঘাতক লঞ্চ এম.ভি অ্যাডভেঞ্চার-৯-কে জব্দ করেছে নৌ-পুলিশ। শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে ঝালকাঠি লঞ্চ টার্মিনালে নোঙর করলে পুলিশ সেটি নিয়ন্ত্রণে নেয়। এ সময় প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য লঞ্চের ৪ জন স্টাফকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় ভোলার চরফ্যাশন ও লালমোহন এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত