মো হিমেল মিয়া, মনোহরদী, নরসিংদী :
নরসিংদীর মনোহরদীতে শীতের আগমন মানেই পিঠার মৌসুম শুরু। কুয়াশা ভোরে গ্রামের মানুষ ধীরে ধীরে ঘুম থেকে উঠার সঙ্গে সঙ্গে রাস্তার মোড়, বাজার ও হাটে বসে যায় একের পর এক গরম পিঠার দোকান। চুলার ধোঁয়া আর পিঠা ভাজার গন্ধ চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে, যেন শীতের আগমন ঘোষণা করছে।
ভোরের ব্যস্ততায় দেখা যায়—কেউ পিঠা বানাচ্ছেন, কেউ ভর্তা মিশাচ্ছেন, আবার কেউ চায়ের কাপে দুধ ঢালছেন। সকালবেলায় কৃষক, শ্রমিক, দোকানি থেকে অফিসগামী মানুষ পর্যন্ত সবাই একবার না একবার থেমে যায় এসব দোকানের সামনে। শিশুরাও স্কুল যাওয়ার আগে এক টুকরো পিঠা খেতে দৌড়ে আসে।
সবচেয়ে জনপ্রিয় পিঠা হলো চিতল পিঠা। মাত্র ১০ টাকায় পাওয়া যায় এই সুস্বাদু পিঠা, যা ভিন্ন ধরনের ভর্তা ও ডিম দিয়ে পরিবেশন করা হয়। দেশি উপকরণে তৈরি এই পিঠা নিরাপদ ও ঐতিহ্যবাহী স্বাদের বাহক।
বীর আহম্মদপুর গ্রামের পিঠা ব্যবসায়ী সবুজ মিয়া বলেন, “শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পিঠার ব্যবসা অনেক বেড়ে যায়। সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত দোকান বসাই। অনেক দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ আসে শুধু পিঠা খাওয়ার জন্য। এই সময়টা আমাদের জন্য ব্যস্ততার সঙ্গে আনন্দেরও।”
তিনি আরও জানান, প্রায় ৮ বছর ধরে নিজ বাড়িতে এই ব্যবসা করছেন। পরিবারের অন্য সদস্যরাও সহযোগিতা করেন। শীতকালই তার পরিবারের প্রধান আয়ের সময়।
গ্রামীণ মানুষের কাছে পিঠা শুধু ক্ষুধা মেটানোর বিষয় নয়—এটি আনন্দ, ঐতিহ্য ও সম্পর্কের এক মিষ্টি প্রকাশ। পিঠা যেন শীতের সকালকে উষ্ণ, হাসিখুশি ও প্রাণবন্ত করে তোলে।
মনোহরদীর শীতকালীন পিঠা উৎসব শুধু মৌসুমী ব্যবসা নয়, এটি গ্রামের মানুষের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ। পিঠার দোকানের ধোঁয়া, চায়ের সুবাস আর মানুষের হাসি—সব মিলিয়ে শীতের সকাল হয়ে ওঠে এক প্রাণের উৎসব
নরসিংদীর মনোহরদীতে শীতের আগমন মানেই পিঠার মৌসুম শুরু। কুয়াশা ভোরে গ্রামের মানুষ ধীরে ধীরে ঘুম থেকে উঠার সঙ্গে সঙ্গে রাস্তার মোড়, বাজার ও হাটে বসে যায় একের পর এক গরম পিঠার দোকান। চুলার ধোঁয়া আর পিঠা ভাজার গন্ধ চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে, যেন শীতের আগমন ঘোষণা করছে।
ভোরের ব্যস্ততায় দেখা যায়—কেউ পিঠা বানাচ্ছেন, কেউ ভর্তা মিশাচ্ছেন, আবার কেউ চায়ের কাপে দুধ ঢালছেন। সকালবেলায় কৃষক, শ্রমিক, দোকানি থেকে অফিসগামী মানুষ পর্যন্ত সবাই একবার না একবার থেমে যায় এসব দোকানের সামনে। শিশুরাও স্কুল যাওয়ার আগে এক টুকরো পিঠা খেতে দৌড়ে আসে।
সবচেয়ে জনপ্রিয় পিঠা হলো চিতল পিঠা। মাত্র ১০ টাকায় পাওয়া যায় এই সুস্বাদু পিঠা, যা ভিন্ন ধরনের ভর্তা ও ডিম দিয়ে পরিবেশন করা হয়। দেশি উপকরণে তৈরি এই পিঠা নিরাপদ ও ঐতিহ্যবাহী স্বাদের বাহক।
বীর আহম্মদপুর গ্রামের পিঠা ব্যবসায়ী সবুজ মিয়া বলেন, “শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পিঠার ব্যবসা অনেক বেড়ে যায়। সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত দোকান বসাই। অনেক দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ আসে শুধু পিঠা খাওয়ার জন্য। এই সময়টা আমাদের জন্য ব্যস্ততার সঙ্গে আনন্দেরও।”
তিনি আরও জানান, প্রায় ৮ বছর ধরে নিজ বাড়িতে এই ব্যবসা করছেন। পরিবারের অন্য সদস্যরাও সহযোগিতা করেন। শীতকালই তার পরিবারের প্রধান আয়ের সময়।
গ্রামীণ মানুষের কাছে পিঠা শুধু ক্ষুধা মেটানোর বিষয় নয়—এটি আনন্দ, ঐতিহ্য ও সম্পর্কের এক মিষ্টি প্রকাশ। পিঠা যেন শীতের সকালকে উষ্ণ, হাসিখুশি ও প্রাণবন্ত করে তোলে।
মনোহরদীর শীতকালীন পিঠা উৎসব শুধু মৌসুমী ব্যবসা নয়, এটি গ্রামের মানুষের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ। পিঠার দোকানের ধোঁয়া, চায়ের সুবাস আর মানুষের হাসি—সব মিলিয়ে শীতের সকাল হয়ে ওঠে এক প্রাণের উৎসব