রাজবাড়ী প্রতিনিধ -রাজবাড়ীতে ডিবি পুলিশ কর্মকর্তা পরিচয়ে প্রতারণার অভিযোগে মো. শামসুর রহমান মফিজ (২৮) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
গ্রেফতারকৃত মফিজ পাংশা উপজেলার হাবাসপুর ইউনিয়নের চর ঝিকড়ী পশ্চিমপাড়া এলাকার মো. হারেজ মিয়ার ছেলে।
বৃহস্পতিবার (২৩ নভেম্বর) সকালে রাজবাড়ী জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুকিত সরকার এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, গত ২১ নভেম্বর রাত পৌনে ৮টার দিকে গ্রেফতারকৃত মফিজ সোহেল রানা নামে এক ব্যক্তিকে ফোন করে নিজেকে ডিবি কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে তাকে জানায় যে, তার নামে অজ্ঞাত মার্ডার মামলা হয়েছে। মামলা থেকে রক্ষা পেতে হলে ২০ হাজার টাকা দিতে হবে। টাকা না দিলে মামলাটি গুলশান থানা থেকে পাংশা থানায় হস্তান্তর করা হবে।
সোহেল রানা টাকা না দিলে মফিজ অন্য একটি মোবাইল নম্বর থেকে তাকে ফোন করে পাংশা থানার অফিসার পরিচয় দিয়ে গ্রেফতারের ভয় দেখিয়ে আবারও ২০ হাজার টাকা দাবি করে। এ অভিযোগ পাওয়ার পর পাংশা থানা পুলিশ মফিজকে কৌশলে গ্রেফতার করে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদে সে প্রতারণার ঘটনা স্বীকার করেছে।
তিনি বলেন, মফিজের বিরুদ্ধে কুষ্টিয়া সদর থানায় প্রতারণার মামলা আছে। সে দীর্ঘদিন যাবৎ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে নিজেকে বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সোহেল রানা বাদী হয়ে পাংশা মডেল থানায় একটি প্রতারণা মামলা দায়ের করেছেন।
মোবাইলে ডিবি পরিচয়ে মানুষকে ভয় দেখানো ৩ ফুটের মফিজ আটক
মোবাইলে ডিবি পরিচয়ে মানুষকে ভয় দেখানো ৩ ফুটের মফিজ আটক
রাজবাড়ী প্রতিনিধ -রাজবাড়ীতে ডিবি পুলিশ কর্মকর্তা পরিচয়ে প্রতারণার অভিযোগে মো. শামসুর রহমান মফিজ (২৮) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।গ্রেফতারকৃত মফিজ পাংশা উপজেলার হাবাসপুর ইউনিয়নের চর ঝিকড়ী পশ্চিমপাড়া এলাকার মো. হারেজ মিয়ার ছেলে। বৃহস্পতিবার (২৩ নভেম্বর) সকালে রাজবাড়ী জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুকিত সরকার এ তথ্য জানান।তিনি বলেন, গত ২১ নভেম্বর রাত পৌনে ৮টার দিকে গ্রেফতারকৃত মফিজ সোহেল রানা
নামে এক ব্যক্তিকে ফোন করে নিজেকে ডিবি কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে তাকে জানায় যে, তার নামে অজ্ঞাত মার্ডার মামলা হয়েছে। মামলা থেকে রক্ষা পেতে হলে ২০ হাজার টাকা দিতে হবে। টাকা না দিলে মামলাটি গুলশান থানা থেকে পাংশা থানায় হস্তান্তর করা হবে। সোহেল রানা টাকা না দিলে মফিজ অন্য একটি মোবাইল নম্বর থেকে তাকে ফোন করে পাংশা থানার অফিসার পরিচয় দিয়ে গ্রেফতারের ভয় দেখিয়ে আবারও ২০
হাজার টাকা দাবি করে। এ অভিযোগ পাওয়ার পর পাংশা থানা পুলিশ মফিজকে কৌশলে গ্রেফতার করে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদে সে প্রতারণার ঘটনা স্বীকার করেছে। তিনি বলেন, মফিজের বিরুদ্ধে কুষ্টিয়া সদর থানায় প্রতারণার মামলা আছে। সে দীর্ঘদিন যাবৎ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে নিজেকে বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সোহেল রানা বাদী হয়ে পাংশা মডেল থানায় একটি প্রতারণা মামলা দায়ের করেছেন।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত