বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট
লঘুচাপটি আরও শক্তিশালী হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়েছে। ক্রমেই এটি আরও
শক্তিশালী হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। এটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হলে এর নাম হবে ‘মোখা’। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, লঘুচাপের
কেন্দ্রস্থলে বাতাসের গতিবেগ যেভাবে বাড়ছে তাতে এটি বুধবার নাগাদ পূর্ণাঙ্গ
ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে এবং এর গতিবেগ ১৮০ থেকে ২০০ কিলোমিটার হতে পারে। এটি
উপকূলের দিকে অগ্রসর হয়ে ২০০ কিলোমিটার বা ততোধিক বেগে স্থলভাগে ছোবল হানতে পারে।
সোমবার
(৮ মে) মধ্যরাতে সর্বশেষ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, দক্ষিণ-পূর্ব
বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ আন্দামান সাগর এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি ঘনীভূত
হয়ে গত মধ্যরাতে একই এলাকায় সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়েছে। এটি আরও ঘনীভূত হতে
পারে।
এদিকে
ভারতের আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, মঙ্গলবারের (আজ) মধ্যে এটি নিম্নচাপে পরিণত হতে
পারে। আগামীকাল বুধবারের মধ্যে এটি দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর এবং পূর্ব-মধ্য
বঙ্গোপসাগর এবং আন্দামান সাগর সংলগ্ন এলাকায় ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে।
বৃহস্পতিবার পর্যন্ত উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিকে এগিয়ে পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে
পৌঁছাতে পারে। এরপর ঘূর্ণিঝড়টি ধীরে ধীরে বাঁক নিতে পারে। এটি উত্তর ও
উত্তর-পূর্ব দিকে বাংলাদেশ-মিয়ানমার উপকূলের দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
অন্যদিকে, বাংলাদেশে মোখার
প্রভাব বেশ জোরালোভাবে পড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন কানাডার সাসকাচোয়ান
বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ক পিএইচডি গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ। তারমতে,
আগামী রবিবার (১৪ মে) সকাল ৬টার পর থেকে ১৫ মে সকাল ৬টার মধ্যে
ঘণ্টায় ১৮০ থেকে ২০০ কিলোমিটার বেগে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার
এবং মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের মংডু জেলার ওপর দিয়ে স্থলভাগে আঘাত হানতে পারে
ঘূর্ণিঝড় মোখা।
এদিকে
তীব্র গরমে হাঁসফাঁস উঠেছে জনজীবনে। সোমবার (৮ মে) দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪১
ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল চুয়াডাঙ্গায়। ঢাকার সর্বোচ্চ তাপমাত্রাও ৪০ ডিগ্রি ছুঁই
ছুঁই। বৃষ্টিহীনতায় ঢাকায়ও দুঃসহ গরম। ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৯ দশমিক ৪
ডিগ্রি সেলসিয়াস।
গরম
বেড়ে ৬৪ জেলায়ই ছড়িয়ে পড়েছে তাপপ্রবাহ। দেশের ৫ জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০
ডিগ্রি সেলসিয়াস পার হয়ে তীব্র হয়েছে তাপপ্রবাহ। যা আগামী আরও দু’দিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ।
‘মোখার ’গতিবেগ ১৮০ থেকে ২০০ কিলোমিটার হতে পারে
‘মোখার ’গতিবেগ ১৮০ থেকে ২০০ কিলোমিটার হতে পারে
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি আরও শক্তিশালী হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়েছে। ক্রমেই এটি আরও শক্তিশালী হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। এটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হলে এর নাম হবে ‘মোখা’। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, লঘুচাপের কেন্দ্রস্থলে বাতাসের গতিবেগ যেভাবে বাড়ছে তাতে এটি বুধবার নাগাদ পূর্ণাঙ্গ ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে এবং এর গতিবেগ ১৮০ থেকে ২০০ কিলোমিটার হতে পারে। এটি উপকূলের দিকে অগ্রসর হয়ে ২০০ কিলোমিটার বা ততোধিক বেগে স্থলভাগে ছোবল হানতে পারে।সোমবার (৮ মে) মধ্যরাতে সর্বশেষ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ আন্দামান সাগর এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে গত মধ্যরাতে একই এলাকায় সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়েছে।
এটি আরও ঘনীভূত হতে পারে।এদিকে ভারতের আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, মঙ্গলবারের (আজ) মধ্যে এটি নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। আগামীকাল বুধবারের মধ্যে এটি দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর এবং পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর এবং আন্দামান সাগর সংলগ্ন এলাকায় ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিকে এগিয়ে পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে পৌঁছাতে পারে। এরপর ঘূর্ণিঝড়টি ধীরে ধীরে বাঁক নিতে পারে। এটি উত্তর ও উত্তর-পূর্ব দিকে বাংলাদেশ-মিয়ানমার উপকূলের দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।অন্যদিকে, বাংলাদেশে মোখার প্রভাব বেশ জোরালোভাবে পড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন কানাডার সাসকাচোয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ক পিএইচডি গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ। তারমতে, আগামী রবিবার (১৪ মে) সকাল ৬টার পর থেকে ১৫
মে সকাল ৬টার মধ্যে ঘণ্টায় ১৮০ থেকে ২০০ কিলোমিটার বেগে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের মংডু জেলার ওপর দিয়ে স্থলভাগে আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড় মোখা।এদিকে তীব্র গরমে হাঁসফাঁস উঠেছে জনজীবনে। সোমবার (৮ মে) দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল চুয়াডাঙ্গায়। ঢাকার সর্বোচ্চ তাপমাত্রাও ৪০ ডিগ্রি ছুঁই ছুঁই। বৃষ্টিহীনতায় ঢাকায়ও দুঃসহ গরম। ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গরম বেড়ে ৬৪ জেলায়ই ছড়িয়ে পড়েছে তাপপ্রবাহ। দেশের ৫ জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পার হয়ে তীব্র হয়েছে তাপপ্রবাহ। যা আগামী আরও দু’দিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত