এম.পলাশ শরীফ, নিজস্ব প্রতিবেদক :
বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে সাদেক আলী বিশ্বাস নামে এক ব্যাক্তিকে ২০ বছর পরে তার পরিবারের সদস্যরা খুজে পয়েছেন। গতকাল শনিবার বেলা ১০টার দিকে মোড়েলগঞ্জ থানা পুলিশের নিকট থেকে তাকে বুঝে নেন ছোট ভাই নুরুল ইসলাম বিশ্বাস। সাদেক আলীর বয়স এখন ৫৪ বছর। সে ঝিনাইদহ জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার খর্দ্দ ধোপাদী গ্রামে মহর আলী বিশ্বাসের ছেলে। মোরেলগঞ্জে কর্মরত কালিগঞ্জের এক পুলিশ কর্মকর্তার নজরে পড়ায় ঠিকানা আবিস্কার হয় সাদেক আলীর।
জানা গেছে, নিখোঁজের পর থেকেই মোরেলগঞ্জে নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের মাঝিবাড়ি এলাকায় খাদিজা বেগমে(৫৫) নামে এক দরিদ্র বিধবা নারীর বাড়ির পাশে একটি পরিত্যাক্ত ঘরে ওঠেন। খাদিজা বেগম স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম বাচ্চু’র সহযোগিতায় সেখানে তার খাওয়া পরার ব্যবস্থা করেন। মস্তিস্ক বিকৃতজনিত কারনে ২০ বছর পূর্বে ৩৪ বছর বয়সে সাদেক আলী পরিবার থেকে হারিয়ে যায়। অনেক খোঁজাখুজি করে কোন সন্ধান পাননি তার মা ও ভাইয়েরা।
কালিগঞ্জ এলাকার পুলিশের এসআই নুরুল ইসলাম এই ঘটনাটি জানতেন। সম্প্রতি তিনি মোড়েলগঞ্জ থানায় বদলী হয়ে গেলে সেখানে মাঝিবাড়ি এলাকায় সাদেক আলীকে ঘোরাফেরা করতে দেখেন। ওই সময় এসআই নুরুল ইসলাম তার ছবি তুলে কালিগঞ্জের এক সাংবাদিকের মাধ্যমে পরিবারকে জানান। ছবি দেখে সাদেক আলীর ভাই চিনতে পারেন।
গতকাল শনিবার পুলিশের মাধ্যমে সাদেক আলীকে তার পরিবারের নিকট হস্তান্তরের সময় কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন হতদরিদ্র বিধবা খাদিজা বেগম। সাদেক আলীও যেতে রাজি ছিলেন না। থানা অফিসার ইনচার্জ মো. সাইদুর রহমান, নিশানবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম বাচ্চু ও এসআই নুরুল ইসলাম এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
মোড়েলগঞ্জে ২০ বছর পর স্বজনদের কাছে ফিরে গেল সাদেক আলী
মোড়েলগঞ্জে ২০ বছর পর স্বজনদের কাছে ফিরে গেল সাদেক আলী
এম.পলাশ শরীফ, নিজস্ব প্রতিবেদক : বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে সাদেক আলী বিশ্বাস নামে এক ব্যাক্তিকে ২০ বছর পরে তার পরিবারের সদস্যরা খুজে পয়েছেন। গতকাল শনিবার বেলা ১০টার দিকে মোড়েলগঞ্জ থানা পুলিশের নিকট থেকে তাকে বুঝে নেন ছোট ভাই নুরুল ইসলাম বিশ্বাস। সাদেক আলীর বয়স এখন ৫৪ বছর। সে ঝিনাইদহ জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার খর্দ্দ ধোপাদী গ্রামে মহর আলী বিশ্বাসের ছেলে। মোরেলগঞ্জে কর্মরত কালিগঞ্জের এক পুলিশ কর্মকর্তার নজরে পড়ায় ঠিকানা আবিস্কার হয় সাদেক আলীর। জানা গেছে, নিখোঁজের পর থেকেই
মোরেলগঞ্জে নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের মাঝিবাড়ি এলাকায় খাদিজা বেগমে(৫৫) নামে এক দরিদ্র বিধবা নারীর বাড়ির পাশে একটি পরিত্যাক্ত ঘরে ওঠেন। খাদিজা বেগম স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম বাচ্চু’র সহযোগিতায় সেখানে তার খাওয়া পরার ব্যবস্থা করেন। মস্তিস্ক বিকৃতজনিত কারনে ২০ বছর পূর্বে ৩৪ বছর বয়সে সাদেক আলী পরিবার থেকে হারিয়ে যায়। অনেক খোঁজাখুজি করে কোন সন্ধান পাননি তার মা ও ভাইয়েরা। কালিগঞ্জ এলাকার পুলিশের এসআই নুরুল ইসলাম এই ঘটনাটি জানতেন। সম্প্রতি তিনি মোড়েলগঞ্জ থানায় বদলী হয়ে গেলে সেখানে
মাঝিবাড়ি এলাকায় সাদেক আলীকে ঘোরাফেরা করতে দেখেন। ওই সময় এসআই নুরুল ইসলাম তার ছবি তুলে কালিগঞ্জের এক সাংবাদিকের মাধ্যমে পরিবারকে জানান। ছবি দেখে সাদেক আলীর ভাই চিনতে পারেন। গতকাল শনিবার পুলিশের মাধ্যমে সাদেক আলীকে তার পরিবারের নিকট হস্তান্তরের সময় কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন হতদরিদ্র বিধবা খাদিজা বেগম। সাদেক আলীও যেতে রাজি ছিলেন না। থানা অফিসার ইনচার্জ মো. সাইদুর রহমান, নিশানবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম বাচ্চু ও এসআই নুরুল ইসলাম এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত