এম.পলাশ শরীফ, বাগেরহাট প্রতিবেদক:
বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জের পল্লীতে জমি নিয়ে বিরোধে গভীর রাতে হরি মন্দিরে হামলা চালিয়ে মালামাল তছনছ করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় রবিবার বিকেলে থানা ওসি মো. সাইদুর রহমান ও পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
ক্ষতিগ্রস্ত গৃহ মালিক সঞ্জিত কুমার অধিকারী জানান, রবিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে জিউধরা ইউনিয়নের ডুমুরিয়া গ্রামে তার বসতবাড়িতে না থাকার সুযোগে পরিকল্পিতভাবে পূর্বশত্রæতার জের ধরে কতিপয় লোকজন বসতবাড়ির গেটের তালা ভেঙ্গে হরি মন্ডপের হরি গুরুচাঁদ ঠাকুরের ছবি, বাদ্যযন্ত্র ঢোল ছিড়ে ফেলে বিভিন্ন পূজার সামগ্রী তছনছ করে।
এ সময় হামলাকারিরা ছাগল ঘরের দুটি চাল, খুটি খুলে নিয়ে যায়। ওই রাতেই ছোট ভাই প্রসেনজিৎ অধিকারিকে মোবাইল ফোনে জিউধরা পুলিশ ফাঁড়ি ইনর্চাজ এসআই সুফল বিশ্বাস ফোন করে জানান, তার মালামাল ফাঁড়িতে জমা রয়েছে আপনারা সকালে নিয়ে যাবেন। ক্ষতিগ্রস্তরা আরো বলেন, তাদের ২০ শতক বসতবাড়ির এ জমি নিয়ে একই গ্রামের ছত্তার খলিফার সাথে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ থাকায় এ হামলা ঘটেছে। পুলিশের ফোন পেয়ে পার্শ্ববতী রামপাল থেকে ওই রাতেই ফিরে এসে দেখি ২/৩ জন লোক আমাদের উপস্থিতি টের পেয়ে বাড়ির মধ্যে থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে।
গৃহমালিকের মাতা বিভা রানী অধিকারী, ছোট ভাই প্রসেনজিৎ অধিকারি, চাচা বিধান অধিকারি ও তার স্ত্রী সৃতি অধিকারী ক্ষতিগ্রস্তরা বলেন, জমি ক্রয় করেও শান্তিপূর্ন ভাবে বসবাস করা যাবেনা। প্রভাবশালীদের লোলুপ দৃষ্টি রাতের বেলায় এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে। আমরা এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।
নিকটস্থ থানার ফাঁড়ি ইনচার্জ এসআই সুফল বিশ্বাস বলেন, বিবাধমান একটি জমিতে ঘর তোলার প্রক্রিয়া চলছিলো। ছত্তার হাওলাদার বাদি হয়ে থানায় অভিযোগের প্রেক্ষিতে পরিস্থিতি শান্ত রাখতে রাতে সঞ্জিত কুমার অধিকারীর বাড়ি থেকে দুই খানা ছাউনির চালা ও বাসের কয়েকটি খুটি ফাঁড়িতে এনে রাখা হয়েছে। তাদেরকে মোবাইল ফোনে জানানো হয়েছে।
ইউপি চেয়ারম্যান মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ওই জমিটি নিয়ে ইতোমধ্যে ২/৩ বার থানায় শালিশ বৈঠক হয়েছে। প্রকৃত জমির মালিক সঞ্জিত অধিকারীরা। রাতের ঘটনাটি দুঃখজনক। মোরেলগঞ্জ উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি কাউন্সিলর শংকর কুমার রায় বলে, ঘটনাটি শুনে ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে। তারা বিচারের আশ্বাস্ত করেছেন।
থানা অফিসার ইনচার্জ মো. সাইদুর রহমান বলেন, ডুমুরিয়ার বসতবাড়িতে হামলার বিষয় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মোরেলগঞ্জে জমি বিরোধে গভীর রাতে মন্দিরে হামলা
মোরেলগঞ্জে জমি বিরোধে গভীর রাতে মন্দিরে হামলা
এম.পলাশ শরীফ, বাগেরহাট প্রতিবেদক:বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জের পল্লীতে জমি নিয়ে বিরোধে গভীর রাতে হরি মন্দিরে হামলা চালিয়ে মালামাল তছনছ করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় রবিবার বিকেলে থানা ওসি মো. সাইদুর রহমান ও পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।ক্ষতিগ্রস্ত গৃহ মালিক সঞ্জিত কুমার অধিকারী জানান, রবিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে জিউধরা ইউনিয়নের ডুমুরিয়া গ্রামে তার বসতবাড়িতে না থাকার সুযোগে পরিকল্পিতভাবে পূর্বশত্রæতার জের ধরে কতিপয় লোকজন বসতবাড়ির গেটের তালা ভেঙ্গে হরি মন্ডপের হরি গুরুচাঁদ ঠাকুরের ছবি, বাদ্যযন্ত্র ঢোল ছিড়ে ফেলে বিভিন্ন পূজার সামগ্রী তছনছ করে।এ সময় হামলাকারিরা ছাগল ঘরের দুটি চাল, খুটি খুলে নিয়ে যায়। ওই রাতেই ছোট ভাই প্রসেনজিৎ অধিকারিকে মোবাইল ফোনে জিউধরা পুলিশ ফাঁড়ি ইনর্চাজ এসআই সুফল বিশ্বাস ফোন করে
জানান, তার মালামাল ফাঁড়িতে জমা রয়েছে আপনারা সকালে নিয়ে যাবেন। ক্ষতিগ্রস্তরা আরো বলেন, তাদের ২০ শতক বসতবাড়ির এ জমি নিয়ে একই গ্রামের ছত্তার খলিফার সাথে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ থাকায় এ হামলা ঘটেছে। পুলিশের ফোন পেয়ে পার্শ্ববতী রামপাল থেকে ওই রাতেই ফিরে এসে দেখি ২/৩ জন লোক আমাদের উপস্থিতি টের পেয়ে বাড়ির মধ্যে থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে। গৃহমালিকের মাতা বিভা রানী অধিকারী, ছোট ভাই প্রসেনজিৎ অধিকারি, চাচা বিধান অধিকারি ও তার স্ত্রী সৃতি অধিকারী ক্ষতিগ্রস্তরা বলেন, জমি ক্রয় করেও শান্তিপূর্ন ভাবে বসবাস করা যাবেনা। প্রভাবশালীদের লোলুপ দৃষ্টি রাতের বেলায় এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে। আমরা এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই। নিকটস্থ থানার ফাঁড়ি ইনচার্জ এসআই সুফল বিশ্বাস বলেন, বিবাধমান একটি জমিতে ঘর তোলার
প্রক্রিয়া চলছিলো। ছত্তার হাওলাদার বাদি হয়ে থানায় অভিযোগের প্রেক্ষিতে পরিস্থিতি শান্ত রাখতে রাতে সঞ্জিত কুমার অধিকারীর বাড়ি থেকে দুই খানা ছাউনির চালা ও বাসের কয়েকটি খুটি ফাঁড়িতে এনে রাখা হয়েছে। তাদেরকে মোবাইল ফোনে জানানো হয়েছে। ইউপি চেয়ারম্যান মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ওই জমিটি নিয়ে ইতোমধ্যে ২/৩ বার থানায় শালিশ বৈঠক হয়েছে। প্রকৃত জমির মালিক সঞ্জিত অধিকারীরা। রাতের ঘটনাটি দুঃখজনক। মোরেলগঞ্জ উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি কাউন্সিলর শংকর কুমার রায় বলে, ঘটনাটি শুনে ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে। তারা বিচারের আশ্বাস্ত করেছেন।থানা অফিসার ইনচার্জ মো. সাইদুর রহমান বলেন, ডুমুরিয়ার বসতবাড়িতে হামলার বিষয় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত