এম.পলাশ শরীফ, নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে বলইবুনিয়া ও পুটিখালী ইউনিয়নের সিমান্তে মোল্লারজোর ৬ কিলোমিটার খাল কাটায় ২ কিলোমিটার কার্পেটিং ও সোয়া ২ কিলোমিটার ইটসোলিং রাস্তা ভেঙ্গে ডেবে গেছে। খাল কাটা এখন গলার কাটা হয়ে দাড়িয়েছে। ৩ ইউনিয়নের মানুষের চলাচলে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। হুমকির মুখে রয়েছে ব্রীজ। এতে হাজার হাজার মানুষের ভোগান্তি এখন চরমে।
বুধবার সরেজমিনে খোজ নিয়ে জানাগেছে, উপজেলার বিষখালী খাল হয়ে বলইবুনিয়া শ্রেনীখালী অভিমুখি পানিউন্নয়ন বোর্ড প্রকল্পের মাধ্যমে ৬.৫ কিমি. মোল্লারজোর খাল পুনঃখাননের কাজটি শুরু হওয়ার ২দিনের মাথায় ১২.৬০ কিলোমিটার বলইবুনিয়া হয়ে আমতলা, পুটিখালী ১ কোটি ৪ লাখ টাকা ব্যায়ে কার্পেটিং রাস্তাটি ভেঙ্গে ডেবে যায়। পাশেই সোয়া ২ কিলোমিটারের ইট সোলিং রাস্তাটির একই অবস্থা। জনগুরুত্বপূর্ন এ রাস্তা দুটি ভেঙ্গে পড়ায় বলইবুনিয়া, পুটিখালী ও দৈবজ্ঞহাটীর ৩ ইউনিয়নের মানুষের চলাচলে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। ৮/১০টি গ্রামের মানুষের ভোগান্তি এখন চরমে। অটোভ্যান, মোটরসাইকেল, ইজিবাইক, কৃষকদের উৎপাদিত ফসল বাজারে বিক্রির জন্য বিকল্প ব্যবস্থায় নিয়ে আসতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
ক্ষতিগ্রস্ত সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড ইউপি সদস্য কেএম জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, অপরিকল্পিত প্রকল্প কৃষকের উপকারে খালকাটা এখন গলার কাটা হয়ে দাড়িয়েছে। বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল গনি খানের নামে একটি ইটসোলিং রাস্তা সেটিও ভেঙ্গে গিয়ে গ্রামবাসীরা দুর্ভোগে পড়েছে। কর্তাব্যক্তিদের নেই কোন নজরদারি।

স্থানীয় বলাইবুনিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা কৃষক আবুল কালাম খান, অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য আব্দুস কুদ্দুস শেখসহ একাধিক ক্ষতিগ্রস্তরা বলেন, দুটি রাস্তা ভেঙ্গে কয়েক হাজার মানুষের ক্ষতিগ্রস্ত করছে। দুই ইউনিয়নের খালের সংযোগ ব্রীজটিও এখন হুমকির মুখে। সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের প্রতি জরুরি ভিত্তিতে জনসাধারনের দুর্ভোগ লাঘবের জন্য ব্যবস্থা গ্রহনের জোর দাবি জানান তারা।
বলইবুনিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান আলী খান বলেন, ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান কাজটি শুরুতেই দায়সারাভাবে করেছে। মূল ঠিকাদার স্পর্টে কখনও আসেনি। স্থানীয় এক ব্যক্তিকে দিয়ে কাজটি করানো হচ্ছে। কার্পেটিং রাস্তা ভেঙ্গে পড়ার বিষয়টি পানিউন্নয়ন বোর্ডের কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও এখনও পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা গ্রহন করেনি তারা।
এ সর্ম্পকে বাগেরহাট জেলা পানিউন্নয়ন বোর্ডের ফিল্ড অফিসার (এসও) মোশারেফ হোসেন বলেন, কার্পেটিং রাস্তাটি ভেঙ্গে যাওয়ায় উর্দ্ধতন কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে। ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী মো. আরিফুল ইসলাম বলেন, এ উপজেলার বলইবুনিয়ার বাসবাড়িয়া আমতলা পুটিখালীর ১২.৬০ মিটার কার্পেটিং রাস্তাটি ২০১৬-২০১৭ অর্থ বছরে নির্মাণ করা হয়। খাল কাটার কারনে রাস্তা ভেঙ্গে যাওয়ার বিষয়টি শুনে সরেজমিনে পরিদর্শন করে। তাৎক্ষনিক ক্ষয়-ক্ষতির বিষয়ে উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের অবহিত করা হয়েছে।
মোরেলগঞ্জে খাল কাটা এখন গলার কাটা : কার্পেটিং রাস্তা ধস
মোরেলগঞ্জে খাল কাটা এখন গলার কাটা : কার্পেটিং রাস্তা ধস
এম.পলাশ শরীফ, নিজস্ব প্রতিবেদকঃবাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে বলইবুনিয়া ও পুটিখালী ইউনিয়নের সিমান্তে মোল্লারজোর ৬ কিলোমিটার খাল কাটায় ২ কিলোমিটার কার্পেটিং ও সোয়া ২ কিলোমিটার ইটসোলিং রাস্তা ভেঙ্গে ডেবে গেছে। খাল কাটা এখন গলার কাটা হয়ে দাড়িয়েছে। ৩ ইউনিয়নের মানুষের চলাচলে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। হুমকির মুখে রয়েছে ব্রীজ। এতে হাজার হাজার মানুষের ভোগান্তি এখন চরমে। বুধবার সরেজমিনে খোজ নিয়ে জানাগেছে, উপজেলার বিষখালী খাল হয়ে বলইবুনিয়া শ্রেনীখালী অভিমুখি পানিউন্নয়ন বোর্ড প্রকল্পের মাধ্যমে ৬.৫ কিমি. মোল্লারজোর খাল পুনঃখাননের কাজটি শুরু হওয়ার ২দিনের মাথায় ১২.৬০ কিলোমিটার বলইবুনিয়া হয়ে আমতলা, পুটিখালী ১ কোটি ৪ লাখ টাকা ব্যায়ে কার্পেটিং রাস্তাটি ভেঙ্গে ডেবে যায়। পাশেই সোয়া ২ কিলোমিটারের ইট সোলিং রাস্তাটির একই অবস্থা। জনগুরুত্বপূর্ন এ রাস্তা দুটি ভেঙ্গে পড়ায় বলইবুনিয়া, পুটিখালী ও দৈবজ্ঞহাটীর ৩
ইউনিয়নের মানুষের চলাচলে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। ৮/১০টি গ্রামের মানুষের ভোগান্তি এখন চরমে। অটোভ্যান, মোটরসাইকেল, ইজিবাইক, কৃষকদের উৎপাদিত ফসল বাজারে বিক্রির জন্য বিকল্প ব্যবস্থায় নিয়ে আসতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড ইউপি সদস্য কেএম জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, অপরিকল্পিত প্রকল্প কৃষকের উপকারে খালকাটা এখন গলার কাটা হয়ে দাড়িয়েছে। বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল গনি খানের নামে একটি ইটসোলিং রাস্তা সেটিও ভেঙ্গে গিয়ে গ্রামবাসীরা দুর্ভোগে পড়েছে। কর্তাব্যক্তিদের নেই কোন নজরদারি। স্থানীয় বলাইবুনিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা কৃষক আবুল কালাম খান, অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য আব্দুস কুদ্দুস শেখসহ একাধিক ক্ষতিগ্রস্তরা বলেন, দুটি রাস্তা ভেঙ্গে কয়েক হাজার মানুষের ক্ষতিগ্রস্ত করছে। দুই ইউনিয়নের খালের সংযোগ ব্রীজটিও এখন হুমকির মুখে। সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের প্রতি জরুরি ভিত্তিতে জনসাধারনের দুর্ভোগ লাঘবের জন্য ব্যবস্থা গ্রহনের জোর দাবি জানান তারা। বলইবুনিয়া ইউপি
চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান আলী খান বলেন, ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান কাজটি শুরুতেই দায়সারাভাবে করেছে। মূল ঠিকাদার স্পর্টে কখনও আসেনি। স্থানীয় এক ব্যক্তিকে দিয়ে কাজটি করানো হচ্ছে। কার্পেটিং রাস্তা ভেঙ্গে পড়ার বিষয়টি পানিউন্নয়ন বোর্ডের কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও এখনও পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা গ্রহন করেনি তারা।এ সর্ম্পকে বাগেরহাট জেলা পানিউন্নয়ন বোর্ডের ফিল্ড অফিসার (এসও) মোশারেফ হোসেন বলেন, কার্পেটিং রাস্তাটি ভেঙ্গে যাওয়ায় উর্দ্ধতন কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে। ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী মো. আরিফুল ইসলাম বলেন, এ উপজেলার বলইবুনিয়ার বাসবাড়িয়া আমতলা পুটিখালীর ১২.৬০ মিটার কার্পেটিং রাস্তাটি ২০১৬-২০১৭ অর্থ বছরে নির্মাণ করা হয়। খাল কাটার কারনে রাস্তা ভেঙ্গে যাওয়ার বিষয়টি শুনে সরেজমিনে পরিদর্শন করে। তাৎক্ষনিক ক্ষয়-ক্ষতির বিষয়ে উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের অবহিত করা হয়েছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত