সদরুল আইন : ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যূৎ সমিতি-২ এর আওতাভূক্ত গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলায় ভূতুড়ে বিলে অতিষ্ঠ উঠেছে গ্রাহকরা।
অভিযোগে প্রকাশ, প্রায় প্রতি মাসেই ভূতুড়ে বিল নিয়ে পল্লী বিদ্যূৎ সমিতির অফিসে দৌড়াতে হয় গ্রাহকদের।গ্রাহক হয়রানির নিত্য নতুন ঘটনায় এখানকার ব্যবহারকারিরা অতিষ্ঠ।
প্রাপ্ত অভিযোগে জানা গেছে ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যূৎ সমিতি-২ এর আওতাভূক্ত বৈরাগীরচালা গ্রামের ৪ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি বদিউজ্জামান খান খোকার একটি মিটারে রিডিং গ্রহন করা হয় চলতি মাসের ৫ তারিখে।
বিলের কাগজ আসার পর দেখা যায়, সেখানে চলতি ইউনিট দেখানো হয়েছে ৬৩৩০ ইউনিট। মজার বিষয় হল আজ ২৪শে জানুয়ারি উক্ত মিটারের ব্যবহৃত ইউনিট হল ৬২৪৬.৪। অর্থাৎ রিডিং গ্রহনের ১৯ দিন পরও উক্ত ইউনিট ব্যবহার করা হয়নি।
প্রশ্ন হচ্ছে, এ ধরনের ভূতুড়ে আন্দাজে মনগড়া রিডিং দিয়ে পল্লী বিদ্যূৎ হাজার হাজার গ্রাহককে চরম হয়রানি করে চলেছে।তাদের অফিসে বসে মনগড়া রিডিং দেখিয়ে অতিরিক্ত টাকা হাতিয়ে নেওয়ার সংস্কৃতি নতুন নয়।
এতে প্রতি মাসেই অগনীত গ্রাহক ভূতুড়ে বিলের অভিযোগ নিয়ে অফিসে গেলেও সহজে প্রতিকার মিলে না।এ ব্যাপারে প্রতিকার না থাকায় গ্রাহক হয়রানি দিন দিন বাড়ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যূৎ সমিতি-২ঃ ভূতুড়ে বিলে অতিষ্ঠ গ্রাহকরা
ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যূৎ সমিতি-২ঃ ভূতুড়ে বিলে অতিষ্ঠ গ্রাহকরা
সদরুল আইন : ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যূৎ সমিতি-২ এর আওতাভূক্ত গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলায় ভূতুড়ে বিলে অতিষ্ঠ উঠেছে গ্রাহকরা।অভিযোগে প্রকাশ, প্রায় প্রতি মাসেই ভূতুড়ে বিল নিয়ে পল্লী বিদ্যূৎ সমিতির অফিসে দৌড়াতে হয় গ্রাহকদের।গ্রাহক হয়রানির নিত্য নতুন ঘটনায় এখানকার ব্যবহারকারিরা অতিষ্ঠ।প্রাপ্ত অভিযোগে জানা গেছে ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যূৎ সমিতি-২ এর আওতাভূক্ত বৈরাগীরচালা গ্রামের ৪ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের
সাবেক সভাপতি বদিউজ্জামান খান খোকার একটি মিটারে রিডিং গ্রহন করা হয় চলতি মাসের ৫ তারিখে।বিলের কাগজ আসার পর দেখা যায়, সেখানে চলতি ইউনিট দেখানো হয়েছে ৬৩৩০ ইউনিট। মজার বিষয় হল আজ ২৪শে জানুয়ারি উক্ত মিটারের ব্যবহৃত ইউনিট হল ৬২৪৬.৪। অর্থাৎ রিডিং গ্রহনের ১৯ দিন পরও উক্ত ইউনিট ব্যবহার করা হয়নি।প্রশ্ন হচ্ছে, এ ধরনের ভূতুড়ে
আন্দাজে মনগড়া রিডিং দিয়ে পল্লী বিদ্যূৎ হাজার হাজার গ্রাহককে চরম হয়রানি করে চলেছে।তাদের অফিসে বসে মনগড়া রিডিং দেখিয়ে অতিরিক্ত টাকা হাতিয়ে নেওয়ার সংস্কৃতি নতুন নয়।এতে প্রতি মাসেই অগনীত গ্রাহক ভূতুড়ে বিলের অভিযোগ নিয়ে অফিসে গেলেও সহজে প্রতিকার মিলে না।এ ব্যাপারে প্রতিকার না থাকায় গ্রাহক হয়রানি দিন দিন বাড়ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত