মোঃ সিরাজ আল মাসুদ, টাঙ্গাইলঃ
টাঙ্গাইলের নাগরপুরে ক্লু-লেস আরিফ হত্যার রহস্য উদঘাটন ও মামলার প্রধান আসামি
মোঃ জাহাঙ্গীর মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। তিনি টাঙ্গাইল জেলার নাগরপুর থানার
নঙ্গিনাবাড়ী গ্রামের আলহাজ্ব দারোগ আলী ছেলে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়,
গত ০৮ আগষ্ট দুপুরে নিহত আরিফ মিয়া তাহার পালসার মোটর সাইকেল নিয়ে বাড়ি হতে বাহির হয়। ঐদিন রাত ৯ টার পরে আরিফ মিয়া তার বোনকে ফোন করে জানায় সে সকালে বাড়ি আসবে। পরের দিন সকাল বেলায় আরিফ বাড়িতে না ফিরে আসায় ও তার ব্যবহৃত মোবাইল বন্ধ পাওয়ায় পরিবারের সকলে সাম্ভাব্য বিভিন্ন জায়গায় খোঁজা খুঁজি করে। অতঃপর নিহতের কোন সন্ধান না পাওয়ায় নিহতের বাবা হোসেন বাদী হয়ে নাগরপুর থানায় এজাহার দায়ের করেন। পরে নাগরপুর থানায় ১৯ আগষ্ট ধারা-৩৬৪ পেনাল কোড ১৮৬০ রুজু হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যকারী মোঃ জাহাঙ্গীর মিয়া আরিফকে ফুসলিয়ে বাড়ি হতে বের করে নিয়ে হত্যা করার করেছে ও তার ব্যবহৃত মোটর সাইকেলটি অপর আসামী মো: হাফিজুর রহমান রনি এর নিকট বিক্রয় করে। পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্য মতে আসামী মোঃ জাহাঙ্গীর মিয়া কে সাথে নিয়ে মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়া থানার তিল্লি ব্রীজের নিচে কাশবন থেকে নিহত আরিফ হোসেনের বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে । পরবর্তীতে আসামীর তথ্য অনুযায়ী ডিসিস্ট আরিফ এর ব্যবহৃত পালসার মোটরসাইকেলটি নাগরপুর থানা এবং ডিবি (দক্ষিন), টাঙ্গাইলের চৌকস টিমের সমন্বয়ে অপর আসামী মোঃ হাফিজুর রহমান রনি(৩৩) কে কালিহাতি থানার বেহালাবাড়ী বাজারস্থ বাবুর মনোহারী দোকানের সামনে বৈল্লা বাজার হইতে রতনগঞ্জ বাজারগামী পাকা রাস্তার পাশে হতে গ্রেপ্তার করে। দ্বিতীয় আসামী মোঃ হাফিজুর রহমান রনি টাঙ্গাইল জেলার দেলদুয়ার থানার দুল্লা গ্রামের মোকছেদুর রহমানের ছেলে।
এ বিষয়ে নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ সাজ্জাদ হোসেন বলেন, পুলিশ সুপার মহোদয়ের নির্দেশ ক্রমে ও পুলিশ সুপার (ক্রাইম) ও মির্জাপুর সার্কেলের সার্বিক সহযোগিতায় ক্লু-লেস এ মামলাটির রহস্য উঘাটন সহজতর হয়েছে। নাগরপুর থানা পুলিশের সর্বাত্মক চেষ্টায় একটি চৌকস টিমের মাধ্যমে অতিদ্রুত সময়ে ঘটনার রহস্য উদঘাটন করে হত্যার সাথে জড়িত ব্যক্তির অবস্থান সনাক্ত করে আসামীদ্বয়কে গ্রেপ্তার করেছে।
এ বিষয়ে জেলা গোয়েন্দা সংস্থা ডিবি দক্ষিণ (ওসি) মোঃ দেলোয়ার হোসেন বলেন, নাগরপুর থানা পুলিশের সাথে সমন্বয পূর্বক ক্লু-লেস আরিফ হত্যা মামলার দ্বিতীয় আসামী গ্রেপ্তার ও নিহতের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়। পরে আসামিদ্বয়কে বিজ্ঞ আদালত হাজির করা হলে বিজ্ঞ আদালত তাদেরকে
জেল হেফাজতে প্রেরণ করেন।
নাগরপুর আরিফ হত্যার রহস্য উদঘাটন ও হত্যাকারী গ্রেফতার
নাগরপুর আরিফ হত্যার রহস্য উদঘাটন ও হত্যাকারী গ্রেফতার
মোঃ সিরাজ আল মাসুদ, টাঙ্গাইলঃটাঙ্গাইলের নাগরপুরে ক্লু-লেস আরিফ হত্যার রহস্য উদঘাটন ও মামলার প্রধান আসামি মোঃ জাহাঙ্গীর মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। তিনি টাঙ্গাইল জেলার নাগরপুর থানার নঙ্গিনাবাড়ী গ্রামের আলহাজ্ব দারোগ আলী ছেলে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ০৮ আগষ্ট দুপুরে নিহত আরিফ মিয়া তাহার পালসার মোটর সাইকেল নিয়ে বাড়ি হতে বাহির হয়। ঐদিন রাত ৯ টার পরে আরিফ মিয়া তার বোনকে ফোন করে জানায় সে সকালে বাড়ি আসবে। পরের দিন সকাল বেলায় আরিফ বাড়িতে না ফিরে আসায় ও তার ব্যবহৃত মোবাইল বন্ধ পাওয়ায় পরিবারের সকলে সাম্ভাব্য বিভিন্ন জায়গায় খোঁজা খুঁজি করে। অতঃপর নিহতের কোন সন্ধান না পাওয়ায় নিহতের বাবা হোসেন বাদী হয়ে নাগরপুর থানায় এজাহার দায়ের করেন। পরে নাগরপুর থানায় ১৯ আগষ্ট ধারা-৩৬৪ পেনাল কোড ১৮৬০
রুজু হয়।প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যকারী মোঃ জাহাঙ্গীর মিয়া আরিফকে ফুসলিয়ে বাড়ি হতে বের করে নিয়ে হত্যা করার করেছে ও তার ব্যবহৃত মোটর সাইকেলটি অপর আসামী মো: হাফিজুর রহমান রনি এর নিকট বিক্রয় করে। পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্য মতে আসামী মোঃ জাহাঙ্গীর মিয়া কে সাথে নিয়ে মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়া থানার তিল্লি ব্রীজের নিচে কাশবন থেকে নিহত আরিফ হোসেনের বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে । পরবর্তীতে আসামীর তথ্য অনুযায়ী ডিসিস্ট আরিফ এর ব্যবহৃত পালসার মোটরসাইকেলটি নাগরপুর থানা এবং ডিবি (দক্ষিন), টাঙ্গাইলের চৌকস টিমের সমন্বয়ে অপর আসামী মোঃ হাফিজুর রহমান রনি(৩৩) কে কালিহাতি থানার বেহালাবাড়ী বাজারস্থ বাবুর মনোহারী দোকানের সামনে বৈল্লা বাজার হইতে রতনগঞ্জ বাজারগামী পাকা রাস্তার পাশে হতে গ্রেপ্তার করে। দ্বিতীয় আসামী মোঃ হাফিজুর রহমান রনি টাঙ্গাইল
জেলার দেলদুয়ার থানার দুল্লা গ্রামের মোকছেদুর রহমানের ছেলে। এ বিষয়ে নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ সাজ্জাদ হোসেন বলেন, পুলিশ সুপার মহোদয়ের নির্দেশ ক্রমে ও পুলিশ সুপার (ক্রাইম) ও মির্জাপুর সার্কেলের সার্বিক সহযোগিতায় ক্লু-লেস এ মামলাটির রহস্য উঘাটন সহজতর হয়েছে। নাগরপুর থানা পুলিশের সর্বাত্মক চেষ্টায় একটি চৌকস টিমের মাধ্যমে অতিদ্রুত সময়ে ঘটনার রহস্য উদঘাটন করে হত্যার সাথে জড়িত ব্যক্তির অবস্থান সনাক্ত করে আসামীদ্বয়কে গ্রেপ্তার করেছে। এ বিষয়ে জেলা গোয়েন্দা সংস্থা ডিবি দক্ষিণ (ওসি) মোঃ দেলোয়ার হোসেন বলেন, নাগরপুর থানা পুলিশের সাথে সমন্বয পূর্বক ক্লু-লেস আরিফ হত্যা মামলার দ্বিতীয় আসামী গ্রেপ্তার ও নিহতের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়। পরে আসামিদ্বয়কে বিজ্ঞ আদালত হাজির করা হলে বিজ্ঞ আদালত তাদেরকেজেল হেফাজতে প্রেরণ করেন।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত