সোমবার, ৮ জুন ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
জাতীয় নানা কর্মসূচিতে মাভাবিপ্রবিতে জাতীয় শোক দিবস পালিত

নানা কর্মসূচিতে মাভাবিপ্রবিতে জাতীয় শোক দিবস পালিত

মো.হৃদয় হোসেনমা,ভাবিপ্রবি প্রতিনিধি :

টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে যথাযথ মর্যাদায় ১৫ আগস্ট ২০২৩ জাতীয় শোক দিবস পালন করা হয়েছে। 

আজ ১৫ আগস্ট (মঙ্গলবার) সূর্যোদয়ের সাথে সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ ফরহাদ হোসেন, প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ আর এম সোলাইমান ও ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ সিরাজুল ইসলামকে সাথে নিয়ে জাতীয় পতাকা এবং বিশ্ববিদ্যালয় পতাকা ও কালো পতাকা অর্ধনমিতভাবে উত্তোলন করেন। এরপর একটি শোক র‌্যালী ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ শেষে  বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালে এবং শেখ রাসেল হল, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলে প্রতিকৃতিতে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের পক্ষ থেকে পুস্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

এছাড়া বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে সাংবাদিক সমিতি, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ, বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদ, বঙ্গবন্ধু পরিষদ, শিক্ষক সমিতি, অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন, ৩য় শ্রেণী কর্মচারী সমিতি, ৪র্থ শ্রেণী কর্মচারী সমিতি, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক পরিষদ, ভাসানী পরিষদ, রক্ত দাতাদের সংগঠন বাঁধনের পক্ষ থেকেও পুস্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

সকাল ৯ টায় ১২ তলা একাডেমিক ভবনের ২য় তলায় শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও স্থিরচিত্র প্রদর্শণী, বাদ যোহর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে দোয়া মাহফিল ক্যাম্পাসস্থ গোবিন্দ মন্দিরে প্রার্থনার আয়োজন করা হয়।

বিকাল ৫ টায় ১২ তলা একাডেমিক ভবনের উপরে বক্তৃতা প্রতিযোগিতা, সন্ধ্যা ৭ টা ১৫ মিনিটে ১২তলা একাডেমিক ভবনের সম্মুখে চলচ্চিত্র প্রদর্শণী ‘আগস্ট ১৯৭৫’ এবং রাত্রি ৯ টায় পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সকল কর্মসুচিতে বিভিন্ন অনুষদের ডিন, হল প্রভোস্ট, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, রেজিস্ট্রারসহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোরে সেনাবাহিনীর কিছু বিপথগামী সদস্য ধানমন্ডির বাসভবনে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে। ঘাতকরা শুধু বঙ্গবন্ধুকেই হত্যা করেনি, তাদের হাতে একে একে প্রাণ হারিয়েছেন বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব, বঙ্গবন্ধুর সন্তান শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শিশু শেখ রাসেলসহ পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজি জামাল।

পৃথিবীর এই জঘন্যতম হত্যাকাণ্ড থেকে বাঁচতে পারেননি বঙ্গবন্ধুর অনুজ শেখ নাসের, ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাত এবং তার ছেলে আরিফ ও সুকান্তবাবু, মেয়ে বেবি, বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক শেখ ফজলুল হক মণি, তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরজু মনি এবং আবদুল নাঈম খান রিন্টু ও কর্নেল জামিলসহ পরিবারের ১৬ জন সদস্য ও ঘনিষ্ঠজন। 

এ সময় বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বিদেশে থাকায় প্রাণে রক্ষা পান।সপরিবারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর গোটা বিশ্বে নেমে আসে তীব্র শোকের ছায়া এবং ছড়িয়ে পড়ে ঘৃণার বিষবাষ্প।

খুঁজুন