শনিবার, ৬ জুন ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা নানামুখী অব্যবস্থাপনার মধ্য দিয়ে চলছে লালমনিরহাট সদর হাসপাতাল

নানামুখী অব্যবস্থাপনার মধ্য দিয়ে চলছে লালমনিরহাট সদর হাসপাতাল

নিজস্ব প্রতিনিধি: 

নানামুখী অব্যবস্থাপনার মধ্য দিয়ে চলছে লালমনিরহাট সদরহাসপাতাল ,রোগী,ঔষধ বেতন ভাতা ,আইন সবে আছে নেই কোন চিকিৎিসক অভিযোগ রাগীর স্বজন ও স্থানীয়দের  ।রোগীরা হাসাপাতালের মেঝেতে নোংড়া ও ময়লাযুক্ত বেডে শুয়ে চিকিৎসা নিচ্ছে,সাংবাদিকদের প্রবেশে রয়েছে বাধানিষেধ।  সকাল ৮টায় হাসাপাতালে চিকৎিসকেদের উপস্থিত থেকে বহিরবিভাগ ও আন্তবিভাগে রোগীর চকিৎিসা বা সেবা প্রদান করার কথা থাকলেও নিজেদের পদ পদবী ও যোগ্যতার বলে নিজ নিজ ইচ্ছেমতো কর্মস্থলে উপস্থিত হন এখানকার ডাক্তাররা ও কর্মকর্তারা।ইতোমধ্যে্এই হাসাপাতালের ইনর্টানি নার্স রাজিয়া সুলতানা বিভা ডায়েরিয়ায় আক্রান্ত হয়ে এই হাসাপাতালেই মারাগেছেন।

লালমনিরহাটের প্রায় ১৮ লাখমানুষের চিকিৎসা সেবার একমাত্র ১০০ শয্যার এই হাসপাতালটি থেকে মিলছেনা কাঙ্ক্ষিত চিকিৎসা সেবা।আবাসিক মেডিকেল অফিসার আছে,রয়েছে শিশু বিশেষঞ্জ, গাইনীর্সাজারি ,অর্থপেটিক বিভিন্ন পদের চিকিৎসক। কিন্তু সময়মতো এখানে চাকুরিকরা ডাক্তারগণ যথাসময়ে উপস্থিত না হওয়ায় এই হাসাপাতালে এঅবস্থায় সুচিকিৎসা ও সেবারমান নিয়ে অভিযোগের যেন শেষ নেই ভুক্তভোগিদের।

গাইনি বিভাগের ওয়ার্ডেচেলছে পৃথক দুটি কক্ষে ঠান্ডজনিত রোগাক্রান্ত শিশুদের অব্যবস্থাপনার মধ্র দিয়ে চিকিৎসা সেবা প্রদান। অনান্য ওয়ার্ডেও  বেড সল্পতায় মেঝেতে থাকতে হয় মুমূর্ষু রোগীদের।ময়লা আবর্জনা আর দুর্গন্ধ বিষিয়ে তুলে তাদের। রোগনির্নয়ে নেই তেমন কোন আধুনিকযন্ত্রপাতি যদিও ডিজিটিাল এক্সরে মেশিন রয়েছে তাও অকেজ থাকার কথা আসছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নিকট থেকে।পরীক্ষা নীরিক্ষার জন্য বাইরের ক্লিনিকে যাবার মতো আর্থিক সচ্ছলতা নেইঅনেকের। ফলে তাদের ভাগ্যেই জোটেনা সুচিকিৎসাএমন অভিযোগ দীর্ঘ দিনের।কেুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাট সড়কের ধরলা নদীর ওপর শেখ হাসিনা সেতু নির্মিত হওয়ায় কুড়িগ্রাম জেলার কয়েকটি উপজেলারেরোগাক্রান্ত মানুষজন এই হাসাপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন তারাও চিকিৎসা সেবা বঞ্চিত হওয়ার খবর পাওয়ায় জেলা যুবলীগের নেতা মোড়ল হুমায়ুন কবীর জানান, যদি এখানকার চিকিৎসকরা এখানে আসা রোগীদের চিকি]সা দিতে না পারেন তাহলে তাদের এখানথেকে চলে যাওয়া দরকার।  

বিরাজমান সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নেই কোন পদক্ষেপ।  বিষয়টি দেখবেন তবে প্রতিদিনি সাংবাদিকদেরকে  আপডেট দিতে বাধ্য নন বলেও জানালেন সদর হাসাপাতালের তত্বাবধায়ক ডা: রমজান আলী।   

আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাক্তার সামিরার সাথে কথা বলতে গেলে তিনি কোন উত্তর না দিয়ে তার কক্ষে প্রবেশে কোন অনুমোতি না মেলায়  তার দেরিতে( ১০টা ৩৫ মিনিট) অঅসার কারণ সম্পর্কে জানা যায়নি।  তত্যবধায়ক নিজেও দুপুর নাগাদ হাসাপাতালে উপস্থিৎ হন।  

লালমনিরহাটসদরহাসপাতালটি ১৯৬৪ সালে ১০ শয্যার,১৯৭২ এ ৩১, ১৯৮৯ সালে ৫০ ও ২০০৫ সালে এই  হাসপাতালটিউন্নিত ১০০ শয্যায়।

খুঁজুন