বুলবুল আহমেদ সোহেল :
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে স্ত্রী চামেলী বেগমকে হত্যার দায়ে স্বামী রাশেদুল ওরফে রাশদ কে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সাথে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ অতিরিক্ত দায়রা জজ তৃতীয় আদালতের বিচারক মো. শাহাবুদ্দিন আসামীর উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত রাশেদুল ওরফে রাশদ ঝিনাইদহের শৈলকুপা এলাকার আবু বক্কর সিদ্দিকের ছেলে। তিনি তার স্ত্রী ঝিনাইদহের শৈলকুপা এলাকার লাল চাঁনের মেয়ে চামেলীকে নিয়ে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে বসবাস করে আসছিলেন।
আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মো. সালাউদ্দিন সুইট বলেন, ২০০০ সালের ২ আগস্ট পারিবারিক কলহের জের ধরে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে এই ঘটনায় ভিকটিম চামেলীর ভগ্নিপতি শাহজাহান বাদী হয়ে রূপগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। আদালত ৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে বিচারকাজ শেষে আসামীর উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন।
কোর্ট পুলিশের পরির্দশক আসাদুজ্জামান বলেন, ২০০০ সালের একটি হত্যা মামলায় বিচার কাজ শেষে আদালত এই রায় ঘোষণা করেন।
অপরদিকে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার থানার দায়ের করা অপহরণ মামলায় আসামী ওমর ফারুককে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। সেই সাথে ৫০ হাজার টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে আরও তিন মাসের সশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেছেন আদালত।
একই দিন দুপুরে নারায়ণগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক নাজমুল হক শ্যামলের আদালত আসামীর অনুপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন।
দন্ডপ্রাপ্ত ওমর ফারুক রাজশাহীর গোদাবাড়ি এলাকার সেকান্দার আলী ছেলে। একই মামলায় হাসান আলী ও ফটিক নামে দুইজনকে বেকসুর খালাস প্রদান করেছেন আদালত।
পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) রকিব উদ্দিন আহমেদ বলেন, ২০১২ সালের ১০ ডিসেম্বর আসামীরা জিহান নামে এক শিশুকে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবী করে। পরে এই ঘটনায় ভিকটিম শিশুর বাবা জীবনের চাচা মান্নান বাদী হয়ে আড়াইহাজার থানায় মামলা দায়ের করেন। সেই সাথে অহহৃত শিশুকে রাজশাহী থেকে উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় ৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে বিচারকাজ শেষে আদালত এই রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময়ে আসামী পলাতক ছিলো।
নারায়ণগঞ্জে চাঞ্চল্যকর ২ টি মামলার রায়
নারায়ণগঞ্জে চাঞ্চল্যকর ২ টি মামলার রায়
বুলবুল আহমেদ সোহেল :নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে স্ত্রী চামেলী বেগমকে হত্যার দায়ে স্বামী রাশেদুল ওরফে রাশদ কে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সাথে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ অতিরিক্ত দায়রা জজ তৃতীয় আদালতের বিচারক মো. শাহাবুদ্দিন আসামীর উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত রাশেদুল ওরফে রাশদ ঝিনাইদহের শৈলকুপা এলাকার আবু বক্কর সিদ্দিকের ছেলে। তিনি তার স্ত্রী ঝিনাইদহের শৈলকুপা এলাকার লাল চাঁনের মেয়ে চামেলীকে নিয়ে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে বসবাস করে আসছিলেন। আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মো. সালাউদ্দিন সুইট বলেন, ২০০০ সালের ২ আগস্ট পারিবারিক কলহের জের ধরে এই
হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে এই ঘটনায় ভিকটিম চামেলীর ভগ্নিপতি শাহজাহান বাদী হয়ে রূপগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। আদালত ৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে বিচারকাজ শেষে আসামীর উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন।কোর্ট পুলিশের পরির্দশক আসাদুজ্জামান বলেন, ২০০০ সালের একটি হত্যা মামলায় বিচার কাজ শেষে আদালত এই রায় ঘোষণা করেন। অপরদিকে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার থানার দায়ের করা অপহরণ মামলায় আসামী ওমর ফারুককে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। সেই সাথে ৫০ হাজার টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে আরও তিন মাসের সশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেছেন আদালত।একই দিন দুপুরে নারায়ণগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক নাজমুল হক শ্যামলের আদালত আসামীর
অনুপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন।দন্ডপ্রাপ্ত ওমর ফারুক রাজশাহীর গোদাবাড়ি এলাকার সেকান্দার আলী ছেলে। একই মামলায় হাসান আলী ও ফটিক নামে দুইজনকে বেকসুর খালাস প্রদান করেছেন আদালত।পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) রকিব উদ্দিন আহমেদ বলেন, ২০১২ সালের ১০ ডিসেম্বর আসামীরা জিহান নামে এক শিশুকে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবী করে। পরে এই ঘটনায় ভিকটিম শিশুর বাবা জীবনের চাচা মান্নান বাদী হয়ে আড়াইহাজার থানায় মামলা দায়ের করেন। সেই সাথে অহহৃত শিশুকে রাজশাহী থেকে উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় ৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে বিচারকাজ শেষে আদালত এই রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময়ে আসামী পলাতক ছিলো।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত