খোদ শয়তানও ইন্টেরিমের ইকোনমিক রিকোভারির অবদান অস্বীকার করতে পারবে না। একটা ভঙ্গুর অর্থনীতিকে নিয়ন্ত্রণে এনে দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রেখে, বিদ্যুতের দাম না বাড়িয়ে, কোন ব্যাংক দেউলিয়া না করে আবার IMF এর কাছ থেকে টাকা ছাড় করিয়ে আনাটা - এমন এক অস্বাভাবিক, অসাধারণ কাজ যেটা আবুল মাল আব্দুল মুহিত, এম সাইফুর রহমানদের মত জিনিয়াসদের পক্ষেও সম্ভব হতো না।
আমি শুধু নিউজ পত্রিকা পড়ে এই মন্তব্য করছি না। ২০২১ থেকে ২০২৬ এর জানুয়ারি পর্যন্ত সকল সূচক, সকল ক্ষেত্রে সরকারের কাজ, রিজার্ভ, বিনিয়োগ, মুদ্রাস্ফীতি, রেভেনিউ, এইচডিআই তুলনা করে মন্তব্য করছি। সূচকগুলো কারও দরকার হলে ইনবক্সে বইলেন।
এই ইকোনমিক রিকোভারির পেছনে কলকাঠি নেড়েছেন ড. ইউনূস, খলিলুর রহমান, সালেহউদ্দিন, আহসান এইচ মনসুর আর শেখ বশির উদ্দিন। তাদের মধ্যে সবচেয়ে বড় ভূমিকাটাই রেখেছেন মনসুর। মনিটারি পলিসি এমন শক্ত হাতে নিয়ন্ত্রণ করেছেন, এমনভাবে আইএমএফ এর সামনে মেরুদন্ড সোজা রেখেছেন যে স্বর্ণের দাম হু হু করে বাড়া সত্ত্বেও উনি ডলারের দাম বাড়ান নাই, তেলের দাম বাড়ান নাই, আপনার আমার বাসার ভাতের হাড়িটা বাঁচানোর চেষ্টা করেছেন।
এর বিনিময়ে আহসান এইচ মনসুর পেলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ইতিহাসের সবচেয়ে ন্যাক্কারজনক বিদায়। প্রায় ঘাড়ে ধরে, মব সন্ত্রাস করে উনাকে, উনার উপদেষ্টাকে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে।
মনসুর সাহেব বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এক টাকা খাননি, রিজার্ভ চুরি করেন নি, পদ্মা ব্যাংক - বেসিক ব্যাংক হজম করেন নি। উনার বেতন-ভাতা ছিল দেড় লাখ টাকা। উনার আগের অফিসের বেতনের চাইতে কয়েক গুণ কম। তবু কেন মানুষ মোটা বেতন ছেড়ে বড় পদে আসে?
একটু কন্ট্রিবিউট করতে পারার আনন্দের জন্য। একটু সম্মানের জন্য। সেই সম্মানটা মনসুর সাহেব পেলেন না। উনাকে অব্যাহতি দেওয়ার আনুষ্ঠানিক চিঠিটা পর্যন্ত দেওয়া হয়নি।
উনার চুক্তি বাতিল করে একজন গার্মেন্টস ব্যবসায়ীকে (!) আজ বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বানানো হলো।
বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মচারীরা কোনদিন আতিউর রহমানদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেনি, মব করেনি। একটা দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ চুরি হয়ে যাওয়ার পর টু শব্দ করেনি। সেই কর্মচারীরা ক'দিন আগে সালেহউদ্দিনকে অপমান করেছেন, আজকে মনসুরকে অপমান করলেন।
এই দেশে গুণীর কদর নেই - তা আমরা জানতাম। জুলাই পরবর্তী বাংলাদেশ আমাদের শিখিয়েছে -
"গুণীজনের দুই গালে
জুতা মারো তালে তালে"
নীরবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ত্যাগ করলেন আহসান এইচ মনসুর
নীরবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ত্যাগ করলেন আহসান এইচ মনসুর
খোদ শয়তানও ইন্টেরিমের ইকোনমিক রিকোভারির অবদান অস্বীকার করতে পারবে না। একটা ভঙ্গুর অর্থনীতিকে নিয়ন্ত্রণে এনে দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রেখে, বিদ্যুতের দাম না বাড়িয়ে, কোন ব্যাংক দেউলিয়া না করে আবার IMF এর কাছ থেকে টাকা ছাড় করিয়ে আনাটা - এমন এক অস্বাভাবিক, অসাধারণ কাজ যেটা আবুল মাল আব্দুল মুহিত, এম সাইফুর রহমানদের মত জিনিয়াসদের পক্ষেও সম্ভব হতো না। আমি শুধু নিউজ পত্রিকা পড়ে এই মন্তব্য করছি না। ২০২১ থেকে ২০২৬ এর জানুয়ারি পর্যন্ত সকল সূচক, সকল ক্ষেত্রে সরকারের কাজ, রিজার্ভ, বিনিয়োগ, মুদ্রাস্ফীতি, রেভেনিউ, এইচডিআই তুলনা করে মন্তব্য করছি। সূচকগুলো কারও দরকার হলে ইনবক্সে বইলেন। এই ইকোনমিক রিকোভারির পেছনে কলকাঠি নেড়েছেন ড. ইউনূস, খলিলুর রহমান, সালেহউদ্দিন, আহসান এইচ মনসুর আর
শেখ বশির উদ্দিন। তাদের মধ্যে সবচেয়ে বড় ভূমিকাটাই রেখেছেন মনসুর। মনিটারি পলিসি এমন শক্ত হাতে নিয়ন্ত্রণ করেছেন, এমনভাবে আইএমএফ এর সামনে মেরুদন্ড সোজা রেখেছেন যে স্বর্ণের দাম হু হু করে বাড়া সত্ত্বেও উনি ডলারের দাম বাড়ান নাই, তেলের দাম বাড়ান নাই, আপনার আমার বাসার ভাতের হাড়িটা বাঁচানোর চেষ্টা করেছেন।এর বিনিময়ে আহসান এইচ মনসুর পেলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ইতিহাসের সবচেয়ে ন্যাক্কারজনক বিদায়। প্রায় ঘাড়ে ধরে, মব সন্ত্রাস করে উনাকে, উনার উপদেষ্টাকে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। মনসুর সাহেব বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এক টাকা খাননি, রিজার্ভ চুরি করেন নি, পদ্মা ব্যাংক - বেসিক ব্যাংক হজম করেন নি। উনার বেতন-ভাতা ছিল দেড় লাখ টাকা। উনার আগের অফিসের বেতনের
চাইতে কয়েক গুণ কম। তবু কেন মানুষ মোটা বেতন ছেড়ে বড় পদে আসে? একটু কন্ট্রিবিউট করতে পারার আনন্দের জন্য। একটু সম্মানের জন্য। সেই সম্মানটা মনসুর সাহেব পেলেন না। উনাকে অব্যাহতি দেওয়ার আনুষ্ঠানিক চিঠিটা পর্যন্ত দেওয়া হয়নি।উনার চুক্তি বাতিল করে একজন গার্মেন্টস ব্যবসায়ীকে (!) আজ বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বানানো হলো। বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মচারীরা কোনদিন আতিউর রহমানদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেনি, মব করেনি। একটা দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ চুরি হয়ে যাওয়ার পর টু শব্দ করেনি। সেই কর্মচারীরা ক'দিন আগে সালেহউদ্দিনকে অপমান করেছেন, আজকে মনসুরকে অপমান করলেন। এই দেশে গুণীর কদর নেই - তা আমরা জানতাম। জুলাই পরবর্তী বাংলাদেশ আমাদের শিখিয়েছে - "গুণীজনের দুই গালে জুতা মারো তালে তালে"
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত