নেত্রকোনা প্রতিনিধি:
সহায় সন্তানহীন মকুল মিয়া ও হালিমা বেগম নামের বৃদ্ধ দম্পত্তির সংসার চলছে পিঠা ব্রিক্রি করে। প্রতিদিন সন্ধ্যা হলেই দলে দলে পিঠা খেতে আসেন নান বয়সী ছেলে মেয়ে। তার মাঝে তরুণরাই বেশি। মুখরোচক পিঠা খেতে সিরিয়ালে থাকতে হয়।
নেত্রকোনা শহরের মালনী রোডের আব্দুল কাদিরের বাড়িতে আশ্রিত মুকুল মিয়া ও স্ত্রী হালেমা বেগম। দীর্ঘদিন ধরেই ষাটোর্ধ এই দম্পত্তি নিজের জায়গা না থাকায় ওই বাড়িতেই থাকেন। নিজের বাড়ি ঘর না থাকায় তারা অনেক বছর ধরে এখানে আশ্রিত। মুকুল মিয়া নাইটগার্ডের চাকরি করেন। তার একটি মাত্র ছেলে ছিলো, সেও টুকটাক কাজ করতো। হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ায় ছেলের স্ত্রী ও চার সন্তান নিয়ে মুকুল দম্পত্তি পড়েন বিপাকে।
এর পরই আশ্রয়দাারর অনুমতিক্রমে পিঠার দোকান বসায় এই দম্পত্তি। বাড়ির ভেতরেই আসেন পিঠা খাদকরা। এরপর বছরের মাথায় ছেলে মারা যায়। কিন্তু পিঠা বিক্রি করে ছেলের বউ ও চার নাতী নাতনি নিয়েই জীবন চালাচ্ছেন এই বৃদ্ধ দম্পত্তি।
প্রতিদিন ভাপা, চিতই, ডিমচিতই পিঠা খেতে অসংখ্য মানুষ আসেন তাদের বাড়িতে। সুস্বাধু এই পিঠা অল্প দামে পেয়ে খাদকরাও খুশি। ডিম চিতই ৩০ টাকা, চিতই (বিভিন্ন ভর্তা দিয়ে) ১০ টাকা এবং ভাপা পিঠা ২০ টাকায় বিক্রি করেন। স্বামী স্ত্রী দুজন একসাথে মিলে পিঠা তৈরী করেন ও ব্রিক্রি করেন। দিনবেলায় চাল গুড়াসহ নানা কাজ সেরে রাখেন। সন্ধ্যা হলেই পিঠা বানাতে শুরু করেন। একে একে শত শত পিঠা খাওয়ার জন্য আসেন।
বৃদ্ধ দম্পত্তি হালেমা জানান, প্রতিদিন ১০ থেকে ১৫ কেজি চাল লাগে। কোন দিনে এক হাজার কোন দেড় হাজার আবার কোন দিন দুই হাজার টাকাও আয় হয়। কেউ টাকা না দিয়ে যান না। সকলেই টাকা দিয়ে যান। এতে একটি প্রতিবন্ধী নাতী সহ মোট চারজন নাতি নাতনি ও পুত্র বধু নিয়ে চলে যাচ্ছে সংসার।
ছেলে অসুস্থ হলে খুব বিপদে পড়ে গিয়ে জায়গার মালিকের কাছে যাই। তিনি অনুমতি দিলে এই পিঠার দোকান দেই। গত দুই তিন বছর ধরে ভালই চলেছে। এর মাঝে ছেলেটা মারা গেছে। এখন তার সংসার নিয়ে প্রতি শীতে টানা তিন থেকে পাঁচ মাস পর্যন্ত এই ব্যবসা করতে পারেন তারা। এতে করো কোন রকমে সংসার চলে যায়। মানুষও আনন্দ পায় খেয়ে।
মুকুল মিয়া জানান, আমাদের সংসারের সদস্য সংখ্যা বেশি, নাতি নাতনিদের পড়াশোনার খরচ চালাতে আমার নাইট গার্ডের চাকরী পাশাপাশি পিঠা ব্রিক্রি করি। শীতে শুরু থেকে ৪/৫ মাস পিঠা ব্রিক্রি হয় বাকী মাস গুলো বসে থাকতে হয়।
পিঠা খেতে আসা রানা তালুকদার জানায়, প্রায় দিনেই আমরা বন্ধুরা মিলে পিঠা খেতে আসি। কিন্তু এসে প্রতিদিনেই মানুষের ভীর দেখতে পাই। লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে পরে পিঠা খেতে হয়। এই দুজনের পিঠার পরিচিতি অনেক, পৌরসভার ভিতরে সবাই এখানে পিঠা খেতে আসে।
নেত্রকোনায় মকুল-হালিমা দম্পতির পিঠা ব্রিক্রি করে চলছে সংসার
নেত্রকোনায় মকুল-হালিমা দম্পতির পিঠা ব্রিক্রি করে চলছে সংসার
নেত্রকোনা প্রতিনিধি:সহায় সন্তানহীন মকুল মিয়া ও হালিমা বেগম নামের বৃদ্ধ দম্পত্তির সংসার চলছে পিঠা ব্রিক্রি করে। প্রতিদিন সন্ধ্যা হলেই দলে দলে পিঠা খেতে আসেন নান বয়সী ছেলে মেয়ে। তার মাঝে তরুণরাই বেশি। মুখরোচক পিঠা খেতে সিরিয়ালে থাকতে হয়।নেত্রকোনা শহরের মালনী রোডের আব্দুল কাদিরের বাড়িতে আশ্রিত মুকুল মিয়া ও স্ত্রী হালেমা বেগম। দীর্ঘদিন ধরেই ষাটোর্ধ এই দম্পত্তি নিজের জায়গা না থাকায় ওই বাড়িতেই থাকেন। নিজের বাড়ি ঘর না থাকায় তারা অনেক বছর ধরে এখানে আশ্রিত। মুকুল মিয়া নাইটগার্ডের চাকরি করেন। তার একটি মাত্র ছেলে ছিলো, সেও টুকটাক কাজ করতো। হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ায় ছেলের স্ত্রী ও চার সন্তান নিয়ে মুকুল দম্পত্তি পড়েন বিপাকে।এর পরই আশ্রয়দাারর অনুমতিক্রমে পিঠার দোকান বসায় এই দম্পত্তি। বাড়ির ভেতরেই আসেন পিঠা খাদকরা। এরপর বছরের মাথায় ছেলে মারা যায়। কিন্তু পিঠা বিক্রি করে ছেলের বউ ও চার নাতী
নাতনি নিয়েই জীবন চালাচ্ছেন এই বৃদ্ধ দম্পত্তি।প্রতিদিন ভাপা, চিতই, ডিমচিতই পিঠা খেতে অসংখ্য মানুষ আসেন তাদের বাড়িতে। সুস্বাধু এই পিঠা অল্প দামে পেয়ে খাদকরাও খুশি। ডিম চিতই ৩০ টাকা, চিতই (বিভিন্ন ভর্তা দিয়ে) ১০ টাকা এবং ভাপা পিঠা ২০ টাকায় বিক্রি করেন। স্বামী স্ত্রী দুজন একসাথে মিলে পিঠা তৈরী করেন ও ব্রিক্রি করেন। দিনবেলায় চাল গুড়াসহ নানা কাজ সেরে রাখেন। সন্ধ্যা হলেই পিঠা বানাতে শুরু করেন। একে একে শত শত পিঠা খাওয়ার জন্য আসেন।বৃদ্ধ দম্পত্তি হালেমা জানান, প্রতিদিন ১০ থেকে ১৫ কেজি চাল লাগে। কোন দিনে এক হাজার কোন দেড় হাজার আবার কোন দিন দুই হাজার টাকাও আয় হয়। কেউ টাকা না দিয়ে যান না। সকলেই টাকা দিয়ে যান। এতে একটি প্রতিবন্ধী নাতী সহ মোট চারজন নাতি নাতনি ও পুত্র বধু নিয়ে চলে যাচ্ছে সংসার।ছেলে অসুস্থ হলে খুব বিপদে পড়ে
গিয়ে জায়গার মালিকের কাছে যাই। তিনি অনুমতি দিলে এই পিঠার দোকান দেই। গত দুই তিন বছর ধরে ভালই চলেছে। এর মাঝে ছেলেটা মারা গেছে। এখন তার সংসার নিয়ে প্রতি শীতে টানা তিন থেকে পাঁচ মাস পর্যন্ত এই ব্যবসা করতে পারেন তারা। এতে করো কোন রকমে সংসার চলে যায়। মানুষও আনন্দ পায় খেয়ে।মুকুল মিয়া জানান, আমাদের সংসারের সদস্য সংখ্যা বেশি, নাতি নাতনিদের পড়াশোনার খরচ চালাতে আমার নাইট গার্ডের চাকরী পাশাপাশি পিঠা ব্রিক্রি করি। শীতে শুরু থেকে ৪/৫ মাস পিঠা ব্রিক্রি হয় বাকী মাস গুলো বসে থাকতে হয়।পিঠা খেতে আসা রানা তালুকদার জানায়, প্রায় দিনেই আমরা বন্ধুরা মিলে পিঠা খেতে আসি। কিন্তু এসে প্রতিদিনেই মানুষের ভীর দেখতে পাই। লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে পরে পিঠা খেতে হয়। এই দুজনের পিঠার পরিচিতি অনেক, পৌরসভার ভিতরে সবাই এখানে পিঠা খেতে আসে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত