মির্জা হৃদয় সাগর,নেত্রকোনা প্রতিনিধি:
কৃষকদের একত্রবদ্ধভাবে ধান আবাদে আগ্রহ সৃষ্টি করতে নেত্রকোনায় সমলয় পদ্ধতিতে আবাদকৃত জমিতে ধান কর্তন উৎসব উদ্বোধন করা হয়েছে।
রবিবার(২৯ অক্টোম্বর) বিকালে জেলার বারহাট্টা উপজেলায় ইস্পিঞ্জা পুর গ্রামে শতাধিক কৃষকের ৫০ একর অর্থাৎ ২০ হেক্টর জমিতে এই কর্তন উৎসব উদ্বোধনের আয়োজন করে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।
এ উপলক্ষে বারহাট্টা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা আক্তার ববির সভাপতিত্বে ইস্পিঞ্জা পুর গ্রামে শস্য কর্তন উৎসব উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাইনুল হক কাশেম। এছাড়াও অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর অতিরিক্ত উপ পরিচালক এ এম শহিদুল ইসলাম, কৃষি প্রকৌশলী আঞ্জুমান আরা বেগম।
কৃষি বিভাগের উদ্যোগে ও খরচে স্থানীয় কৃষকদের খন্ড খন্ড জমিকে একসাথে করে একটি ব্লক করে সমলয় পদ্ধতিতে এ চাষ করা হয়।
কৃষকরা শুধুমাত্র দেখাশোনা আর নিরানি করে হাল দিয়েছে নিজেদের খরচে।
এছাড়া চারা রোপণ সহ অন্যান্য সকল খরচ বহনের দায়িত্ব পালন করেছে কৃষি বিভাগ।
মাত্র ১১২ দিনে ফসল উৎপাদন হওয়ায় খরচ কম ফলন ভালো হয়। এতে কৃষকরা সমলয় পদ্ধতিতে চাষে উদবুদ্ধ হয়েছেন।
কৃষকদের এক ধরনের প্রনোদিত করতেই এমন প্রনোদনা কৃষি বিভাগের।
কৃষক দেলোয়ার হোসেন জানান, গত তিন বছর আগেও তিনি ভাবছিলেন ধান চাষ করে ক্ষতিই হচ্ছে তাই একেবারে ছেড়ে দেবেন। কিন্তু এই ছেড়ে দেয়ার মুহুর্তে কৃষি বিভাগ এসে পাশে দাঁড়িয়েছে। দেখা যাচ্ছে ফলন ভালো হয়েছে এবার।
ধানের পরপরই তারা তিল ও সরিষার চাষ করতে পারবে। এখন আর জমি পতিত পড়ে থাকবে না।
এদিকে কৃষি বিভাগের উদ্ভিদবিজ্ঞানি খামারবাড়ির অতিরিক্ত উপ পরিচালক এ এম শহিদুল ইসলাম জানান, কৃষিতে অনেক সম্ভাবনা রয়েছে। কৃষকরা নানা কারণে সহজ পদ্ধতিগুলো জানতেন না।
আমরা তাদেরকে একসাথে করে খন্ড খন্ড জমি একত্রে চাষ করে দিচ্ছি। যাতে কোন জমি যেন খালি পড়ে না থাকে। কৃষকদেরও যাতে লাভ হয়।
বারহাট্টা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাইনুল হক কাশেম জানান, কৃষকরা যাতে ধান চাষে আগ্রহ না হারায় এজন্য এই পদ্ধতি। কৃষকদের এগিয়ে নিতেই কৃষি বিভাগের এমন উদ্যোগ বলে জানান তিনি।
নেত্রকোনায় সমলয় পদ্ধতিতে আবাদকৃত জমিতে ধান কর্তন
নেত্রকোনায় সমলয় পদ্ধতিতে আবাদকৃত জমিতে ধান কর্তন
মির্জা হৃদয় সাগর,নেত্রকোনা প্রতিনিধি:কৃষকদের একত্রবদ্ধভাবে ধান আবাদে আগ্রহ সৃষ্টি করতে নেত্রকোনায় সমলয় পদ্ধতিতে আবাদকৃত জমিতে ধান কর্তন উৎসব উদ্বোধন করা হয়েছে। রবিবার(২৯ অক্টোম্বর) বিকালে জেলার বারহাট্টা উপজেলায় ইস্পিঞ্জা পুর গ্রামে শতাধিক কৃষকের ৫০ একর অর্থাৎ ২০ হেক্টর জমিতে এই কর্তন উৎসব উদ্বোধনের আয়োজন করে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। এ উপলক্ষে বারহাট্টা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা আক্তার ববির সভাপতিত্বে ইস্পিঞ্জা পুর গ্রামে শস্য কর্তন উৎসব উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাইনুল হক কাশেম। এছাড়াও অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর অতিরিক্ত উপ পরিচালক এ এম শহিদুল ইসলাম, কৃষি প্রকৌশলী আঞ্জুমান আরা
বেগম। কৃষি বিভাগের উদ্যোগে ও খরচে স্থানীয় কৃষকদের খন্ড খন্ড জমিকে একসাথে করে একটি ব্লক করে সমলয় পদ্ধতিতে এ চাষ করা হয়। কৃষকরা শুধুমাত্র দেখাশোনা আর নিরানি করে হাল দিয়েছে নিজেদের খরচে। এছাড়া চারা রোপণ সহ অন্যান্য সকল খরচ বহনের দায়িত্ব পালন করেছে কৃষি বিভাগ। মাত্র ১১২ দিনে ফসল উৎপাদন হওয়ায় খরচ কম ফলন ভালো হয়। এতে কৃষকরা সমলয় পদ্ধতিতে চাষে উদবুদ্ধ হয়েছেন। কৃষকদের এক ধরনের প্রনোদিত করতেই এমন প্রনোদনা কৃষি বিভাগের। কৃষক দেলোয়ার হোসেন জানান, গত তিন বছর আগেও তিনি ভাবছিলেন ধান চাষ করে ক্ষতিই হচ্ছে তাই একেবারে ছেড়ে দেবেন। কিন্তু এই ছেড়ে দেয়ার মুহুর্তে কৃষি বিভাগ এসে পাশে দাঁড়িয়েছে। দেখা
যাচ্ছে ফলন ভালো হয়েছে এবার। ধানের পরপরই তারা তিল ও সরিষার চাষ করতে পারবে। এখন আর জমি পতিত পড়ে থাকবে না। এদিকে কৃষি বিভাগের উদ্ভিদবিজ্ঞানি খামারবাড়ির অতিরিক্ত উপ পরিচালক এ এম শহিদুল ইসলাম জানান, কৃষিতে অনেক সম্ভাবনা রয়েছে। কৃষকরা নানা কারণে সহজ পদ্ধতিগুলো জানতেন না। আমরা তাদেরকে একসাথে করে খন্ড খন্ড জমি একত্রে চাষ করে দিচ্ছি। যাতে কোন জমি যেন খালি পড়ে না থাকে। কৃষকদেরও যাতে লাভ হয়। বারহাট্টা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাইনুল হক কাশেম জানান, কৃষকরা যাতে ধান চাষে আগ্রহ না হারায় এজন্য এই পদ্ধতি। কৃষকদের এগিয়ে নিতেই কৃষি বিভাগের এমন উদ্যোগ বলে জানান তিনি।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত