নিজস্ব সংবাদদাতা :
ভয়ংকর প্রতারণার মাধ্যমে গড়ে উঠা এক প্রতিষ্ঠানের নাম নগদ। মাস্তানি স্টাইলে ২০১৭ সালে জোর করে কার্যক্রমে আসে প্রতিষ্ঠানটি। শুরু থেকেই তারা প্রচার করতো ডাক বিভাগের প্রতিষ্ঠান নগদ। অথচ এই প্রতিষ্ঠানে ডাক বিভাগের এক শতাংশ শেয়ারও নেই। আশ্চার্যের বিষয় হলো- এখনও প্রতিষ্ঠানটিতে ডাক বিভাগের কোনো মালিকানা প্রতিষ্ঠা হয়নি। এ নিয়ে ডাক বিভাগের তেমন আগ্রহও নেই।
নগদ এখন অনেকটা বেওয়ারিশ সম্পত্তি। একদিকে ডাক বিভাগের এক শতাংশ মালিকানাও নেই। আরেকদিকে হাল ছেড়ে পলাতক এমডি তানভীর এ মিশুকদেরও সেখানে উল্লেখযোগ্য শেয়ার নেই। নগদ মূলত ৬টি শেল কোম্পানির মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান।যেসব প্রতিষ্ঠান যুক্তরাষ্ট্রে নিবন্ধিত। যতোদূর জানা যায়, ওই ৬ শেল কোম্পানির মালিক আসলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় গং।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শনে বিগত সরকারের সময়ে ৬৪৫ কোটি টাকার জাল ই-মানি ইস্যুর ভয়ংকর এক জালিয়াতির তথ্য উদ্ঘাটিত হয়। এছাড়াও আরও ২ হাজার কোটি টাকার জালিয়াতি করেছে তারা। এসব নিয়ে এখন তদন্ত শেষ পর্যায়ে। দোষীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার পালা। এ সময়ে একের পর এক ঘটনা!
আওয়ামী লীগ পতনের পর বিভিন্ন জালিয়াতির বোঝা মাথায় নিয়ে নগদ পরিচালনায় যুক্ত সবাই বিদেশে পালিয়েছে। এরকম অবস্থায় আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক গত ২১ আগস্ট থেকে প্রশাসক নিয়োগ করে সুশৃংখলভাবে প্রতাষ্ঠানটি পরিচালনা করে অসছিলো। এর মধ্যে গত ৭ মে আদালতের এক পাক্ষিক রায়ের পর বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রশাসক আর নগদে বসতে পারছে না। পূর্ণাঙ্গ শুনানিও আর হচ্ছে না।এখন রায়ের পেছনে আসলে কি ছিলো!
বেশ কিছুদিন ধরে আলোচনা ছিলো প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়ব চাচ্ছেন না নগদে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ থাকুক। নিজের মতো করে তিনি প্রতিষ্ঠানটি চালাতে চান।
এখন দেখা যাচ্ছে নিজের পিএস আতিক মোর্শেদের স্ত্রী জাকিয়া সুলতানা জুইকে এক লাখ ৩৫ হাজার টাকা বেতনে চাকরির ব্যবস্থা করেছেন। আরও কতো কি ঘটেছে নিশ্চয় জানা যাবে।
এখন প্রশ্ন হলো ফয়েজ আহমদ তৈয়ব কি সরকারের হয়ে নগদ পরিচালনা করছেন! নাকি তানভীর এ মিশুকদের (আসলে সজীব ওয়াজেদ জয়) হয়ে তিনি এই প্রতিষ্ঠান চালাতে চান!
নগদ আসলে কার! তৈয়ব না মিশুক!!
নগদ আসলে কার! তৈয়ব না মিশুক!!
নিজস্ব সংবাদদাতা :ভয়ংকর প্রতারণার মাধ্যমে গড়ে উঠা এক প্রতিষ্ঠানের নাম নগদ। মাস্তানি স্টাইলে ২০১৭ সালে জোর করে কার্যক্রমে আসে প্রতিষ্ঠানটি। শুরু থেকেই তারা প্রচার করতো ডাক বিভাগের প্রতিষ্ঠান নগদ। অথচ এই প্রতিষ্ঠানে ডাক বিভাগের এক শতাংশ শেয়ারও নেই। আশ্চার্যের বিষয় হলো- এখনও প্রতিষ্ঠানটিতে ডাক বিভাগের কোনো মালিকানা প্রতিষ্ঠা হয়নি। এ নিয়ে ডাক বিভাগের তেমন আগ্রহও নেই।নগদ এখন অনেকটা বেওয়ারিশ সম্পত্তি। একদিকে ডাক বিভাগের এক শতাংশ মালিকানাও নেই। আরেকদিকে হাল ছেড়ে পলাতক এমডি তানভীর এ মিশুকদেরও সেখানে উল্লেখযোগ্য শেয়ার নেই। নগদ মূলত ৬টি শেল কোম্পানির মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান।যেসব প্রতিষ্ঠান যুক্তরাষ্ট্রে নিবন্ধিত। যতোদূর জানা যায়, ওই ৬ শেল কোম্পানির মালিক আসলে
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় গং।বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শনে বিগত সরকারের সময়ে ৬৪৫ কোটি টাকার জাল ই-মানি ইস্যুর ভয়ংকর এক জালিয়াতির তথ্য উদ্ঘাটিত হয়। এছাড়াও আরও ২ হাজার কোটি টাকার জালিয়াতি করেছে তারা। এসব নিয়ে এখন তদন্ত শেষ পর্যায়ে। দোষীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার পালা। এ সময়ে একের পর এক ঘটনা!আওয়ামী লীগ পতনের পর বিভিন্ন জালিয়াতির বোঝা মাথায় নিয়ে নগদ পরিচালনায় যুক্ত সবাই বিদেশে পালিয়েছে। এরকম অবস্থায় আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক গত ২১ আগস্ট থেকে প্রশাসক নিয়োগ করে সুশৃংখলভাবে প্রতাষ্ঠানটি পরিচালনা করে অসছিলো। এর মধ্যে গত ৭ মে আদালতের এক পাক্ষিক রায়ের পর বাংলাদেশ
ব্যাংকের প্রশাসক আর নগদে বসতে পারছে না। পূর্ণাঙ্গ শুনানিও আর হচ্ছে না।এখন রায়ের পেছনে আসলে কি ছিলো!বেশ কিছুদিন ধরে আলোচনা ছিলো প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়ব চাচ্ছেন না নগদে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ থাকুক। নিজের মতো করে তিনি প্রতিষ্ঠানটি চালাতে চান।এখন দেখা যাচ্ছে নিজের পিএস আতিক মোর্শেদের স্ত্রী জাকিয়া সুলতানা জুইকে এক লাখ ৩৫ হাজার টাকা বেতনে চাকরির ব্যবস্থা করেছেন। আরও কতো কি ঘটেছে নিশ্চয় জানা যাবে।এখন প্রশ্ন হলো ফয়েজ আহমদ তৈয়ব কি সরকারের হয়ে নগদ পরিচালনা করছেন! নাকি তানভীর এ মিশুকদের (আসলে সজীব ওয়াজেদ জয়) হয়ে তিনি এই প্রতিষ্ঠান চালাতে চান!
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত