দেশের উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা সত্তে ও নগরীর অলিগলি ও মহাসড়কে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ব্যাটারিচালিত রিক্সা। পুলিশ বলছে, তারা ব্যাটারি রিক্সার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, পুলিশ ও একশ্রেণীর রাজনৈতিক নেতাদের ম্যানেজ করে চলছে এই যান। নিষিদ্ধ এসব ব্যাটারিচালিত রিক্সার কারণে প্রতিদিনই ঘটছে নানা দুর্ঘটনা।
অপরদিকে, ব্যাটারি রিক্সার কারণে বিদ্যুতের অবৈধ ব্যবহারও বাড়ছে। বৈদ্যুতিক মোটরচালিত এসব রিক্সায় ব্যাটারির চার্জ দিতে গিয়ে অবৈধ বিদ্যুতের সংযোগও বাড়ছে। যার ফলে ঘটে অগ্নিসংযোগের মতো ঘটনা। ২০১৯ সালে প্রায় ১০ হাজারের অধিক ব্যাটারিচালিত রিক্সা ছিল। বর্তমানে এর সংখ্যা গিয়ে ঠেকেছে ৮০ হাজারে। যান্ত্রিক এসব রিক্সা চালাতে শারীরিক পরিশ্রম নেই বলে চালকদের আগ্রহ বেশি। শারীরিক শ্রম কম হয় বলে ব্যাটারি রিক্সাই এখন তাদের প্রথম পছন্দ। তবে এসব রিক্সার সামনে ব্রেক থাকায়, তা হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ করতে গেলেই অনেক সময়ে উল্টে যায়।
এছাড়া মহিলাদের ওড়না চাকায় পেঁচিয়ে দুর্ঘটনা যেন নিত্যসঙ্গী। তাছাড়া সিএনজি, প্রাইভেটকারের সঙ্গে পাল্লা দিতে গিয়ে সড়কে ব্যাটারি রিক্সা উল্টে গিয়ে আহত হয় চালকসহ যাত্রীরা। সিএমপির ট্রাফিক বিভাগ জানিয়েছে, মহাসড়কে ব্যাটারি রিক্সা চলতে দেয়া হয় না।
উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী এসব বাহন অবৈধ হওয়ায় তা সড়কে পাওয়া গেলে জব্দ করে ডাম্পিংয়ে পাঠানো হয়। তবে পুলিশের বক্তব্য এমন হলেও বাস্তব অবস্থা ভিন্ন। নগরীর অলিগলি ও শহরের অধিকাংশ সড়কেই ব্যাটারি রিক্সার চলাচল থামেনি।
অভিযোগ আছে, নগরীর সব কয়টি ওয়ার্ডে বিভিন্ন এলাকায় লাইনম্যান দিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের গ্রুপ-উপগ্রুপই ব্যাটারি রিক্সা চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। প্রতিদিন রিক্সা প্রতি ১০০ টাকা টোকেন মানি নেয় তারা। নির্দিষ্ট এলাকাভিত্তিক রুটেই চলাচল করে এসব রিক্সা। শনির আখরার রিক্সা যেমন বাড্ডা এলাকায় নিয়মিত চলাচল করতে পারে না, তেমনি কেউ ভিন্ন রুটে গেলে রিক্সা আটকে চাঁদা দাবির মতো ঘটনা হরহামেশাই ঘটছে নগরীতে।
অপরদিকে ব্যাটারি রিক্সার গ্যারেজ থেকেও মাসোহারা তোলা হয়। এসব টাকা ভাগ হয়ে এলাকাভিত্তিক নেতাদের হাত ঘুরে যায় স্থানীয় থানায় পর্যন্ত। এছাড়া ব্যাটারি রিক্সা চলাচলের সঙ্গে নগরীর প্রতিটি থানার পুলিশ সদস্যদের জড়িত থাকার অভিযোগ বেশ পুরনো। যদিও এ বিষয়ে ডিএমপি শুরু থেকেই বলে আসছে তাদের কেউ জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
নগরীতে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে অটো রিক্সা
নগরীতে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে অটো রিক্সা
দেশের উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা সত্তে ও নগরীর অলিগলি ও মহাসড়কে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ব্যাটারিচালিত রিক্সা। পুলিশ বলছে, তারা ব্যাটারি রিক্সার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, পুলিশ ও একশ্রেণীর রাজনৈতিক নেতাদের ম্যানেজ করে চলছে এই যান। নিষিদ্ধ এসব ব্যাটারিচালিত রিক্সার কারণে প্রতিদিনই ঘটছে নানা দুর্ঘটনা। অপরদিকে, ব্যাটারি রিক্সার কারণে বিদ্যুতের অবৈধ ব্যবহারও বাড়ছে। বৈদ্যুতিক মোটরচালিত এসব রিক্সায় ব্যাটারির চার্জ দিতে গিয়ে অবৈধ বিদ্যুতের সংযোগও বাড়ছে। যার ফলে ঘটে অগ্নিসংযোগের মতো ঘটনা। ২০১৯ সালে প্রায় ১০ হাজারের অধিক ব্যাটারিচালিত রিক্সা ছিল। বর্তমানে এর সংখ্যা গিয়ে ঠেকেছে ৮০ হাজারে। যান্ত্রিক এসব রিক্সা চালাতে শারীরিক পরিশ্রম নেই বলে চালকদের আগ্রহ বেশি। শারীরিক শ্রম কম হয় বলে ব্যাটারি
রিক্সাই এখন তাদের প্রথম পছন্দ। তবে এসব রিক্সার সামনে ব্রেক থাকায়, তা হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ করতে গেলেই অনেক সময়ে উল্টে যায়। এছাড়া মহিলাদের ওড়না চাকায় পেঁচিয়ে দুর্ঘটনা যেন নিত্যসঙ্গী। তাছাড়া সিএনজি, প্রাইভেটকারের সঙ্গে পাল্লা দিতে গিয়ে সড়কে ব্যাটারি রিক্সা উল্টে গিয়ে আহত হয় চালকসহ যাত্রীরা। সিএমপির ট্রাফিক বিভাগ জানিয়েছে, মহাসড়কে ব্যাটারি রিক্সা চলতে দেয়া হয় না। উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী এসব বাহন অবৈধ হওয়ায় তা সড়কে পাওয়া গেলে জব্দ করে ডাম্পিংয়ে পাঠানো হয়। তবে পুলিশের বক্তব্য এমন হলেও বাস্তব অবস্থা ভিন্ন। নগরীর অলিগলি ও শহরের অধিকাংশ সড়কেই ব্যাটারি রিক্সার চলাচল থামেনি। অভিযোগ আছে, নগরীর সব কয়টি ওয়ার্ডে বিভিন্ন এলাকায় লাইনম্যান দিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের গ্রুপ-উপগ্রুপই ব্যাটারি
রিক্সা চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। প্রতিদিন রিক্সা প্রতি ১০০ টাকা টোকেন মানি নেয় তারা। নির্দিষ্ট এলাকাভিত্তিক রুটেই চলাচল করে এসব রিক্সা। শনির আখরার রিক্সা যেমন বাড্ডা এলাকায় নিয়মিত চলাচল করতে পারে না, তেমনি কেউ ভিন্ন রুটে গেলে রিক্সা আটকে চাঁদা দাবির মতো ঘটনা হরহামেশাই ঘটছে নগরীতে। অপরদিকে ব্যাটারি রিক্সার গ্যারেজ থেকেও মাসোহারা তোলা হয়। এসব টাকা ভাগ হয়ে এলাকাভিত্তিক নেতাদের হাত ঘুরে যায় স্থানীয় থানায় পর্যন্ত। এছাড়া ব্যাটারি রিক্সা চলাচলের সঙ্গে নগরীর প্রতিটি থানার পুলিশ সদস্যদের জড়িত থাকার অভিযোগ বেশ পুরনো। যদিও এ বিষয়ে ডিএমপি শুরু থেকেই বলে আসছে তাদের কেউ জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত