নিম্নচাপের কারণে সমুদ্র উত্তাল হওয়ায় নিরাপদ আশ্রয়ে
তীরে ফিরছে মাছ ধরার শত শত ট্রলার। পটুয়াখালীর বড় দুটি মৎস্যবন্দর আলীপুর ও মহিপুর
ঘাটে আশ্রয় নিয়েছেন জেলেরা। তবে আশ্রয় নেয়া জেলেদের চোখে মুখে ছিল হতাশার ছাপ।
কেননা উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর
এলাকায় অবস্থানরত নিম্নচাপের কারণে বৈরি আবহাওয়া বিরাজ করছে। ফলে তাদের মাছ ছাড়া
খালি হাতেই নিরাপদ আশ্রয়ে ফিরতে হয়েছে।
এর আগে গত ২৩ জুলাই রাতে ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে
সমুদ্রে মাছ শিকারে নামেন জেলেরা। কিন্তু ২৫ জুলাই বিকেল থেকেই সমুদ্র উত্তাল হলে
নিরাপদ আশ্রয়ে ফিরে আসেন জেলেরা।
এরপর শুক্রবার তারা ফের মাছ শিকারে সমুদ্রে যান। তার ঠিক
তিন দিনের মাথায় ফের বৈরি আবহাওয়ার প্রভাবে ফিরে আসতে হয়েছে তাদের।
এভাবে বারবার তীরে ফিরে আসায় লোকসানের পড়তে হবে তাদের। এমন
শঙ্কায় ঘুম হারাম অধিকাংশ জেলের। তারা বলছেন, প্রকৃতির হাতের পুতুল আমরা। জীবিকার তাগিদে
জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সমুদ্রে জাল ফেলি। আর তা দিয়েই আমাদের পেট চলে। সমুদ্র যেভাবে
বৈরিতা করছে তাতে এবার টিকে থাকা কঠিন হবে। পড়তে হবে লোকসানের মুখে।
আলীপুর-মহিপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে দেখা যায়, পটুয়াখালীর স্থানীয়রা ছাড়াও
ভোলা, কক্সবাজার, মোংলা, চট্টগ্রাম, বাঁশখালীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার জেলেরা
সেখানে আশ্রয় নিয়েছেন। জেলেদের পদচারণায় মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র মুখর হয়ে উঠছে। তবে
তাদের মুখ ছিল মলিন।
জেলেরা বলছেন, বছরের বেশিরভাগ সময়ে এভাবে অবরোধ আর
আবহাওয়া খারাপ হলে পেশায় টিকে থাকা দায় হয়ে যাবে। লোকসানের মুখে ফিরতে হবে অন্য
পেশায়।
মহিপুর মৎস্য আড়ত মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক রাজু হোসেন
রাজা গণমাধ্যমকে বলেন,
সমুদ্র উত্তাল হওয়ায় জেলেরা বন্দরে আশ্রয় নিচ্ছে। হাজারের অধিক
ট্রলার এরইমধ্যে চলে এসেছে। সমুদ্র থেকে আসার সময় চারটি ট্রলার দুর্ঘটনার শিকার
হয়েছে। বছরে দুইবার অবরোধ এবং বৈরি আবহাওয়ার প্রভাবে জেলেদের পেশা সংকটের মুখে
পড়েছে।
পটুয়াখালী জেলা আবহাওয়া পর্যবেক্ষক জয়দেব কবিরাজ গণমাধ্যমকে
বলেন, গভীর
নিম্নচাপটি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ও দুর্বল হয়ে বর্তমানে
পশ্চিমবঙ্গ-বিহার ও তৎসংলগ্ন এলাকায় স্থল নিম্নচাপ আকারে অবস্থান করছে। এটি আরও
পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ক্রমান্বয়ে দুর্বল হতে পারে। তবে উত্তর
বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় ঝড়ো হাওয়া অব্যাহত থাকতে
পারে।
এই আবহাওয়া পর্যবেক্ষক বলেন, পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে
তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। স্বাভাবিক জোয়ারের
চেয়ে ২-৩ ফুট অধিক উচ্চতার বায়ু তাড়িত জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।
নিম্নচাপে উত্তাল সমুদ্র
নিম্নচাপে উত্তাল সমুদ্র
নিম্নচাপের কারণে সমুদ্র উত্তাল হওয়ায় নিরাপদ আশ্রয়ে তীরে ফিরছে মাছ ধরার শত শত ট্রলার। পটুয়াখালীর বড় দুটি মৎস্যবন্দর আলীপুর ও মহিপুর ঘাটে আশ্রয় নিয়েছেন জেলেরা। তবে আশ্রয় নেয়া জেলেদের চোখে মুখে ছিল হতাশার ছাপ।কেননা উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত নিম্নচাপের কারণে বৈরি আবহাওয়া বিরাজ করছে। ফলে তাদের মাছ ছাড়া খালি হাতেই নিরাপদ আশ্রয়ে ফিরতে হয়েছে।এর আগে গত ২৩ জুলাই রাতে ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে সমুদ্রে মাছ শিকারে নামেন জেলেরা। কিন্তু ২৫ জুলাই বিকেল থেকেই সমুদ্র উত্তাল হলে নিরাপদ আশ্রয়ে ফিরে আসেন জেলেরা।এরপর শুক্রবার তারা ফের মাছ শিকারে সমুদ্রে যান। তার ঠিক তিন দিনের মাথায় ফের বৈরি আবহাওয়ার প্রভাবে ফিরে আসতে হয়েছে তাদের।এভাবে বারবার তীরে ফিরে আসায় লোকসানের পড়তে হবে
তাদের। এমন শঙ্কায় ঘুম হারাম অধিকাংশ জেলের। তারা বলছেন, প্রকৃতির হাতের পুতুল আমরা। জীবিকার তাগিদে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সমুদ্রে জাল ফেলি। আর তা দিয়েই আমাদের পেট চলে। সমুদ্র যেভাবে বৈরিতা করছে তাতে এবার টিকে থাকা কঠিন হবে। পড়তে হবে লোকসানের মুখে।আলীপুর-মহিপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে দেখা যায়, পটুয়াখালীর স্থানীয়রা ছাড়াও ভোলা, কক্সবাজার, মোংলা, চট্টগ্রাম, বাঁশখালীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার জেলেরা সেখানে আশ্রয় নিয়েছেন। জেলেদের পদচারণায় মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র মুখর হয়ে উঠছে। তবে তাদের মুখ ছিল মলিন।জেলেরা বলছেন, বছরের বেশিরভাগ সময়ে এভাবে অবরোধ আর আবহাওয়া খারাপ হলে পেশায় টিকে থাকা দায় হয়ে যাবে। লোকসানের মুখে ফিরতে হবে অন্য পেশায়।মহিপুর মৎস্য আড়ত মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক রাজু হোসেন রাজা গণমাধ্যমকে বলেন, সমুদ্র উত্তাল হওয়ায় জেলেরা বন্দরে
আশ্রয় নিচ্ছে। হাজারের অধিক ট্রলার এরইমধ্যে চলে এসেছে। সমুদ্র থেকে আসার সময় চারটি ট্রলার দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে। বছরে দুইবার অবরোধ এবং বৈরি আবহাওয়ার প্রভাবে জেলেদের পেশা সংকটের মুখে পড়েছে।পটুয়াখালী জেলা আবহাওয়া পর্যবেক্ষক জয়দেব কবিরাজ গণমাধ্যমকে বলেন, গভীর নিম্নচাপটি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ও দুর্বল হয়ে বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ-বিহার ও তৎসংলগ্ন এলাকায় স্থল নিম্নচাপ আকারে অবস্থান করছে। এটি আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ক্রমান্বয়ে দুর্বল হতে পারে। তবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় ঝড়ো হাওয়া অব্যাহত থাকতে পারে। এই আবহাওয়া পর্যবেক্ষক বলেন, পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ২-৩ ফুট অধিক উচ্চতার বায়ু তাড়িত জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত