নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার কথা বলে যখন নির্লজ্জ পক্ষপাতিত্ব করা হয়, তখন তা শুধু সাংবাদিকতার নীতিমালাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে না, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ওপরও আঘাত হানে।
জুলাই মামলায় নাম থাকা মাধবপুরের আলোচিত আওয়ামী লীগ নেতা আইয়ুব খান যিনি নিজেকে সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দিয়ে থাকেন, বর্তমানে বিএনপি প্রার্থী এস এম ফয়সাল সাহেবের একান্ত প্রেস সচিব হিসেবে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন। অভিযোগ উঠেছে, তাঁর প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ প্রভাবেই কিছু তথাকথিত সাংবাদিক পরিকল্পিতভাবে ইসলামী ফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থী মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরীর বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্ট ও প্রতিহিংসামূলক প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।
বিশেষ করে সমকালসহ হাতে গোনা কয়েকটি পত্রিকায় একতরফা ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ করা হচ্ছে। ফয়সল পরিবারের আত্মীয়তার সম্পর্ককে রাজনৈতিক অস্ত্রে পরিণত করে এমন সব সংবাদ পরিবেশন করা হচ্ছে, যেখানে প্রতিপক্ষের বক্তব্য নেওয়া তো দূরের কথা, তথ্য যাচাইয়ের ন্যূনতম উদ্যোগও দেখা যাচ্ছে না। এটি সাংবাদিকতার মৌলিক নীতির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
অথচ বাস্তব চিত্র ভিন্ন। চুনারুঘাটে মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরী ও তাঁর কর্মীরা বিএনপি নেতাকর্মীদের দ্বারা লাঞ্ছিত হয়েছেন। তাঁর কর্মীরা একাধিকবার হামলা ও হুমকির শিকার হয়েছেন। এসব ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে এবং কিছু ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তিরা ক্ষমা চাইতেও বাধ্য হয়েছেন।
এই ঘটনাগুলো নিয়ে দেশের মূলধারার প্রায় সব শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যমে অভিন্ন তথ্যভিত্তিক সংবাদ প্রকাশিত হলেও, সমকালসহ কয়েকটি পত্রিকা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সম্পূর্ণ ভিন্ন ও বিভ্রান্তিকর বর্ণনা তুলে ধরছে। সেখানে ভুক্তভোগীকেই ‘গুজব রটনাকারী’ হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে, যা শুধু অনৈতিক নয়, সমাজের জন্যও ঝুঁকিপূর্ণ।
আরও বিস্ময়কর বিষয় হলো, শায়েস্তাগঞ্জে একই ইউনিয়নে দুটি নির্বাচনী অফিস থাকায় প্রশাসন নিয়ম অনুযায়ী একটি অফিস বন্ধ করলে সেটিকে ‘বড় অপরাধ’ হিসেবে ফলাও করে সংবাদ করা হয়েছে। অথচ মাধবপুরের বহরা ইউনিয়নে একই বিএনপি প্রার্থী এস এম ফয়সল সাহেবের দুটি নির্বাচনী অফিস থাকা সত্ত্বেও ওই পত্রিকাগুলোর সেখানে কোনো অনুসন্ধানী সংবাদ চোখে পড়ে না।
এখানেই প্রশ্ন ওঠে আইন কি সবার জন্য সমান, নাকি ক্ষমতার রঙ দেখেই তার প্রয়োগ ও ব্যাখ্যা বদলে যায়?
আরও বিস্ময়কর বাস্তবতা হলো, যখন আওয়ামী লীগ নেতাদের সহজেই ‘ডেভিল’ আখ্যা দেওয়া হয়, তখনই জুলাই মামলায় নাম থাকা আইয়ুব খান নোয়াপাড়া বাড়িতে বসে সংবাদ প্রবাহে প্রভাব বিস্তার করলেও তিনি হয়ে যান ‘নির্দোষ’। ক্ষমতার অনুগত হলেই কি সব দায় মুছে যায়?
জুলাই মামলায় নাম থাকা মাধবপুরের আলোচিত আওয়ামী লীগ নেতা আইয়ুব খান যিনি নিজেকে সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দিয়ে থাকেন, বর্তমানে বিএনপি প্রার্থী এস এম ফয়সাল সাহেবের একান্ত প্রেস সচিব হিসেবে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন। অভিযোগ উঠেছে, তাঁর প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ প্রভাবেই কিছু তথাকথিত সাংবাদিক পরিকল্পিতভাবে ইসলামী ফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থী মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরীর বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্ট ও প্রতিহিংসামূলক প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।
বিশেষ করে সমকালসহ হাতে গোনা কয়েকটি পত্রিকায় একতরফা ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ করা হচ্ছে। ফয়সল পরিবারের আত্মীয়তার সম্পর্ককে রাজনৈতিক অস্ত্রে পরিণত করে এমন সব সংবাদ পরিবেশন করা হচ্ছে, যেখানে প্রতিপক্ষের বক্তব্য নেওয়া তো দূরের কথা, তথ্য যাচাইয়ের ন্যূনতম উদ্যোগও দেখা যাচ্ছে না। এটি সাংবাদিকতার মৌলিক নীতির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
অথচ বাস্তব চিত্র ভিন্ন। চুনারুঘাটে মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরী ও তাঁর কর্মীরা বিএনপি নেতাকর্মীদের দ্বারা লাঞ্ছিত হয়েছেন। তাঁর কর্মীরা একাধিকবার হামলা ও হুমকির শিকার হয়েছেন। এসব ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে এবং কিছু ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তিরা ক্ষমা চাইতেও বাধ্য হয়েছেন।
এই ঘটনাগুলো নিয়ে দেশের মূলধারার প্রায় সব শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যমে অভিন্ন তথ্যভিত্তিক সংবাদ প্রকাশিত হলেও, সমকালসহ কয়েকটি পত্রিকা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সম্পূর্ণ ভিন্ন ও বিভ্রান্তিকর বর্ণনা তুলে ধরছে। সেখানে ভুক্তভোগীকেই ‘গুজব রটনাকারী’ হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে, যা শুধু অনৈতিক নয়, সমাজের জন্যও ঝুঁকিপূর্ণ।
আরও বিস্ময়কর বিষয় হলো, শায়েস্তাগঞ্জে একই ইউনিয়নে দুটি নির্বাচনী অফিস থাকায় প্রশাসন নিয়ম অনুযায়ী একটি অফিস বন্ধ করলে সেটিকে ‘বড় অপরাধ’ হিসেবে ফলাও করে সংবাদ করা হয়েছে। অথচ মাধবপুরের বহরা ইউনিয়নে একই বিএনপি প্রার্থী এস এম ফয়সল সাহেবের দুটি নির্বাচনী অফিস থাকা সত্ত্বেও ওই পত্রিকাগুলোর সেখানে কোনো অনুসন্ধানী সংবাদ চোখে পড়ে না।
এখানেই প্রশ্ন ওঠে আইন কি সবার জন্য সমান, নাকি ক্ষমতার রঙ দেখেই তার প্রয়োগ ও ব্যাখ্যা বদলে যায়?
আরও বিস্ময়কর বাস্তবতা হলো, যখন আওয়ামী লীগ নেতাদের সহজেই ‘ডেভিল’ আখ্যা দেওয়া হয়, তখনই জুলাই মামলায় নাম থাকা আইয়ুব খান নোয়াপাড়া বাড়িতে বসে সংবাদ প্রবাহে প্রভাব বিস্তার করলেও তিনি হয়ে যান ‘নির্দোষ’। ক্ষমতার অনুগত হলেই কি সব দায় মুছে যায়?