জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর শুরু হয়েছে প্রার্থীদের আসনভিত্তিক প্রচারণা ও গ্রুপ সভা। অনেকে দলীয় প্রার্থী আবার কেউবা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন। আসন্ন নির্বাচন উপলক্ষে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা প্রণয়ন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচনী প্রচারণায় প্রার্থীদের কিছু বিষয় অবশ্য পালনীয় রয়েছে। যদিও এরই মধ্যে অনেক প্রার্থী বিধিমালার তোয়াক্কা না করে পোস্টার, ব্যানার, দেয়াল লিখনে ভরে ফেলেছেন। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন থেকে কঠোর বার্তা দেওয়া হয়েছে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রার্থীরা নিজ উদ্যোগে সব পোস্টার, ব্যানার সরিয়ে না ফেললে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেবে। তবে তফসিল ঘোষণার পর ২৪ ঘণ্টা পার হলেও গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত অনেক এলাকায় প্রার্থীদের পোস্টার দেখা গেছে।
বিধিমালার বিধান লঙ্ঘন শাস্তিযোগ্য অপরাধ কোনো প্রার্থী বা তার পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি নির্বাচন পূর্ব সময়ে দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালার কোনো বিধান লঙ্ঘন করলে অনধিক ছয় মাসের কারাদণ্ড অথবা এক লাখ পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে। তা ছাড়া কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল নির্বাচন পূর্ব সময়ে বিধিমালার কোনো বিধান লঙ্ঘন করলে অনধিক এক লাখ ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। সামাজিক মাধ্যমে প্রচারণা বিধি ১৩ক লঙ্ঘিত হলে সেই সময়ে কার্যকর থাকায় ডিজিটাল/সাইবার সুরক্ষা আইনের আওতায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ। প্রার্থী বা তার নির্বাচনী এজেন্ট বিধিমালার কোনো বিধান লঙ্ঘন করলে বা লঙ্ঘনের চেষ্টা করলে বা লঙ্ঘনের চেষ্টা করেছেন এবং অনুরূপ লঙ্ঘনের চেষ্টার জন্য তিনি নির্বাচিত হওয়ার অযোগ্য হতে পারেন। এ বিষয়ে অবগত হলে কমিশন তাৎক্ষণিক তদন্তের নির্দেশ দিতে পারবে। তদন্তে প্রমাণিত হলে নির্বাচিত হলেও সেই প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করতে পারবে ইসি।
নির্বাচনকালীন অনুদান, বরাদ্দ প্রদান নিষিদ্ধ
নির্বাচন-পূর্ব সময়ে কোনো সরকারি সুবিধাভোগী অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি সরকারি বা আধা-সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের তহবিল হতে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী বা প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে কোনো প্রকার অনুদান ঘোষণা বা বরাদ্দ প্রদান বা অর্থ অবমুক্ত করতে পারবে না।
কোনো প্রতিষ্ঠানে চাঁদা, অনুদান প্রদান নিষিদ্ধ
কোনো প্রার্থী কিংবা তার পক্ষ হতে অন্য কোনো ব্যক্তি নির্বাচন-পূর্ব সময়ে ওই প্রার্থীর নির্বাচনী এলাকায় বসবাসকারী কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা ওই এলাকা বা অন্যত্র অবস্থিত কোনো প্রতিষ্ঠানে প্রকাশ্যে বা গোপনে কোনো প্রকার চাঁদা বা অনুদান প্রদান করতে পারবে না বা প্রদানের অঙ্গীকার করতে পারবে না।
সার্কিট হাউস, ডাকবাংলো ইত্যাদি ব্যবহার
সরকারি ডাকবাংলো, রেস্ট হাউস, সার্কিট হাউস বা কোনো সরকারি কার্যালয়কে কোনো দল বা প্রার্থীর পক্ষে বা বিপক্ষে প্রচারের স্থান হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।
জনসভার অনুমতি গ্রহণ
জনসভার দিন, সময় ও স্থান সম্পর্কে যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে লিখিত অনুমতি গ্রহণ করতে হবে।
পুলিশ বিভাগকে অবহিতকরণ
জনসভা করতে চাইলে প্রস্তাবিত সভার কমপক্ষে ২৪ ঘণ্টা আগে তার স্থান এবং সময় সম্পর্কে স্থানীয় পুলিশ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে হবে। যাতে ওই স্থানে চলাচল ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য পুলিশ বিভাগ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে।
চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি
জনগণের চলাচলের বিঘ্ন সৃষ্টি করতে পারে- এমন কোনো সড়কে জনসভা কিংবা পথসভা করতে পারবে না এবং তাদের পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি অনুরূপভাবে জনসভা পথসভা করতে পারবে না।
লিফলেট, ব্যানার সম্পর্কে বিধি
নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যবহৃত ব্যানার সাদা-কালো রঙের ও আয়তন অনধিক ১০ ফুট, ৪ ফুট হতে হবে এবং লিফলেট অনধিক এফোর সাইজ হবে। ব্যানার, লিফলেট, হ্যান্ডবিল, ফেস্টুন এ প্রার্থী তার প্রতীক ও নিজের ছবি ব্যতীত অন্য কোনো ব্যক্তির ছবি বা প্রতীক ছাপাতে পারবে না। তবে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থী কেবল তার দলীয় প্রধানের ছবি ব্যানার, লিফলেট ও ফেস্টুনে ছাপাতে পারবে।
যানবাহন ব্যবহার সংক্রান্ত বাধা নিষেধ
কোনো ট্রাক, বাস, মোটরসাইকেল, নৌ-যান, ট্রেন কিংবা অন্য কোনো যান্ত্রিক যানবাহন সহকারে মশাল নিয়ে কোনো মিছিল জনসভা কিংবা শোডাউন করতে পারবে না। এ ছাড়া মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় কোনো প্রকার মিছিল কিংবা শোডাইন করবে পারবে না। রিটার্নিং অফিসারের নিকট মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় প্রার্থী বা তাঁর প্রতিনিধি পাঁচজনের অধিক যেতে পারবে না।? নির্বাচনী প্রচার কার্যে হেলিকপ্টার বা অন্য কোনো আকাশযান ব্যবহার করা যাবে না। তবে দলীয় প্রধানের যাতায়াতের জন্য ব্যবহার করতে পারবে কিন্তু যাতায়াতের সময় হেলিকপ্টার হতে লিফলেট ব্যানার বা অন্য প্রচার সামগ্রী প্রদর্শন বা বিতরণ করতে পারবেন না।
দেয়াল লিখন সংক্রান্ত বাধানিষেধ
কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল কিংবা তার মনোনীত প্রার্থী বা স্বতন্ত্র প্রার্থী কিংবা তাদের পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি দেয়ালে লেখে কোনো প্রকার নির্বাচনী প্রচার চালাতে পারবে না। কালি বা রঙ দ্বারা বা অন্য কোনোভাবে দেয়াল ছাড়াও কোনো দালান, থাম, বাড়ি বা ঘরের ছাদ, সেতু সড়ক দ্বীপ রোড ডিভাইডার যানবাহন বা অন্য কোনো স্থাপনায় প্রচারণামূলক কোনো লেখা বা অংকন করতে পারবে না।
প্রতীক হিসেবে জীবন্ত প্রাণী ব্যবহার সংক্রান্ত বাধানিষেধ
নির্বাচনী প্রচারের ক্ষেত্রে প্রতীক হিসেবে জীবন্ত প্রাণী ব্যবহার করা যাবে না। প্রতিপক্ষ, সংখ্যালঘু বা অন্য কোনো জনগোষ্ঠীকে লক্ষ্য করে ঘৃণাত্মক বক্তব্য, ব্যক্তিগত আক্রমণ বা উসকানিমূলক ভাষা ব্যবহার করা যাবে না। নির্বাচনী স্বার্থ হাসিল করার জন্য ধর্মীয় বা জাতিগত অনুভূতির অপব্যবহার নিষিদ্ধ।
কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি বা সদস্য হিসেবে নির্বাচিত বা মনোনীত হয়ে থাকলে নির্বাচনী প্রচারের সময়কাল শুরু হওয়ার আগেই পদত্যাগ করতে হবে। কোনো প্রার্থী তাঁর নির্বাচনী এলাকায় সরকারি উন্নয়ন কর্মসূচিতে কর্তৃত্ব করতে পারবে না।
নির্বাচনী ব্যয়সীমা সংক্রান্ত বাধানিষেধ
নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল কিংবা তার মনোনীত প্রার্থী বা স্বতন্ত্র প্রার্থী কিংবা তাদের পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি নির্বাচনী বিষয়ক সামাজিক মাধ্যমে কনটেন্ট তৈরি, বিজ্ঞাপন প্রদান, বুস্টিং ও স্পন্সরশিপসহ সব প্রচারণা ব্যয়ের শিরোনামে সামগ্রিক নির্বাচনী ব্যয়ের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনে দাখিল করতে হবে। সামাজিক মাধ্যমে প্রচার অভিযানে বিদেশি অর্থায়নে বিজ্ঞাপন বা প্রচারণা কার্যক্রম চালাতে পারবে না।
নির্বাচনী ইশতেহার/ ঘোষণা পাঠ, আচরণবিধি প্রতিপালনের ঘোষণা
প্রতীক বরাদ্দের পর পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সৌহার্দপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচনী প্রচারণার উদ্দেশ্যে রিটার্নিং অফিসার/সহকারী রিটার্নিং অফিসার একই মঞ্চে সব প্রার্থীর উপস্থিতিতে তাদের নির্বাচনী ইশতেহার/ ঘোষণাপত্র এবং আচরণবিধি প্রতিপালনের ঘোষণা প্রদান করতে পারবেন।
নির্বাচনী সভার ২৪ ঘণ্টা আগে পুলিশকে জানাতে হবে
নির্বাচনী সভার ২৪ ঘণ্টা আগে পুলিশকে জানাতে হবে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর শুরু হয়েছে প্রার্থীদের আসনভিত্তিক প্রচারণা ও গ্রুপ সভা। অনেকে দলীয় প্রার্থী আবার কেউবা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন। আসন্ন নির্বাচন উপলক্ষে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা প্রণয়ন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচনী প্রচারণায় প্রার্থীদের কিছু বিষয় অবশ্য পালনীয় রয়েছে। যদিও এরই মধ্যে অনেক প্রার্থী বিধিমালার তোয়াক্কা না করে পোস্টার, ব্যানার, দেয়াল লিখনে ভরে ফেলেছেন। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন থেকে কঠোর বার্তা দেওয়া হয়েছে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রার্থীরা নিজ উদ্যোগে সব পোস্টার, ব্যানার সরিয়ে না ফেললে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেবে। তবে তফসিল ঘোষণার পর ২৪ ঘণ্টা পার হলেও গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত অনেক এলাকায় প্রার্থীদের পোস্টার দেখা গেছে।বিধিমালার বিধান লঙ্ঘন শাস্তিযোগ্য অপরাধ কোনো প্রার্থী বা তার পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি নির্বাচন পূর্ব সময়ে দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালার কোনো বিধান লঙ্ঘন করলে অনধিক ছয় মাসের কারাদণ্ড অথবা এক লাখ পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে। তা ছাড়া কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল নির্বাচন পূর্ব সময়ে বিধিমালার কোনো বিধান লঙ্ঘন করলে অনধিক এক লাখ ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। সামাজিক মাধ্যমে প্রচারণা বিধি ১৩ক লঙ্ঘিত হলে সেই সময়ে কার্যকর থাকায় ডিজিটাল/সাইবার সুরক্ষা আইনের আওতায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ। প্রার্থী বা তার নির্বাচনী এজেন্ট বিধিমালার কোনো বিধান লঙ্ঘন করলে বা লঙ্ঘনের চেষ্টা করলে বা লঙ্ঘনের চেষ্টা করেছেন এবং অনুরূপ লঙ্ঘনের চেষ্টার জন্য তিনি নির্বাচিত হওয়ার অযোগ্য হতে পারেন। এ বিষয়ে অবগত হলে কমিশন তাৎক্ষণিক তদন্তের নির্দেশ দিতে পারবে। তদন্তে প্রমাণিত হলে নির্বাচিত হলেও সেই প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করতে পারবে ইসি।নির্বাচনকালীন অনুদান, বরাদ্দ প্রদান নিষিদ্ধনির্বাচন-পূর্ব সময়ে কোনো সরকারি সুবিধাভোগী অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি সরকারি বা আধা-সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের তহবিল হতে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী বা প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে কোনো প্রকার অনুদান ঘোষণা বা বরাদ্দ প্রদান বা অর্থ অবমুক্ত করতে পারবে না।কোনো প্রতিষ্ঠানে চাঁদা, অনুদান
প্রদান নিষিদ্ধকোনো প্রার্থী কিংবা তার পক্ষ হতে অন্য কোনো ব্যক্তি নির্বাচন-পূর্ব সময়ে ওই প্রার্থীর নির্বাচনী এলাকায় বসবাসকারী কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা ওই এলাকা বা অন্যত্র অবস্থিত কোনো প্রতিষ্ঠানে প্রকাশ্যে বা গোপনে কোনো প্রকার চাঁদা বা অনুদান প্রদান করতে পারবে না বা প্রদানের অঙ্গীকার করতে পারবে না।সার্কিট হাউস, ডাকবাংলো ইত্যাদি ব্যবহারসরকারি ডাকবাংলো, রেস্ট হাউস, সার্কিট হাউস বা কোনো সরকারি কার্যালয়কে কোনো দল বা প্রার্থীর পক্ষে বা বিপক্ষে প্রচারের স্থান হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।জনসভার অনুমতি গ্রহণজনসভার দিন, সময় ও স্থান সম্পর্কে যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে লিখিত অনুমতি গ্রহণ করতে হবে।পুলিশ বিভাগকে অবহিতকরণজনসভা করতে চাইলে প্রস্তাবিত সভার কমপক্ষে ২৪ ঘণ্টা আগে তার স্থান এবং সময় সম্পর্কে স্থানীয় পুলিশ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে হবে। যাতে ওই স্থানে চলাচল ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য পুলিশ বিভাগ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে।চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টিজনগণের চলাচলের বিঘ্ন সৃষ্টি করতে পারে- এমন কোনো সড়কে জনসভা কিংবা পথসভা করতে পারবে না এবং তাদের পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি অনুরূপভাবে জনসভা পথসভা করতে পারবে না।লিফলেট, ব্যানার সম্পর্কে বিধিনির্বাচনী প্রচারণায় ব্যবহৃত ব্যানার সাদা-কালো রঙের ও আয়তন অনধিক ১০ ফুট, ৪ ফুট হতে হবে এবং লিফলেট অনধিক এফোর সাইজ হবে। ব্যানার, লিফলেট, হ্যান্ডবিল, ফেস্টুন এ প্রার্থী তার প্রতীক ও নিজের ছবি ব্যতীত অন্য কোনো ব্যক্তির ছবি বা প্রতীক ছাপাতে পারবে না। তবে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থী কেবল তার দলীয় প্রধানের ছবি ব্যানার, লিফলেট ও ফেস্টুনে ছাপাতে পারবে।যানবাহন ব্যবহার সংক্রান্ত বাধা নিষেধকোনো ট্রাক, বাস, মোটরসাইকেল, নৌ-যান, ট্রেন কিংবা অন্য কোনো যান্ত্রিক যানবাহন সহকারে মশাল নিয়ে কোনো মিছিল জনসভা কিংবা শোডাউন করতে পারবে না। এ ছাড়া মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় কোনো প্রকার মিছিল কিংবা শোডাইন করবে পারবে না। রিটার্নিং অফিসারের নিকট মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় প্রার্থী বা তাঁর প্রতিনিধি পাঁচজনের অধিক যেতে পারবে না।? নির্বাচনী প্রচার কার্যে হেলিকপ্টার বা অন্য কোনো আকাশযান ব্যবহার করা
যাবে না। তবে দলীয় প্রধানের যাতায়াতের জন্য ব্যবহার করতে পারবে কিন্তু যাতায়াতের সময় হেলিকপ্টার হতে লিফলেট ব্যানার বা অন্য প্রচার সামগ্রী প্রদর্শন বা বিতরণ করতে পারবেন না।দেয়াল লিখন সংক্রান্ত বাধানিষেধকোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল কিংবা তার মনোনীত প্রার্থী বা স্বতন্ত্র প্রার্থী কিংবা তাদের পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি দেয়ালে লেখে কোনো প্রকার নির্বাচনী প্রচার চালাতে পারবে না। কালি বা রঙ দ্বারা বা অন্য কোনোভাবে দেয়াল ছাড়াও কোনো দালান, থাম, বাড়ি বা ঘরের ছাদ, সেতু সড়ক দ্বীপ রোড ডিভাইডার যানবাহন বা অন্য কোনো স্থাপনায় প্রচারণামূলক কোনো লেখা বা অংকন করতে পারবে না।প্রতীক হিসেবে জীবন্ত প্রাণী ব্যবহার সংক্রান্ত বাধানিষেধনির্বাচনী প্রচারের ক্ষেত্রে প্রতীক হিসেবে জীবন্ত প্রাণী ব্যবহার করা যাবে না। প্রতিপক্ষ, সংখ্যালঘু বা অন্য কোনো জনগোষ্ঠীকে লক্ষ্য করে ঘৃণাত্মক বক্তব্য, ব্যক্তিগত আক্রমণ বা উসকানিমূলক ভাষা ব্যবহার করা যাবে না। নির্বাচনী স্বার্থ হাসিল করার জন্য ধর্মীয় বা জাতিগত অনুভূতির অপব্যবহার নিষিদ্ধ।কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি বা সদস্য হিসেবে নির্বাচিত বা মনোনীত হয়ে থাকলে নির্বাচনী প্রচারের সময়কাল শুরু হওয়ার আগেই পদত্যাগ করতে হবে। কোনো প্রার্থী তাঁর নির্বাচনী এলাকায় সরকারি উন্নয়ন কর্মসূচিতে কর্তৃত্ব করতে পারবে না।নির্বাচনী ব্যয়সীমা সংক্রান্ত বাধানিষেধনিবন্ধিত রাজনৈতিক দল কিংবা তার মনোনীত প্রার্থী বা স্বতন্ত্র প্রার্থী কিংবা তাদের পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি নির্বাচনী বিষয়ক সামাজিক মাধ্যমে কনটেন্ট তৈরি, বিজ্ঞাপন প্রদান, বুস্টিং ও স্পন্সরশিপসহ সব প্রচারণা ব্যয়ের শিরোনামে সামগ্রিক নির্বাচনী ব্যয়ের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনে দাখিল করতে হবে। সামাজিক মাধ্যমে প্রচার অভিযানে বিদেশি অর্থায়নে বিজ্ঞাপন বা প্রচারণা কার্যক্রম চালাতে পারবে না।নির্বাচনী ইশতেহার/ ঘোষণা পাঠ, আচরণবিধি প্রতিপালনের ঘোষণাপ্রতীক বরাদ্দের পর পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সৌহার্দপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচনী প্রচারণার উদ্দেশ্যে রিটার্নিং অফিসার/সহকারী রিটার্নিং অফিসার একই মঞ্চে সব প্রার্থীর উপস্থিতিতে তাদের নির্বাচনী ইশতেহার/ ঘোষণাপত্র এবং আচরণবিধি প্রতিপালনের ঘোষণা প্রদান করতে পারবেন।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত