অনুপ সিংহ,নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ
নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়াতে ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে সাগরে জেলেদের জালে ঝাঁকে ঝাঁকে ধরা পড়ছে ইলিশ।
একই নৌকায় ধরা পড়েছে ছোট-বড় মিলিয়ে ৯৯ মণ ইলিশ। জালভর্তি মাছ পাওয়ায় জেলেদের মুখে হাসি। এ যেন স্বপ্নের যাত্রা শেষে সোনার হরিণ পাওয়া।
গতকাল মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) সন্ধ্যায় পরে হাতিয়ার চেয়ারম্যান ঘাটে মাছগুলো নিলাম করলে চেয়ারম্যান ঘাটের স্থানীয় মেঘনা ফিশিংয়ে ২৩ লাখ ২৬ হাজার ৫০০ টাকায় কিনে নেন।
জেলে আবুল কাশেম বলেন, ১০-১৫জন জেলে গতকাল সোমবার গভীর রাত থেকে ইলিশ ধরতে মা-বাবার দোয়া-৩’ নামের একটি মাছ ধরার নৌকা নিয়ে সাগরে জাল ফেলেন। জাল টেনে নৌকায় তুলতেই দেখতে পান, অনেকগুলো বড় ইলিশ এবং একই সঙ্গে ছোট ইলিশও ধরা পড়েছে। এক নৌকায় আগে কখনো এত মাছ পাওয়া যায়নি। ঘাটে আসার সঙ্গে সঙ্গে মাছ দেখতে অনেক মানুষ ভিড় জমিয়েছে। পরে মেঘনা মেঘনা ফিশিং সব মাছ গুলো নিলামে কিনে নেন।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন বলেন, সামনে আরও বেশি মাছ ধরা পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রজনন মৌসুমসহ সরকারি বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা মেনে চলায় স্থানীয় জেলেরা উপকৃত হচ্ছেন। এ কারণে নদী ও সাগরে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের বংশবিস্তার বেড়েছে। যার ফলে প্রচুর মাছ ধরা পড়ছে।
নিষেধাজ্ঞার শুফল পাচ্ছে জেলেরা!এক নৌকায় ২৩ লাখ টাকার ইলিশ
নিষেধাজ্ঞার শুফল পাচ্ছে জেলেরা!এক নৌকায় ২৩ লাখ টাকার ইলিশ
অনুপ সিংহ,নোয়াখালী প্রতিনিধিঃনোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়াতে ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে সাগরে জেলেদের জালে ঝাঁকে ঝাঁকে ধরা পড়ছে ইলিশ। একই নৌকায় ধরা পড়েছে ছোট-বড় মিলিয়ে ৯৯ মণ ইলিশ। জালভর্তি মাছ পাওয়ায় জেলেদের মুখে হাসি। এ যেন স্বপ্নের যাত্রা শেষে সোনার হরিণ পাওয়া। গতকাল মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) সন্ধ্যায় পরে হাতিয়ার চেয়ারম্যান ঘাটে মাছগুলো নিলাম করলে চেয়ারম্যান ঘাটের স্থানীয় মেঘনা ফিশিংয়ে ২৩ লাখ ২৬
হাজার ৫০০ টাকায় কিনে নেন। জেলে আবুল কাশেম বলেন, ১০-১৫জন জেলে গতকাল সোমবার গভীর রাত থেকে ইলিশ ধরতে মা-বাবার দোয়া-৩’ নামের একটি মাছ ধরার নৌকা নিয়ে সাগরে জাল ফেলেন। জাল টেনে নৌকায় তুলতেই দেখতে পান, অনেকগুলো বড় ইলিশ এবং একই সঙ্গে ছোট ইলিশও ধরা পড়েছে। এক নৌকায় আগে কখনো এত মাছ পাওয়া যায়নি। ঘাটে আসার সঙ্গে সঙ্গে মাছ দেখতে অনেক
মানুষ ভিড় জমিয়েছে। পরে মেঘনা মেঘনা ফিশিং সব মাছ গুলো নিলামে কিনে নেন। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন বলেন, সামনে আরও বেশি মাছ ধরা পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রজনন মৌসুমসহ সরকারি বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা মেনে চলায় স্থানীয় জেলেরা উপকৃত হচ্ছেন। এ কারণে নদী ও সাগরে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের বংশবিস্তার বেড়েছে। যার ফলে প্রচুর মাছ ধরা পড়ছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত