নওগাঁয় মদ খেয়ে মাতাল অবস্থায় ৩ জন যুবক এক গৃহবধূ (২৪) কে গন-ধর্ষণের চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ ওঠেছে। ঘটনার পর থেকে ধর্ষণ চেষ্টাকারিদের হুমকির মুখে দরিদ্র পরিবারের ঐ গৃহবধূ আতঙ্কে দিবারাত্রী পার করছেন এমনকি তাদের ভঁয়ে আইনি আশ্রয় নিতে থানায় যেতেও ভঁয় পাচ্ছেন সেই গৃহবধূ। সম্পতি মাদক সেবি কর্তৃক নাক্কার জনক গনধর্ষণ চেষ্টার এ ঘটনাটি ঘটেছে নওগাঁর মহাদেবপুর থানাধীন দক্ষিন লক্ষিপুর গ্রামে।
ভুক্তভোগী গৃহবধূ প্রতিবেদককে জানান, আমি একজন নব-মুসলিম প্রায় ৫-৬ বছর আগে আমি ইসলাম ধর্ম গ্রহণকরি পরবর্তীতে ইসলামি শরীয়ত মোতাবেক বিবাহ হয় আমার জানিয়ে বলেন, ঘটনার দিন গত সোমবার ২৯ শে সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে আমার ভ্যান চালক স্বামী রিজার্ভ ভাড়া যাত্রী বহন করায় রাতে বাড়িতে ছিলেন না।
সেই সুযোগে ঐ রাত আনুমানিক সারে ১১ টারদিকে দক্ষিন লক্ষিপুর গ্রামের মৃত দীজেন চন্দ্র মন্ডলের ছেলে শ্যামা চন্দ্র মন্ডল (২৮), অরুনের ছেলে বরুন চন্দ্র ওরফে গোল্লা (২৬) ও ভুট্টুর ছেলে ইউনুচ (২৬) মদ খেয়ে মাতাল অবস্থায় আমার বাড়িতে গিয়ে প্রথমে দরজা খুলে দিতে বলে আমি রাতে দরজা খুলতে না চাইলে তারা বলে আজ তোকে নিয়ে আমরা খেলতে চায় দরজা না খুললে দরজা ভেঙ্গে ঘরে ঢুকে তোকে আজ আমরা মজা দিব ধর্ষণ করিব বলেই তারা আমার ঘরের টিনের দরজা ভেঙ্গে ঘরে ঢোকার চেষ্টা করার সময় রাস্তাদিয়ে মোটরসাইকেল যাওয়ার শব্দ পায়।
মোটরসাইকেল যাওয়াতে তারা চলে গেছে মনে করে নিজের নিরাপত্তার কথা ভেবে প্রতিবেশির বাড়িতে যাওয়ার জন্য আমি দরজা খোলামাত্র তারা ৩ জন মাতাল অবস্থায় আমাকে ঝাপটে ধরে মাটিতে ফেলে মুখ চেপে ধরে আমাকে ধর্ষণের জন্য অনেক সময় ধরে ধস্তাধস্তি করাকালে আবারও একটি মোটরসাইকেল রাস্তায় আসলে তারা আমাকে ছেরেদিয়ে বাড়ির পেছন দিকে লুকিয়ে পড়ে এসময় আমি আমার ইজ্জত বাঁচাতে আতঙ্কিত হয়ে ধান ক্ষেতের ভেতর দিয়ে ইউনুচ এর বাড়িতে গিয়ে তার বাবা ও মাকে ঢেকে ঘটনাটি জানালে তারা রাতেই আমাকে সাথেনিয়ে আমার বাড়িতে এসে দেখতে পান ৩ জনই আমার বাড়ির সামনে রাস্তায় মাতাল অবস্থায় বসে আছেন। এসময় ইউনুচের বাবা ও মা আমাকে বলে তুমি বাড়িতে থাকলে তোমার ক্ষতি করতে পারে এজন্য তুমি আজ রাতে আমাদের বাড়িতে গিয়ে থাক বলে তারা আমাকে তাদের বাড়িতে রাতে রাখেন।
ঐ রাতেই সেই বাড়িতে শ্যামা চন্দ্র মন্ডল গিয়ে জানালা দিয়ে আমাকে বলে আজ তোকে আমরা মজা দিব ধর্ষণ করব তুই বের হয়ে আয় আজ না এলে যে কোন দিন তোকে আমরা ধর্ষণ করে মজা দিব ও আমরাও মজা নিব, কে বাঁচাবে বলে চলে যায়। পরেদিন সকালে আমি আমার বাড়িতে চলে আসি এবং আইনি সহায়তা নিতে থানায় যেতে চাই এরপর থেকে তারা আমাকে হুমকি দিচ্ছে যদি থানায় যাস বা এব্যাপারে কাউকে আর বলিস তাহলে প্রথমে তোকে ধর্ষণ করার পর শেষ করে দিব। আমার বাড়ি একটু ফাঁকা স্থানে হওয়ায় আমি তাদের ভঁয়ে না পারছি আইনের আশ্রয় নিতে না পারছি থানায় যেতে।
এজন্য আমি আমার বাড়ি ছেড়ে সারাদিন প্রতিবেশীদের কাছে থাকছি এবং স্বামী সারাদিন ভ্যান চালিয়ে রাতে ফেরার পর স্বামীর সাথে বাড়িতে এসে থাকি আমি এখন নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে রয়েছি আমি ন্যায় বিচার চায় আপনাদের মাধ্যমে বলেও আকুতি জানান নির্যাতনের শিকার গৃহবধূ। এব্যাপারে স্থানিয় ইউপি সদস্য (মেম্বার) দয়াল চন্দ্র পাল বলেন, ঘটনাটি স্থানিয়রা জানিয়ে আপোস - মিমাংসার কথা বলেছিল তবে নারী নির্যাতন ঘটনা হওয়ায় আমি আর সেখানে যায়নি।
গ্রামের জসিম সহ বেশ কয়েকজন বলেন, দরিদ্র ভ্যান চালকের স্ত্রীকে গণ-ধর্ষণের চেষ্টার ঘটনাটি শুনেছি যারা এঘটনার চেষ্টা করেছে তারা ৩ জনই নিয়মিত মাদক সেবন করে মাতাল অবস্থায় থাকে, এজন্য যে কোন সময় ঐ গৃহবধূর ক্ষতি করতে পারে। অপরদিকে ঘটনার খবর পেয়ে প্রতিবেদক ঘটনাস্থলে পৌছে ভুক্তভোগী গৃহবধূর বক্তব্য সহ সংবাদ প্রকাশের জন্য বৃহস্পতিবার সন্ধার আগে তথ্য সংগ্রহ করে আসার পর থেকে অভিযুক্ত ৩ যুবকের পক্ষের কয়েক জন সংবাদ প্রকাশ না করার জন্য প্রতিবেদককে টাকার বিনিময়ে ম্যানেজ করার অপ-চেষ্টা চালিয়ে বার্থ হয়।
ভুক্তভোগী গৃহবধূ প্রতিবেদককে জানান, আমি একজন নব-মুসলিম প্রায় ৫-৬ বছর আগে আমি ইসলাম ধর্ম গ্রহণকরি পরবর্তীতে ইসলামি শরীয়ত মোতাবেক বিবাহ হয় আমার জানিয়ে বলেন, ঘটনার দিন গত সোমবার ২৯ শে সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে আমার ভ্যান চালক স্বামী রিজার্ভ ভাড়া যাত্রী বহন করায় রাতে বাড়িতে ছিলেন না।
সেই সুযোগে ঐ রাত আনুমানিক সারে ১১ টারদিকে দক্ষিন লক্ষিপুর গ্রামের মৃত দীজেন চন্দ্র মন্ডলের ছেলে শ্যামা চন্দ্র মন্ডল (২৮), অরুনের ছেলে বরুন চন্দ্র ওরফে গোল্লা (২৬) ও ভুট্টুর ছেলে ইউনুচ (২৬) মদ খেয়ে মাতাল অবস্থায় আমার বাড়িতে গিয়ে প্রথমে দরজা খুলে দিতে বলে আমি রাতে দরজা খুলতে না চাইলে তারা বলে আজ তোকে নিয়ে আমরা খেলতে চায় দরজা না খুললে দরজা ভেঙ্গে ঘরে ঢুকে তোকে আজ আমরা মজা দিব ধর্ষণ করিব বলেই তারা আমার ঘরের টিনের দরজা ভেঙ্গে ঘরে ঢোকার চেষ্টা করার সময় রাস্তাদিয়ে মোটরসাইকেল যাওয়ার শব্দ পায়।
মোটরসাইকেল যাওয়াতে তারা চলে গেছে মনে করে নিজের নিরাপত্তার কথা ভেবে প্রতিবেশির বাড়িতে যাওয়ার জন্য আমি দরজা খোলামাত্র তারা ৩ জন মাতাল অবস্থায় আমাকে ঝাপটে ধরে মাটিতে ফেলে মুখ চেপে ধরে আমাকে ধর্ষণের জন্য অনেক সময় ধরে ধস্তাধস্তি করাকালে আবারও একটি মোটরসাইকেল রাস্তায় আসলে তারা আমাকে ছেরেদিয়ে বাড়ির পেছন দিকে লুকিয়ে পড়ে এসময় আমি আমার ইজ্জত বাঁচাতে আতঙ্কিত হয়ে ধান ক্ষেতের ভেতর দিয়ে ইউনুচ এর বাড়িতে গিয়ে তার বাবা ও মাকে ঢেকে ঘটনাটি জানালে তারা রাতেই আমাকে সাথেনিয়ে আমার বাড়িতে এসে দেখতে পান ৩ জনই আমার বাড়ির সামনে রাস্তায় মাতাল অবস্থায় বসে আছেন। এসময় ইউনুচের বাবা ও মা আমাকে বলে তুমি বাড়িতে থাকলে তোমার ক্ষতি করতে পারে এজন্য তুমি আজ রাতে আমাদের বাড়িতে গিয়ে থাক বলে তারা আমাকে তাদের বাড়িতে রাতে রাখেন।
ঐ রাতেই সেই বাড়িতে শ্যামা চন্দ্র মন্ডল গিয়ে জানালা দিয়ে আমাকে বলে আজ তোকে আমরা মজা দিব ধর্ষণ করব তুই বের হয়ে আয় আজ না এলে যে কোন দিন তোকে আমরা ধর্ষণ করে মজা দিব ও আমরাও মজা নিব, কে বাঁচাবে বলে চলে যায়। পরেদিন সকালে আমি আমার বাড়িতে চলে আসি এবং আইনি সহায়তা নিতে থানায় যেতে চাই এরপর থেকে তারা আমাকে হুমকি দিচ্ছে যদি থানায় যাস বা এব্যাপারে কাউকে আর বলিস তাহলে প্রথমে তোকে ধর্ষণ করার পর শেষ করে দিব। আমার বাড়ি একটু ফাঁকা স্থানে হওয়ায় আমি তাদের ভঁয়ে না পারছি আইনের আশ্রয় নিতে না পারছি থানায় যেতে।
এজন্য আমি আমার বাড়ি ছেড়ে সারাদিন প্রতিবেশীদের কাছে থাকছি এবং স্বামী সারাদিন ভ্যান চালিয়ে রাতে ফেরার পর স্বামীর সাথে বাড়িতে এসে থাকি আমি এখন নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে রয়েছি আমি ন্যায় বিচার চায় আপনাদের মাধ্যমে বলেও আকুতি জানান নির্যাতনের শিকার গৃহবধূ। এব্যাপারে স্থানিয় ইউপি সদস্য (মেম্বার) দয়াল চন্দ্র পাল বলেন, ঘটনাটি স্থানিয়রা জানিয়ে আপোস - মিমাংসার কথা বলেছিল তবে নারী নির্যাতন ঘটনা হওয়ায় আমি আর সেখানে যায়নি।
গ্রামের জসিম সহ বেশ কয়েকজন বলেন, দরিদ্র ভ্যান চালকের স্ত্রীকে গণ-ধর্ষণের চেষ্টার ঘটনাটি শুনেছি যারা এঘটনার চেষ্টা করেছে তারা ৩ জনই নিয়মিত মাদক সেবন করে মাতাল অবস্থায় থাকে, এজন্য যে কোন সময় ঐ গৃহবধূর ক্ষতি করতে পারে। অপরদিকে ঘটনার খবর পেয়ে প্রতিবেদক ঘটনাস্থলে পৌছে ভুক্তভোগী গৃহবধূর বক্তব্য সহ সংবাদ প্রকাশের জন্য বৃহস্পতিবার সন্ধার আগে তথ্য সংগ্রহ করে আসার পর থেকে অভিযুক্ত ৩ যুবকের পক্ষের কয়েক জন সংবাদ প্রকাশ না করার জন্য প্রতিবেদককে টাকার বিনিময়ে ম্যানেজ করার অপ-চেষ্টা চালিয়ে বার্থ হয়।