শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টারঃ
নওগাঁয় মাত্র দু' বছর বয়সি এক শিশু সন্তানের মা গৃহবধূ'র মৃত্যু, স্বামী সহ পালিয়েছে পরিবারের লোকজন। মৃত্যু বরণকারী গৃহবধূ রিমা আক্তার রুমা (২১)
নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার
দক্ষিণ আন্ধারকোঠা গ্রামের সুমন এর স্ত্রী। তাদের রিমন হোসেন নামে মাত্র দু' বছর বয়সি এক ছেলে সন্তান রয়েছে। এঘটনায় গৃহবধূ রিমা আক্তার রুমা'র বাবা বাদি হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
জানা গেছে, শুক্রবার ১১ নভেম্বর সন্ধার পর গৃহবধূ রিমা আক্তার রুমাকে গুরুতর অবস্থায় তার স্বামী সহ স্বামীর বাড়ির স্বজনরা নওগাঁ ২৫০ শয্যা সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক রিমা আক্তার রুমাকে মৃত ঘোষনা করে বলেন হাসপাতালে নেওয়ার পূর্বে তার মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর বিষয় জানার পরই গৃহবধূ রিমা আক্তার রুমা'র মৃতদেহ হাসপাতালে রেখেই হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তার স্বামীসহ স্বজনরা। এক পর্যায়ে মেয়ে হাসপাতালে আছেন এমন খবর পেয়ে নওগাঁ সদর উপজেলার কুমুরিয়া গ্রাম থেকে হাসপাতালে ছুটে আসেন রিমা আক্তার রিমা'র বাবা মা সহ স্বজনরা। হাসপাতালে এসে তারা তাদের মেয়েকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। স্বজনদের অভিযোগ যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূ রিমা আক্তার রুমাকে তার স্বামী শ্বশুর ও শাশুড়ি মাঝে মাঝেই নির্যাতন করতো। এসময় তারা অভিযোগ করেন, রিমা আক্তার রুমাকে মারপিট 'নির্যাতন' করে মারার পর গলায় ওড়না'র ফাঁস লাগিয়ে ঝুলিয়ে রেখে এবং পরবর্তীতে হাসপাতালে এনে ঘটনাটি ভিন্ন খাতে নিতে অপচেষ্টা করেছে তার স্বামী, শ্বশুর সহ স্বজনরা।
গৃহবধূ রিমা আক্তার রুমার স্বামীর বাড়ি দক্ষিন আন্ধারকোঠা গ্রামের বেশ কয়েক জন তাদের নাম-পরিচয় গোপন রাখার শর্তে প্রতিবেদককে জানান, রিমা আক্তার রুমার স্বামী সুমন একজন মাদক সেবি। সে মাঝে মাঝেই তার স্ত্রীকে মারপিট করতো, এমনকি ঘটনার দিনও হাসপাতালে নেওয়ার পূর্বেও তাকে মারপিট করা হয় জানিয়ে তারা বলেন, প্রশাসন তদন্ত করলে সত্য ঘটনা উদর্ঘাটন হবে।
অপরদিকে হত্যার অভিযোগ অস্বিকার করে নিহত গৃহবধূ রিমা আক্তার রুমা'র চাচা শ্বশুর দক্ষিন আন্ধারকোঠা গ্রামের হারুন অর রশিদ (৪৫) প্রতিবেদক কে জানান, ঘটনার দিন বা সময় তার ভাইস্তা বউ নিজ শয়ন ঘড়ের ভেতর ফ্যানের সাথে গলায় ওড়না পেচিয়ে ঝুলছিলো, দেখতে পেয়ে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এসময় প্রতিবেশি নারী সহ অপর একজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ঘটনার দিন স্বামী-স্ত্রী বিবাদের এক পর্যায়ে রিমা আক্তার রুমাকে তার স্বামী নির্যাতন করেন। এর পরই তারা হৈ চৈ করেন এবং হাসপাতালে নিয়ে যান।
এঘটনায় ঐ দিন রাতেই রিমা আক্তার রুমার বাবা ইলিয়াস কবিরাজ বাদী হয়ে মহাদেবপুর থানায় রিমা আক্তার রুমার স্বামী সহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন।
মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা এস আই জিয়াউর রহমান জানান, তদন্ত পূর্বক জড়ীতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নওগাঁয় গৃহবধূ'র মৃত্যু, স্বামী সহ পরিবারের লোকজন পলাতক
নওগাঁয় গৃহবধূ'র মৃত্যু, স্বামী সহ পরিবারের লোকজন পলাতক
শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টারঃনওগাঁয় মাত্র দু' বছর বয়সি এক শিশু সন্তানের মা গৃহবধূ'র মৃত্যু, স্বামী সহ পালিয়েছে পরিবারের লোকজন। মৃত্যু বরণকারী গৃহবধূ রিমা আক্তার রুমা (২১)নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলারদক্ষিণ আন্ধারকোঠা গ্রামের সুমন এর স্ত্রী। তাদের রিমন হোসেন নামে মাত্র দু' বছর বয়সি এক ছেলে সন্তান রয়েছে। এঘটনায় গৃহবধূ রিমা আক্তার রুমা'র বাবা বাদি হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছেন।জানা গেছে, শুক্রবার ১১ নভেম্বর সন্ধার পর গৃহবধূ রিমা আক্তার রুমাকে গুরুতর অবস্থায় তার স্বামী সহ স্বামীর বাড়ির স্বজনরা নওগাঁ ২৫০ শয্যা সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক রিমা আক্তার রুমাকে মৃত ঘোষনা করে বলেন হাসপাতালে নেওয়ার পূর্বে তার মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর বিষয় জানার পরই গৃহবধূ রিমা আক্তার রুমা'র মৃতদেহ হাসপাতালে রেখেই হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তার স্বামীসহ স্বজনরা। এক পর্যায়ে মেয়ে হাসপাতালে আছেন এমন খবর পেয়ে নওগাঁ
সদর উপজেলার কুমুরিয়া গ্রাম থেকে হাসপাতালে ছুটে আসেন রিমা আক্তার রিমা'র বাবা মা সহ স্বজনরা। হাসপাতালে এসে তারা তাদের মেয়েকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। স্বজনদের অভিযোগ যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূ রিমা আক্তার রুমাকে তার স্বামী শ্বশুর ও শাশুড়ি মাঝে মাঝেই নির্যাতন করতো। এসময় তারা অভিযোগ করেন, রিমা আক্তার রুমাকে মারপিট 'নির্যাতন' করে মারার পর গলায় ওড়না'র ফাঁস লাগিয়ে ঝুলিয়ে রেখে এবং পরবর্তীতে হাসপাতালে এনে ঘটনাটি ভিন্ন খাতে নিতে অপচেষ্টা করেছে তার স্বামী, শ্বশুর সহ স্বজনরা।গৃহবধূ রিমা আক্তার রুমার স্বামীর বাড়ি দক্ষিন আন্ধারকোঠা গ্রামের বেশ কয়েক জন তাদের নাম-পরিচয় গোপন রাখার শর্তে প্রতিবেদককে জানান, রিমা আক্তার রুমার স্বামী সুমন একজন মাদক সেবি। সে মাঝে মাঝেই তার স্ত্রীকে মারপিট করতো, এমনকি ঘটনার দিনও হাসপাতালে নেওয়ার পূর্বেও তাকে মারপিট করা হয় জানিয়ে তারা বলেন, প্রশাসন তদন্ত করলে সত্য ঘটনা উদর্ঘাটন হবে।অপরদিকে হত্যার অভিযোগ
অস্বিকার করে নিহত গৃহবধূ রিমা আক্তার রুমা'র চাচা শ্বশুর দক্ষিন আন্ধারকোঠা গ্রামের হারুন অর রশিদ (৪৫) প্রতিবেদক কে জানান, ঘটনার দিন বা সময় তার ভাইস্তা বউ নিজ শয়ন ঘড়ের ভেতর ফ্যানের সাথে গলায় ওড়না পেচিয়ে ঝুলছিলো, দেখতে পেয়ে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এসময় প্রতিবেশি নারী সহ অপর একজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ঘটনার দিন স্বামী-স্ত্রী বিবাদের এক পর্যায়ে রিমা আক্তার রুমাকে তার স্বামী নির্যাতন করেন। এর পরই তারা হৈ চৈ করেন এবং হাসপাতালে নিয়ে যান।এঘটনায় ঐ দিন রাতেই রিমা আক্তার রুমার বাবা ইলিয়াস কবিরাজ বাদী হয়ে মহাদেবপুর থানায় রিমা আক্তার রুমার স্বামী সহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন।মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা এস আই জিয়াউর রহমান জানান, তদন্ত পূর্বক জড়ীতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত