নওগাঁয় জায়গাঁ জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে আলু ও পটলের ক্ষেত নষ্ট এবং ফসল চুরির অভিযোগের ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। ভুক্তভোগীরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
ঘটনাটি ঘটেছে নওগাঁর মান্দা উপজেলার চক কালিকাপুর গ্রামে মৌজায়। সংশ্লিষ্ট মৌজার জে.এল. নং–২৪৯, খতিয়ান নং–৩৯-এর দাগ নং ২৩১, ২৩২ ও ২৬৪-এর মোট ৮২ শতাংশ জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল বলে জানা গেছে।
ভুক্ত ভোগীদের অভিযোগ, জমি বিরোধের জেরে গত ২৫ ডিসেম্বর আলু ও পটলের ক্ষেত তুলে ফেলা হয়। এতে প্রায় ১২ মণ আলু নষ্ট ও চুরি হয়েছে। পাশাপাশি পটলের প্রায় এক হাজার ৪০০টি খুঁটি চুরি করা হয় এবং পটলের গাছও ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়। এতে তারা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন বলে দাবি করেন।
এ ঘটনায় চক কালিকাপুর গ্রামের কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন নওশাদ আলী, মোজাম্মেল হক, মোকছেদ আলী, সাজ্জাদ হোসেনসহ মোট ১০ জন এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৫ থেকে ৭ জন।
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত নওশাদ আলী দাবি করেন, আলু বা পটলের ক্ষেত নষ্টের সাথে আমরা জড়িত নই। বিবাদমান জমিতে আমাদের বৈধ অংশ রয়েছে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী স্থানীয় আমিনের মাধ্যমে আমরা আমাদের অংশ বুঝে নিয়েছি।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জমিটি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলায় এলাকায় একাধিকবার উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। সর্বশেষ ফসল নষ্টের ঘটনায় পরিস্থিতি আরও অবনতি হয়েছে বলে তারা জানান। দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।
ঘটনার বিষয়ে মান্দা থানা থানার অফিসার ইনচার্জ কেএম মাসুদ রানা বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে এখনো লিখিত কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত পূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে স্থানীয়রা জমি বিরোধের স্থায়ী সমাধান এবং ফসল নষ্টের ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করার দাবি জানিয়েছেন।
ঘটনাটি ঘটেছে নওগাঁর মান্দা উপজেলার চক কালিকাপুর গ্রামে মৌজায়। সংশ্লিষ্ট মৌজার জে.এল. নং–২৪৯, খতিয়ান নং–৩৯-এর দাগ নং ২৩১, ২৩২ ও ২৬৪-এর মোট ৮২ শতাংশ জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল বলে জানা গেছে।
ভুক্ত ভোগীদের অভিযোগ, জমি বিরোধের জেরে গত ২৫ ডিসেম্বর আলু ও পটলের ক্ষেত তুলে ফেলা হয়। এতে প্রায় ১২ মণ আলু নষ্ট ও চুরি হয়েছে। পাশাপাশি পটলের প্রায় এক হাজার ৪০০টি খুঁটি চুরি করা হয় এবং পটলের গাছও ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়। এতে তারা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন বলে দাবি করেন।
এ ঘটনায় চক কালিকাপুর গ্রামের কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন নওশাদ আলী, মোজাম্মেল হক, মোকছেদ আলী, সাজ্জাদ হোসেনসহ মোট ১০ জন এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৫ থেকে ৭ জন।
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত নওশাদ আলী দাবি করেন, আলু বা পটলের ক্ষেত নষ্টের সাথে আমরা জড়িত নই। বিবাদমান জমিতে আমাদের বৈধ অংশ রয়েছে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী স্থানীয় আমিনের মাধ্যমে আমরা আমাদের অংশ বুঝে নিয়েছি।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জমিটি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলায় এলাকায় একাধিকবার উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। সর্বশেষ ফসল নষ্টের ঘটনায় পরিস্থিতি আরও অবনতি হয়েছে বলে তারা জানান। দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।
ঘটনার বিষয়ে মান্দা থানা থানার অফিসার ইনচার্জ কেএম মাসুদ রানা বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে এখনো লিখিত কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত পূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে স্থানীয়রা জমি বিরোধের স্থায়ী সমাধান এবং ফসল নষ্টের ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করার দাবি জানিয়েছেন।