নওগাঁয় কবিরাজি করার সন্দেহে উকিল পাহান (৩২) নামে আদিবাসী এক যুবককে গাছের সাথে বেঁধে রেখে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ ওঠেছে। এমনকি রাতে পিটিয়ে হত্যা করার পর ঘটনাটি ভিন্নখাতে নিয়ে ধামাচাপা দিতে ভোর সকালে হত্যাকারী ও তাদের স্বজনরা হত্যাকান্ডের শিকার উকিল পাহানের পরিবারকে না জানিয়ে চিকিৎসার জন্য মৃতদেহ নওগাঁ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন এবং মৃতদেহে একাধীক আঘাতে চিহ্ন দেখে ঘটনাটি থানা পুলিশ কে জানায়।
সম্পতি এ হত্যাকান্ডের ঘটনাটি ঘটেছে নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার স্বরুপপুর গ্রামের পশ্চিমপাড়া আদিবাসী পাড়ায়। হত্যাকান্ডের শিকার উকিল পাহান হলেন ঐ গ্রামের পূর্বপাড়া আদিবাসী পাড়ার মৃত সুরজন পাহানের ছেলে। এব্যাপারে উকিল পাহানের বড় ভাই সুশিল পাহান ও ছোট ভাই সুকিল পাহান তাদের ভাই উকিল পাহানকে গাছের সাথে বেঁধে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে দাবি করে প্রতিবেদককে বলেন, গত সোমবার আমাদের এখানে রাস্তার দু' পাশে পূর্বপাড়া ও পশ্চিমপাড়াতে পাশাপাশি দুটি মন্দিরে লক্ষি পূজার আয়োজন করা হয় এবং শান্তিপূর্ন ভাবে পূজা শেষে সোমবার রাত ১১ টারদিকে যে যার মতো নিজ নিজ বাড়িতে চলে গেলেও সে সময় দুটি মন্দিরেই পাড়ার ছেলেরা রাতে আনন্দ-উল্লাস করছিলো এক পর্যায়ে আমাদের মন্দির থেকে আমরা দু'ভাই বাড়িতে এসে ঘুমিয়ে পড়ি।
পরেদিন মঙ্গলবার সকালে পশ্চিম পাড়ার পরিমল পাহান ও সুরেন পাহান নামে দু'জন আমাদের বাড়িতে এসে আমাদের দুই ভাইকে তাদের মন্দিরের ওখানে ডেকে নিয়ে যায়। আমরা গিয়ে দেখি ওখানে নারী- পুরুষ বেশকিছু লোকজন জড়ো হয়ে আছে যাওয়ার পরই মিলন পাহান আমাদের বলে শ্মশানে যেতে হবে এমন কথাশুনে আমরা হতবাক হয়ে বলি কে মারাগেছে কারন, সে সময়ও আমরা জানতাম না যে তারা রাতে আমাদের ভাই উকিল পাহানকে পিটিয়ে হত্যা করেছে।
এসময় ওখানে মিলন পাহান সহ কয়েকজন বলেন রাতে একটু গ্যাঞ্জাম হয়েছে তোর ভাইকে ভোরে হাসপাতালে পাঠানো হলে সে মারাগেছে এমন কথা শোনার পর আমরা দু' ভাই দিশেহারা অবস্থায় বাড়িতে এসে আমাদের পরিবার ও লোকজন সহ স্থানিয় মেম্বারকে ঘটনাটি জানালে মেম্বার ও গ্রামের কয়েকজন বলেন, যা হয়েছে সেটা পড়ে বশে দেখা হবে তোমরা আগে নওগাঁ হাসপাতাল থেকে লাশ এনে সৎ কাজ করো। এরপর আমরা হাসপাতালে গিয়ে দেখি আমার ভাই উকিল পাহানের বুক, হাত পা গলা সহ সারা শরীরে একাধীক মারপিটের দাগ এবং শরীরের কিছু অংশের চামড়া ছেড়া। পরবর্তীতে মঙ্গলবার ৭ অক্টোবর হাসপাতাল মর্গে ময়না তদন্ত শেষে সন্ধার পূর্বে গ্রামে মৃতদেহ আনার পর গ্রামের অনেক লোকজনও অমানবিক নির্যাতনের দাগ দেখেছে এরপর রাতেই সৎকাজ সম্পূর্ন করা হয়।
পরেদিন আমরা জানতে পারি পরিমল পাহান, মিলন পাহান, রানা পাহান, সুকিল পাহান সহ আরও কয়েকজন মঙ্গলবার পূর্বরাতে আমার ভাইকে গাছের সাথে বেঁধে রেখে অমানবিক নির্যাতন পিটিয়ে হত্যা করেছে আমরা ভাই হত্যার ন্যায় বিচার চাই। এসময় উকিল পাহানের বৃদ্ধা মা মিনি পাহান বলেন, মোর ছোলকে মেরে ফেলেছে বিচার চাই।
এহত্যাকান্ডের পর থেকে কতিপয় ব্যাক্তি ঘটনাটি টাকার মাধ্যমে ধামাচাপা দিতে তৎপর হয়ে ওঠেছে এমনকি আদিবাসী পাড়ার লোকজনকে এব্যাপারে কারো সাথে কোন আলাপ করতেও নিষেধ করে চাপ প্রয়োগ করেছে বলেও সুত্র জানায়। অপরদিকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে গ্রামের কয়েকজন জানান, ঐ পাড়াতে কয়েকদিন আগে এক ব্যক্তির আত্নহত্যার ঘটনা ঘটে সেই ঘটনায় ঐ পশ্চিমপাড়া বা মলোপাড়ার আদিবাসী কয়েকজন উকিল পাহানকে কবিরাজি করার সন্দেহ সহ নানাভাবে দোষারোপ করছিল মূলত সেই ঘটনাকে কেন্দ্রকরে পাড়ার ছেলেরা ঘটনার রাতে উকিল পাহানকে বাড়ি যাওয়ার পথ থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে একটি টিন সেড ঘড়ের পাশে থাকা মেহগনি গাছের সাথে বেঁধে অমানবিক নির্যাতন করায় রাত ৪ টারদিকে ঘটনাস্থলেই নির্যাতনে মৃত্যু হয় উকিল পাহানের।
তারা আরও বলেন বেঁধে রেখে পিটিয়ে হত্যার ঘটনাটি ধামাচাপা ভোর সারে ৫ টারদিকে উকিল পাহানের মৃতদেহ হাসপাতালে পাঠিয়ে দিলেও দায়িত্বরত চিকিৎসক মৃত ঘোষনা করেন এবং শরীরে একাধীক আঘাতের চিহ্ন দেখে পুলিশকে জানালে অবশেষে মৃতদেহ ময়না তদন্ত সম্পূর্ন করে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করেন। প্রাথমিক সুরতহাল রিপোর্ট তদন্ত কর্মকর্তা ও নওগাঁ সদর মডেল থানার এসআই তাহের প্রতিবেদককে বলেন, সুরতহাল রিপোর্টকালে লাশের শরীরে একাধীক জখমের চিহ্ন সহ শরীরের কিছু চামড়া ছিলা অবস্থায় দেখা যায় যা রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।
এব্যাপারে মহাদেবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ শাহিন রেজা বলেন, ঘটনার এক সপ্তাহ পর সোমবার ১৩ অক্টোবর নিহত উকিল পাহানের বাড় ভাই ও ছোট ভাই ঐ গ্রামের কয়েকজন থানায় এসে ঘটনাটি জানালে ইতি মধ্যেই তদন্ত সহ জড়ীতদের আটক পূর্বক আইনানুগ পদক্ষেপ নিতে পুলিশ তৎপর রয়েছে।
সম্পতি এ হত্যাকান্ডের ঘটনাটি ঘটেছে নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার স্বরুপপুর গ্রামের পশ্চিমপাড়া আদিবাসী পাড়ায়। হত্যাকান্ডের শিকার উকিল পাহান হলেন ঐ গ্রামের পূর্বপাড়া আদিবাসী পাড়ার মৃত সুরজন পাহানের ছেলে। এব্যাপারে উকিল পাহানের বড় ভাই সুশিল পাহান ও ছোট ভাই সুকিল পাহান তাদের ভাই উকিল পাহানকে গাছের সাথে বেঁধে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে দাবি করে প্রতিবেদককে বলেন, গত সোমবার আমাদের এখানে রাস্তার দু' পাশে পূর্বপাড়া ও পশ্চিমপাড়াতে পাশাপাশি দুটি মন্দিরে লক্ষি পূজার আয়োজন করা হয় এবং শান্তিপূর্ন ভাবে পূজা শেষে সোমবার রাত ১১ টারদিকে যে যার মতো নিজ নিজ বাড়িতে চলে গেলেও সে সময় দুটি মন্দিরেই পাড়ার ছেলেরা রাতে আনন্দ-উল্লাস করছিলো এক পর্যায়ে আমাদের মন্দির থেকে আমরা দু'ভাই বাড়িতে এসে ঘুমিয়ে পড়ি।
পরেদিন মঙ্গলবার সকালে পশ্চিম পাড়ার পরিমল পাহান ও সুরেন পাহান নামে দু'জন আমাদের বাড়িতে এসে আমাদের দুই ভাইকে তাদের মন্দিরের ওখানে ডেকে নিয়ে যায়। আমরা গিয়ে দেখি ওখানে নারী- পুরুষ বেশকিছু লোকজন জড়ো হয়ে আছে যাওয়ার পরই মিলন পাহান আমাদের বলে শ্মশানে যেতে হবে এমন কথাশুনে আমরা হতবাক হয়ে বলি কে মারাগেছে কারন, সে সময়ও আমরা জানতাম না যে তারা রাতে আমাদের ভাই উকিল পাহানকে পিটিয়ে হত্যা করেছে।
এসময় ওখানে মিলন পাহান সহ কয়েকজন বলেন রাতে একটু গ্যাঞ্জাম হয়েছে তোর ভাইকে ভোরে হাসপাতালে পাঠানো হলে সে মারাগেছে এমন কথা শোনার পর আমরা দু' ভাই দিশেহারা অবস্থায় বাড়িতে এসে আমাদের পরিবার ও লোকজন সহ স্থানিয় মেম্বারকে ঘটনাটি জানালে মেম্বার ও গ্রামের কয়েকজন বলেন, যা হয়েছে সেটা পড়ে বশে দেখা হবে তোমরা আগে নওগাঁ হাসপাতাল থেকে লাশ এনে সৎ কাজ করো। এরপর আমরা হাসপাতালে গিয়ে দেখি আমার ভাই উকিল পাহানের বুক, হাত পা গলা সহ সারা শরীরে একাধীক মারপিটের দাগ এবং শরীরের কিছু অংশের চামড়া ছেড়া। পরবর্তীতে মঙ্গলবার ৭ অক্টোবর হাসপাতাল মর্গে ময়না তদন্ত শেষে সন্ধার পূর্বে গ্রামে মৃতদেহ আনার পর গ্রামের অনেক লোকজনও অমানবিক নির্যাতনের দাগ দেখেছে এরপর রাতেই সৎকাজ সম্পূর্ন করা হয়।
পরেদিন আমরা জানতে পারি পরিমল পাহান, মিলন পাহান, রানা পাহান, সুকিল পাহান সহ আরও কয়েকজন মঙ্গলবার পূর্বরাতে আমার ভাইকে গাছের সাথে বেঁধে রেখে অমানবিক নির্যাতন পিটিয়ে হত্যা করেছে আমরা ভাই হত্যার ন্যায় বিচার চাই। এসময় উকিল পাহানের বৃদ্ধা মা মিনি পাহান বলেন, মোর ছোলকে মেরে ফেলেছে বিচার চাই।
এহত্যাকান্ডের পর থেকে কতিপয় ব্যাক্তি ঘটনাটি টাকার মাধ্যমে ধামাচাপা দিতে তৎপর হয়ে ওঠেছে এমনকি আদিবাসী পাড়ার লোকজনকে এব্যাপারে কারো সাথে কোন আলাপ করতেও নিষেধ করে চাপ প্রয়োগ করেছে বলেও সুত্র জানায়। অপরদিকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে গ্রামের কয়েকজন জানান, ঐ পাড়াতে কয়েকদিন আগে এক ব্যক্তির আত্নহত্যার ঘটনা ঘটে সেই ঘটনায় ঐ পশ্চিমপাড়া বা মলোপাড়ার আদিবাসী কয়েকজন উকিল পাহানকে কবিরাজি করার সন্দেহ সহ নানাভাবে দোষারোপ করছিল মূলত সেই ঘটনাকে কেন্দ্রকরে পাড়ার ছেলেরা ঘটনার রাতে উকিল পাহানকে বাড়ি যাওয়ার পথ থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে একটি টিন সেড ঘড়ের পাশে থাকা মেহগনি গাছের সাথে বেঁধে অমানবিক নির্যাতন করায় রাত ৪ টারদিকে ঘটনাস্থলেই নির্যাতনে মৃত্যু হয় উকিল পাহানের।
তারা আরও বলেন বেঁধে রেখে পিটিয়ে হত্যার ঘটনাটি ধামাচাপা ভোর সারে ৫ টারদিকে উকিল পাহানের মৃতদেহ হাসপাতালে পাঠিয়ে দিলেও দায়িত্বরত চিকিৎসক মৃত ঘোষনা করেন এবং শরীরে একাধীক আঘাতের চিহ্ন দেখে পুলিশকে জানালে অবশেষে মৃতদেহ ময়না তদন্ত সম্পূর্ন করে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করেন। প্রাথমিক সুরতহাল রিপোর্ট তদন্ত কর্মকর্তা ও নওগাঁ সদর মডেল থানার এসআই তাহের প্রতিবেদককে বলেন, সুরতহাল রিপোর্টকালে লাশের শরীরে একাধীক জখমের চিহ্ন সহ শরীরের কিছু চামড়া ছিলা অবস্থায় দেখা যায় যা রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।
এব্যাপারে মহাদেবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ শাহিন রেজা বলেন, ঘটনার এক সপ্তাহ পর সোমবার ১৩ অক্টোবর নিহত উকিল পাহানের বাড় ভাই ও ছোট ভাই ঐ গ্রামের কয়েকজন থানায় এসে ঘটনাটি জানালে ইতি মধ্যেই তদন্ত সহ জড়ীতদের আটক পূর্বক আইনানুগ পদক্ষেপ নিতে পুলিশ তৎপর রয়েছে।