চলতি অর্থ বছরে উত্তরের খাদ্যভাণ্ডার হিসেবে সারাদেশে পরিচিত নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলায় রেকর্ড পরিমাণ জমিতে রবিশস্য ও বোরো ধান চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আগাম জাতের আমন ধান ঘরে তোলা এবং সরিষা আলু, গম, ভুট্টা ও শাক- সবজি চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন চাষিরা। নির্বিঘ্নে চাষাবাদে পর্যাপ্ত সার মজুদ ও সরবরাহ রয়েছে। কিছু অসাধু ব্যক্তি রাসায়নিক সার নিয়ে গুজব ছড়াচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, অগ্রীম সার কেনার প্রয়োজন নেই। কৃষকদের যখন সার দরকার তখন সার ক্রয় ও ডিলার পর্যায়ে সরকার নির্ধারিত মূল্যে ক্যাশ মেমোসহ কেনার পরামর্শ তাদের। কৃষকরা বলছেন, সারের কোন সংকট নেই। প্রণোদনার সার-বীজও পাচ্ছেন তারা। আর কেউ কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করলে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ২০২৫- ২০২৬ অর্থ বছরে উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে ৪ হাজার ৪৫০ হেক্টর জমিতে সরিষা, আলু ২ হাজার ৭০, গম ৪৫০, ভুট্টা ২৬০, শাক- সবজি এক হাজার ২০০ হেক্টর এবং ২৮ হাজার ৩২০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী নির্বিঘ্নে রাসায়নিক সার সরবরাহের লক্ষ্যে উপজেলায় পর্যাপ্ত মজুদ ও সরবরাহ রয়েছে। অক্টোবর মাসে ইউরিয়া ২৮৯ মেট্রিক টন, টিএসপি ১৫৬ মেট্রিক টন, ডিএপি ২৬০ মেট্রিক টন এবং এমওপি ২১২ মেট্রিক টন বরাদ্দ রয়েছে। চলতি মাসের বরাদ্দের মধ্য থেকে ইউরিয়া ১৭৮.৬ মেট্রিক টন, টিএসপি ৮৫.৫ মেট্রিক টন, ডিএপি ১৬৭.৭৫ মেট্রিক টন এবং এমওপি ১৪৩.৬ মেট্রিক টন উত্তোলন করা হয়েছে। গত ২৬ অক্টোবর ডিলার পর্যায়ে ইউরিয়া ৩৫৩.৬ মেট্রিক টন, টিএসপি ৫৭.৯ মেট্রিক টন, ডিএপি ১৫৪.৭ মেট্রিক টন এবং এমওপি ৩০০.৫ মেট্রিক টন মজুদ রয়েছে।
আগামী নভেম্বর মাসে ইউরিয়া ৬২১ মেট্রিক টন, টিএসপি ৪৮০ মেট্রিক টন, ডিএপি ৬৬৭ মেট্রিক টন, এমওপি ৪২৩ মেট্রিক টন এবং ডিসেম্বরে ইউরিয়া ৯২৪ মেট্রিক টন, টিএসপি ৪৮০ মেট্রিক টন, ডিএপি ১০৮০ মেট্রিক টন, এমওপি ৬৪০ মেট্রিক টন বরাদ্দ করা হয়েছে। এছাড়াও জানুয়ারি মাসে ইউরিয়া ১৯৬৪ মেট্রিক টন, টিএসপি ৩৬০ মেট্রিক টন, ডিএপি ১৩৫০ মেট্রিক টন, এমওপি ৬৭৪ মেট্রিক টন ও ইউরিয়া ১৯০৬ মেট্রিক টন, টিএসপি ১৭৫ মেট্রিক টন, ডিএপি ৫৭০ মেট্রিক টন, এমওপি ২৮৮ মেট্রিক টন বরাদ্দ রয়েছে ফেব্রুয়ারি মাসে । এদিকে, গত ২১ অক্টোবর মঙ্গলবার সকালে মহাদেবপুর উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স চত্বরে ক্ষুদ্র প্রান্তিক চাষিদের মধ্যে বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরনের উদ্বোধন হয়েছে। এবার রবিশষ্য চাষাবাদে প্রণোদনা পাচ্ছেন মহাদেবপুর উপজেলার ৬ হাজার ৫৪০ জন কৃষক।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ হোসাইন মোহাম্মদ এরশাদ জানান, সারের কোন সংকট নেই। প্রতিমাসে সারের পর্যাপ্ত বরাদ্দ ও সরবরাহ রয়েছে। অযথা অগ্রীম সার কেনার দরকার নেই। কৃষকদের গুজবে কান না দিয়ে যখন সার দরকার তখন ক্রয় ও ডিলার পর্যায়ে সরকার নির্ধারিত মূল্যে ক্যাশ মেমোসহ সার কেনার পরামর্শ তার। কেউ কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ২০২৫- ২০২৬ অর্থ বছরে উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে ৪ হাজার ৪৫০ হেক্টর জমিতে সরিষা, আলু ২ হাজার ৭০, গম ৪৫০, ভুট্টা ২৬০, শাক- সবজি এক হাজার ২০০ হেক্টর এবং ২৮ হাজার ৩২০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী নির্বিঘ্নে রাসায়নিক সার সরবরাহের লক্ষ্যে উপজেলায় পর্যাপ্ত মজুদ ও সরবরাহ রয়েছে। অক্টোবর মাসে ইউরিয়া ২৮৯ মেট্রিক টন, টিএসপি ১৫৬ মেট্রিক টন, ডিএপি ২৬০ মেট্রিক টন এবং এমওপি ২১২ মেট্রিক টন বরাদ্দ রয়েছে। চলতি মাসের বরাদ্দের মধ্য থেকে ইউরিয়া ১৭৮.৬ মেট্রিক টন, টিএসপি ৮৫.৫ মেট্রিক টন, ডিএপি ১৬৭.৭৫ মেট্রিক টন এবং এমওপি ১৪৩.৬ মেট্রিক টন উত্তোলন করা হয়েছে। গত ২৬ অক্টোবর ডিলার পর্যায়ে ইউরিয়া ৩৫৩.৬ মেট্রিক টন, টিএসপি ৫৭.৯ মেট্রিক টন, ডিএপি ১৫৪.৭ মেট্রিক টন এবং এমওপি ৩০০.৫ মেট্রিক টন মজুদ রয়েছে।
আগামী নভেম্বর মাসে ইউরিয়া ৬২১ মেট্রিক টন, টিএসপি ৪৮০ মেট্রিক টন, ডিএপি ৬৬৭ মেট্রিক টন, এমওপি ৪২৩ মেট্রিক টন এবং ডিসেম্বরে ইউরিয়া ৯২৪ মেট্রিক টন, টিএসপি ৪৮০ মেট্রিক টন, ডিএপি ১০৮০ মেট্রিক টন, এমওপি ৬৪০ মেট্রিক টন বরাদ্দ করা হয়েছে। এছাড়াও জানুয়ারি মাসে ইউরিয়া ১৯৬৪ মেট্রিক টন, টিএসপি ৩৬০ মেট্রিক টন, ডিএপি ১৩৫০ মেট্রিক টন, এমওপি ৬৭৪ মেট্রিক টন ও ইউরিয়া ১৯০৬ মেট্রিক টন, টিএসপি ১৭৫ মেট্রিক টন, ডিএপি ৫৭০ মেট্রিক টন, এমওপি ২৮৮ মেট্রিক টন বরাদ্দ রয়েছে ফেব্রুয়ারি মাসে । এদিকে, গত ২১ অক্টোবর মঙ্গলবার সকালে মহাদেবপুর উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স চত্বরে ক্ষুদ্র প্রান্তিক চাষিদের মধ্যে বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরনের উদ্বোধন হয়েছে। এবার রবিশষ্য চাষাবাদে প্রণোদনা পাচ্ছেন মহাদেবপুর উপজেলার ৬ হাজার ৫৪০ জন কৃষক।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ হোসাইন মোহাম্মদ এরশাদ জানান, সারের কোন সংকট নেই। প্রতিমাসে সারের পর্যাপ্ত বরাদ্দ ও সরবরাহ রয়েছে। অযথা অগ্রীম সার কেনার দরকার নেই। কৃষকদের গুজবে কান না দিয়ে যখন সার দরকার তখন ক্রয় ও ডিলার পর্যায়ে সরকার নির্ধারিত মূল্যে ক্যাশ মেমোসহ সার কেনার পরামর্শ তার। কেউ কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি।