শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :
নওগাঁয় লিজকৃত মৎস্য চাষির এক পুকুরে বিষদিয়ে আড়াই লাখ টাকা মূল্যের প্রায় ৫০ মণ মাছ নিধন করেছে দূর্বৃত্তরা।
গাছ কাটানিয়ে পূর্ব বিরোধের জেরধরে লীজকৃত মৎস্য চাষির পুকুরে বিষ দিয়ে অমানবিক ভাবে এ মাছ নিধনের ঘটনাটি ঘটেছে নওগাঁ জেলা সদর উপজেলার বলিহার ইউনিয়নের জালালপুর গ্রামে।
স্থানিয়রা সহ পুকুর মালিক জানান, জালালপুর গ্রামের মাঠে থাকা পুকুর টির মালিক পার্শ্ববর্তী গ্রাম মহাদেবপুর উপজেলার তেজপাইন গ্রামের মৃত সতেন্দ্রনাথ অধিকারীর ছেলে কৃষ্ণ কুমার অধিকারী ও তার কাকা একই গ্রামের মৃত উপেন্দ্রনাথ অধিকারীর ছেলে নিপেন অধিকারী।
তারা আরো জানান, দীর্ঘ বছর ধরে প্রায় ৩ বিঘা'র পুকুরটি মালিক পক্ষ বিভিন্ন মৎস্য চাষিদের কাছে বছর চুক্তিতে লিজ আসছেন।
তারই ধারাবাহীকতায় বিগত ২০২১ ইং সালে প্রতি বছর ৪০ হাজার টাকা চুক্তি মোতাবেক মোট ৩ বছরের জন্য পুকুরটি লিজ গ্রহণ করেন জালালপুর গ্রামের মৃত প্রুফুল্ল প্রমানিকের ছেলে (বর্তমান মহাদেবপুর উপজেলার রসুলপুর গ্রামে বসবাসকারী) কৃষক ও মৎস্য চাষি প্রদিপ কুমার।
মৎস্য চাষী প্রদিপ কুমার কান্নাজড়িত কন্ঠে প্রতিবেদককে জানান, আমি পুকুরটি লিজ গ্রহণের পর গত প্রায় দের বছর পূর্বে রুই, মৃর্ঘেল, কাতলা, জাপানী, সিলভারকাপ, ব্রিগেট ও বাটা (বাংলা) জাতের মাছ চাষ করে আসছি।
তিনি আরো বলেন, আমার সাথে গ্রাম সহ এলাকার কোন লোকজনের বিরোধ নেই জানিয়ে সৎস্যচাষী প্রদিপ কুমার জানান, প্রতিদিনের মতো আজ বুধবার সকালে আমি বাড়ি থেকে বেড়িয়ে পুকুরপাড়ে এসে দেখি কিছু মাছ মরে ভেঁসে আছে পুকুরের পানিতে এবং বড় জাতের মাছগুলো পুকুরের পানিতে লাফালাফি করছে এমন দৃশ্য দেখে আমি দিশেহারা হয়ে প্রথমে কিছু বুঝতে না পেরে লোকজনকে জানালে মহূর্তের মধ্যেই শত শত নারী-পুরুষ ঘটনাস্থলে জড়ো হয় এবং জড়ো হওয়া লোকজন বলেন, পুকুরে বিষ প্রয়োগ করার কারনে মাছ সব মরে যাচ্ছে এমন কথা শুনে আমি দিশেহারা ও জ্ঞানহীন হয়ে পড়ি। আর শত শত লোকজন পুকুরের পানিতে নেমে ভেঁসে ওঠা মাছ গুলো নিয়ে যে যার যার মতো বাড়িতে নিয়ে যান জানিয়ে তিনি বলেন, এতে আমার পুকুরে থাকা প্রায় ৫০ মণ মাছ যার আনুমানিক বাজার মূল্য সর্বনিম্ন আড়াই লাখ টাকা আমি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছি।
পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধনের খবর পেয়ে প্রতিবেদক ঘটনাস্থলে যান এবং প্রতিবেদক সেখানে থাকাকালেই থানা পুলিশও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
এসময় পুকুরের মালিক কৃষ্ণ কুমার অধিকারী পুকুরপাড়ে পরে থাকা ৮ টি গাছ দেখিয়ে পুলিশ সহ সাংবাদিকদের জানান, ১৫/২০ দিন পূর্বে জালালপুর গ্রামের কার্তিক সরদার ও তার ছেলে জয়ন্ত সরদার পুকুরপারে থাকা গাছগুলো কাটতে থাকলে সে সময় পুকুর লিজ গ্রহিতা প্রদিপ কুমার গাছ কাটার ঘটনাটি আমাদেরকে জানান। আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসলে তারা গাছগুলো পুকুর পাড়ে রেখেই পালিয়ে যায়।
তিনি আরো বলেন, গাছ কাটার ঘটনায় নওগাঁ বিজ্ঞ আদালতে মামলা দায়ের করার পর থেকে অভিযুক্ত বাবা ও ছেলে পুকুর লিজ গ্রহিতাকে একের পর এক হুমকি দিয়ে আসছিলেন এমনটা লিজ গ্রহীতা প্রদিপ কুমার আমাদেরকে জানালে ও সে সময় আমরা তার কথায় তেমন গুরুত্ব দেইনি বলেই তারা আরো ক্ষিপ্ত হয়ে মঙ্গলবার দিনগত রাতের কোন এক সময় সুযোগ বুঝে পুকুরে বিষ প্রয়োগ করেন আমাদের সাথে বিবাদের কারনে পুকুরে বিষ দেওয়ায় পুকুর লিজ গ্রহীতা প্রদিপ কুমার ব্যাপক লোকসানের মুখে পরলেন যা খুবই দুঃখজনক ও অমানবিক বলেও জানান তিনি।
সংবাদ সংগ্রহকালে ক্ষতিগ্রস্থ্য মৎস্য চাষী প্রদিপ কুমার বলেন, ইতি মধ্যেই থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং এঘটনায় আমি আইনানুগ পদক্ষেপ 'মামলার' পস্তুতি নিচ্ছি। এসময় প্রশাসনের কাছে তিনি ন্যায় বিচার দাবি করে বলেন, আজ আমি ক্ষতিগ্রস্থ্য, জড়ীত দূর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা না নিলে এদূর্বৃত্তরা আরো মৎস্য চাষিদের সর্বনাশ করবে বলেই আমি আইনের আশ্রয় নিব।
নওগাঁয় পুকুরে বিষদিয়ে আড়াই লাখ টাকা মূল্যের মাছ নিধন করেছে দূর্বৃত্তরা
নওগাঁয় পুকুরে বিষদিয়ে আড়াই লাখ টাকা মূল্যের মাছ নিধন করেছে দূর্বৃত্তরা
শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :নওগাঁয় লিজকৃত মৎস্য চাষির এক পুকুরে বিষদিয়ে আড়াই লাখ টাকা মূল্যের প্রায় ৫০ মণ মাছ নিধন করেছে দূর্বৃত্তরা।গাছ কাটানিয়ে পূর্ব বিরোধের জেরধরে লীজকৃত মৎস্য চাষির পুকুরে বিষ দিয়ে অমানবিক ভাবে এ মাছ নিধনের ঘটনাটি ঘটেছে নওগাঁ জেলা সদর উপজেলার বলিহার ইউনিয়নের জালালপুর গ্রামে।স্থানিয়রা সহ পুকুর মালিক জানান, জালালপুর গ্রামের মাঠে থাকা পুকুর টির মালিক পার্শ্ববর্তী গ্রাম মহাদেবপুর উপজেলার তেজপাইন গ্রামের মৃত সতেন্দ্রনাথ অধিকারীর ছেলে কৃষ্ণ কুমার অধিকারী ও তার কাকা একই গ্রামের মৃত উপেন্দ্রনাথ অধিকারীর ছেলে নিপেন অধিকারী। তারা আরো জানান, দীর্ঘ বছর ধরে প্রায় ৩ বিঘা'র পুকুরটি মালিক পক্ষ বিভিন্ন মৎস্য চাষিদের কাছে বছর চুক্তিতে লিজ আসছেন। তারই ধারাবাহীকতায় বিগত ২০২১ ইং সালে প্রতি বছর ৪০ হাজার টাকা চুক্তি মোতাবেক মোট ৩ বছরের জন্য পুকুরটি লিজ গ্রহণ করেন জালালপুর গ্রামের মৃত প্রুফুল্ল প্রমানিকের ছেলে (বর্তমান মহাদেবপুর উপজেলার রসুলপুর গ্রামে বসবাসকারী) কৃষক ও মৎস্য চাষি প্রদিপ কুমার। মৎস্য চাষী প্রদিপ কুমার কান্নাজড়িত কন্ঠে প্রতিবেদককে জানান, আমি পুকুরটি লিজ গ্রহণের পর গত প্রায় দের বছর পূর্বে রুই, মৃর্ঘেল, কাতলা, জাপানী, সিলভারকাপ, ব্রিগেট ও বাটা (বাংলা) জাতের মাছ চাষ করে আসছি। তিনি আরো
বলেন, আমার সাথে গ্রাম সহ এলাকার কোন লোকজনের বিরোধ নেই জানিয়ে সৎস্যচাষী প্রদিপ কুমার জানান, প্রতিদিনের মতো আজ বুধবার সকালে আমি বাড়ি থেকে বেড়িয়ে পুকুরপাড়ে এসে দেখি কিছু মাছ মরে ভেঁসে আছে পুকুরের পানিতে এবং বড় জাতের মাছগুলো পুকুরের পানিতে লাফালাফি করছে এমন দৃশ্য দেখে আমি দিশেহারা হয়ে প্রথমে কিছু বুঝতে না পেরে লোকজনকে জানালে মহূর্তের মধ্যেই শত শত নারী-পুরুষ ঘটনাস্থলে জড়ো হয় এবং জড়ো হওয়া লোকজন বলেন, পুকুরে বিষ প্রয়োগ করার কারনে মাছ সব মরে যাচ্ছে এমন কথা শুনে আমি দিশেহারা ও জ্ঞানহীন হয়ে পড়ি। আর শত শত লোকজন পুকুরের পানিতে নেমে ভেঁসে ওঠা মাছ গুলো নিয়ে যে যার যার মতো বাড়িতে নিয়ে যান জানিয়ে তিনি বলেন, এতে আমার পুকুরে থাকা প্রায় ৫০ মণ মাছ যার আনুমানিক বাজার মূল্য সর্বনিম্ন আড়াই লাখ টাকা আমি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছি। পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধনের খবর পেয়ে প্রতিবেদক ঘটনাস্থলে যান এবং প্রতিবেদক সেখানে থাকাকালেই থানা পুলিশও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।এসময় পুকুরের মালিক কৃষ্ণ কুমার অধিকারী পুকুরপাড়ে পরে থাকা ৮ টি গাছ দেখিয়ে পুলিশ সহ সাংবাদিকদের জানান, ১৫/২০ দিন পূর্বে জালালপুর গ্রামের কার্তিক সরদার ও তার ছেলে জয়ন্ত সরদার
পুকুরপারে থাকা গাছগুলো কাটতে থাকলে সে সময় পুকুর লিজ গ্রহিতা প্রদিপ কুমার গাছ কাটার ঘটনাটি আমাদেরকে জানান। আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসলে তারা গাছগুলো পুকুর পাড়ে রেখেই পালিয়ে যায়। তিনি আরো বলেন, গাছ কাটার ঘটনায় নওগাঁ বিজ্ঞ আদালতে মামলা দায়ের করার পর থেকে অভিযুক্ত বাবা ও ছেলে পুকুর লিজ গ্রহিতাকে একের পর এক হুমকি দিয়ে আসছিলেন এমনটা লিজ গ্রহীতা প্রদিপ কুমার আমাদেরকে জানালে ও সে সময় আমরা তার কথায় তেমন গুরুত্ব দেইনি বলেই তারা আরো ক্ষিপ্ত হয়ে মঙ্গলবার দিনগত রাতের কোন এক সময় সুযোগ বুঝে পুকুরে বিষ প্রয়োগ করেন আমাদের সাথে বিবাদের কারনে পুকুরে বিষ দেওয়ায় পুকুর লিজ গ্রহীতা প্রদিপ কুমার ব্যাপক লোকসানের মুখে পরলেন যা খুবই দুঃখজনক ও অমানবিক বলেও জানান তিনি। সংবাদ সংগ্রহকালে ক্ষতিগ্রস্থ্য মৎস্য চাষী প্রদিপ কুমার বলেন, ইতি মধ্যেই থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং এঘটনায় আমি আইনানুগ পদক্ষেপ 'মামলার' পস্তুতি নিচ্ছি। এসময় প্রশাসনের কাছে তিনি ন্যায় বিচার দাবি করে বলেন, আজ আমি ক্ষতিগ্রস্থ্য, জড়ীত দূর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা না নিলে এদূর্বৃত্তরা আরো মৎস্য চাষিদের সর্বনাশ করবে বলেই আমি আইনের আশ্রয় নিব।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত