নওগাঁর মহাদেবপুরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের বেদম মারপিটে নারী ও শিশু রক্তাক্ত জখমসহ ৭ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। নারী ও শিশুসহ আহত ৭ জন বর্তমানে মহাদেবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আহতরা হলেন, নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার শ্যামপুর গ্রামে বসবাসকারী বাবুল হোসেন (৩৪), তার স্ত্রী নাজমিন (২৭), তাদের দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া শিশু মেয়ে আন্নিকা (১০), বাবুল হোসেনের শ্যালিকা শামিমা (২২) ও আঃ খালেক (৬৫), সামসুন্নাহার (৩৬) ও রওশনআরা (৬০)। আহত আঃ খালেকের ছেলে শামিম জানান, ঘটনার দিন বৃহস্পতিবার দিনগত সন্ধায় প্রতিপক্ষ আমাদের চলাচলের জায়গাঁতে খড়ের পালাদিতে থাকলে সে সময় আমার মা ও বোন-ভগ্নীপতি চলাচলের রাস্তায় খড়ের পালাদিতে নিষেধ করায় প্রতিপক্ষ জোট বদ্ধভাবে আমার মা ও বোন ভগ্নীপতি সহ দ্বিতীয় শ্রেণীতে পড়ুয়া ভাগ্নীর উপর চড়াও হয়ে এলোপাতারি ভাবে মারপিট করেন। তাদের মারপিটে আমার ভাগ্নী আন্নিকা ও বোন শামিমা'র মাথায় মারান্তক রক্তাক্ত জখম হয় এবং ভগ্নীপতির একটি হাত ভেঙ্গে যায় এছাড়াও তাদের মারপিটে আমার মা-বাবা ও আরেক বোন মোট ৭ জন গুরুতর জখম হলে লোকজনের সহায়তায় গুরুতর অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে মহাদেবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয় এখন পর্যন্ত ৭ জনই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।
ঘটনার ব্যাপারে বক্তব্য জানতে শনিবার বিকেল ৫ টারদিকে প্রতিপক্ষের রাজ্জাক নামে একজনের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে, তিনি প্রতিবেদককে বলেন, খড়ের পালা দেওয়া নিয়ে বিরোধ নয়। ঘটনার দিন আমার ভাগ্নে বিছনের কাচলা (ধানের বিজতলা) তৈরি করছিল সেখান থেকে তারাই আমার ভাগ্নেকে মারপিট করে এবং ধাওয়া করলে ভঁয়ে আমার ভাগ্নে এসে তার বাসায় ঢোকার পরও তারা বাহির থেকে ভাগ্নের বাসায় ইট মারেন এসময় সে সময় আমি সেখানে পৌছালে তারা আমাকেও মারপিট করেন।
আপনাদের পক্ষের কেউ আহত বা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি প্রতিবেদককে বলেন, আমি ও আমার ছেলে আহত হলেও প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছি বলে জানিয়ে তিনি বলেন, তারা খুবই খারাপ মানুষ এসময় খারাপ মানুষ হলেই মারপিট করে রক্তাক্ত জখম করা কি ঠিক প্রতিবেদকের এমন প্রশ্ন এড়িয়ে তিনি বলেন, গোটা গ্রাম আমরা ঐক্যবদ্ধ এবং আমরা সামাজিক ভাবে ঐ (আহতদের) পরিবারকে আটক (একঘরে) করে রাখা হয়েছে জানালে এসময় প্রতিবেদক ফের প্রশ্ন করেন, কোন পরিবারকে আটক বা একঘরে করে রাখাও অন্যায় এ প্রশ্নের উত্তরে রাজ্জাক বলেন, দেশে আটক (একঘরে) নিষিদ্ধ হলেও আমাদের শ্যামপুর গ্রামের সামাজিক ব্যবস্থা ঐক্যবদ্ধ সমাজের কথার বাহিরে কেউ চলতে পারবে না বলে ও জানান তিনি। এব্যাপারে স্থানিয় ইউপি চেয়ারম্যান রাম প্রসাদ ভদ্র বলেন, আমার কাছে কোন পক্ষই আসেনি তবে আমি জেনেছি মারপিট করে নারী ও শিশুসহ ৭ জনকে জখম করা হয়েছে তারা হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এসময় প্রতিবেদক একঘরে করে রাখার বিষয়ে জানতে চাইলে চেয়ারম্যান বলেন, একঘরে করে রাখার ঘটনাটি আমি জানিনা।
আহতরা হলেন, নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার শ্যামপুর গ্রামে বসবাসকারী বাবুল হোসেন (৩৪), তার স্ত্রী নাজমিন (২৭), তাদের দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া শিশু মেয়ে আন্নিকা (১০), বাবুল হোসেনের শ্যালিকা শামিমা (২২) ও আঃ খালেক (৬৫), সামসুন্নাহার (৩৬) ও রওশনআরা (৬০)। আহত আঃ খালেকের ছেলে শামিম জানান, ঘটনার দিন বৃহস্পতিবার দিনগত সন্ধায় প্রতিপক্ষ আমাদের চলাচলের জায়গাঁতে খড়ের পালাদিতে থাকলে সে সময় আমার মা ও বোন-ভগ্নীপতি চলাচলের রাস্তায় খড়ের পালাদিতে নিষেধ করায় প্রতিপক্ষ জোট বদ্ধভাবে আমার মা ও বোন ভগ্নীপতি সহ দ্বিতীয় শ্রেণীতে পড়ুয়া ভাগ্নীর উপর চড়াও হয়ে এলোপাতারি ভাবে মারপিট করেন। তাদের মারপিটে আমার ভাগ্নী আন্নিকা ও বোন শামিমা'র মাথায় মারান্তক রক্তাক্ত জখম হয় এবং ভগ্নীপতির একটি হাত ভেঙ্গে যায় এছাড়াও তাদের মারপিটে আমার মা-বাবা ও আরেক বোন মোট ৭ জন গুরুতর জখম হলে লোকজনের সহায়তায় গুরুতর অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে মহাদেবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয় এখন পর্যন্ত ৭ জনই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।
ঘটনার ব্যাপারে বক্তব্য জানতে শনিবার বিকেল ৫ টারদিকে প্রতিপক্ষের রাজ্জাক নামে একজনের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে, তিনি প্রতিবেদককে বলেন, খড়ের পালা দেওয়া নিয়ে বিরোধ নয়। ঘটনার দিন আমার ভাগ্নে বিছনের কাচলা (ধানের বিজতলা) তৈরি করছিল সেখান থেকে তারাই আমার ভাগ্নেকে মারপিট করে এবং ধাওয়া করলে ভঁয়ে আমার ভাগ্নে এসে তার বাসায় ঢোকার পরও তারা বাহির থেকে ভাগ্নের বাসায় ইট মারেন এসময় সে সময় আমি সেখানে পৌছালে তারা আমাকেও মারপিট করেন।
আপনাদের পক্ষের কেউ আহত বা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি প্রতিবেদককে বলেন, আমি ও আমার ছেলে আহত হলেও প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছি বলে জানিয়ে তিনি বলেন, তারা খুবই খারাপ মানুষ এসময় খারাপ মানুষ হলেই মারপিট করে রক্তাক্ত জখম করা কি ঠিক প্রতিবেদকের এমন প্রশ্ন এড়িয়ে তিনি বলেন, গোটা গ্রাম আমরা ঐক্যবদ্ধ এবং আমরা সামাজিক ভাবে ঐ (আহতদের) পরিবারকে আটক (একঘরে) করে রাখা হয়েছে জানালে এসময় প্রতিবেদক ফের প্রশ্ন করেন, কোন পরিবারকে আটক বা একঘরে করে রাখাও অন্যায় এ প্রশ্নের উত্তরে রাজ্জাক বলেন, দেশে আটক (একঘরে) নিষিদ্ধ হলেও আমাদের শ্যামপুর গ্রামের সামাজিক ব্যবস্থা ঐক্যবদ্ধ সমাজের কথার বাহিরে কেউ চলতে পারবে না বলে ও জানান তিনি। এব্যাপারে স্থানিয় ইউপি চেয়ারম্যান রাম প্রসাদ ভদ্র বলেন, আমার কাছে কোন পক্ষই আসেনি তবে আমি জেনেছি মারপিট করে নারী ও শিশুসহ ৭ জনকে জখম করা হয়েছে তারা হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এসময় প্রতিবেদক একঘরে করে রাখার বিষয়ে জানতে চাইলে চেয়ারম্যান বলেন, একঘরে করে রাখার ঘটনাটি আমি জানিনা।