শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রির্পোটারঃ
নওগাঁয় প্রয়াত ভাষা সৈনিকের বসত বাড়ির জাঁয়গা-জমি দখল চেষ্টার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভাষা সৈনিকের মেয়ে।
মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, ভাষা সৈনিক ও নওগাঁ পৌর সভার সাবেক চেয়ারম্যান প্রয়াত এম এ রকিব এর বসত বাড়ির জমি দখল চেষ্টার অভিযোগে বৃহস্পতিবার ২৭ অক্টোবর সকাল ১১ টায় নওগাঁ জেলা প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে প্রয়াত এম এ রকিব এর ছোট মেয়ে তানজিনা শিরিন সংবাদ সম্মেলনে উপরোক্ত অভিযোগ করেন।
সুইডেন প্রবাসী ভাষা সৈনিকের মেয়ে তানজিনা শিরিন লিখিত বক্তব্যে জানান, নওগাঁ পৌর সভার "চকদেব ডাক্তারপাড়া" এলাকার সরিষাহাটির মোড়ে নওগাঁ পৌর সভার প্রথম চেয়ারম্যান এম এ রকিবের বাড়ি "দ্বীন মঞ্জিল" অবস্থিত। বাড়িটির সাথে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের নানা ইতিহাস জড়িয়ে রয়েছে। দ্বীন মঞ্জিলের উঠানে শিক্ষা, সাহিত্য, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক চর্চা হতো। এসব নানা কারণে দ্বীন মঞ্জিল নওগাঁবাসীর কাছে ঐতিহাসিক বাড়ি হিসাবে পরিচিত। গত ৯ অক্টোবর স্থানীয় প্রভাবশালী কাজী আবু সাঈদ এর নির্দেশে ৪০/৫০ জনের একদল লোকজন বাড়িতে জোর পূর্বক প্রবেশ করে বাড়ির কেয়ার টেকার সুবির প্রামাণিক ও তাঁর পরিবারকে উচ্ছেদ করে। এ সময় তারা বাড়িতে ভাঙচুর চালায় এবং বাড়ির মূল্যবান আসবাবপত্র সহ আনুমানিক অর্ধ কোটি টাকার মালামাল লুট করেন। এ ঘটনার দু' দিনপর এলাকাবাসীর প্রতিরোধে দখলকারীরা পিছু হটে। এ ব্যাপারে গত সোমবার নওগাঁ জেলা ও জজ আদালত ঐ জমির উপর অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (ইনজাংকশন) জারি করে।
সংবাদ সম্মেলনে তানজিনা শিরিন আরো বলেন, শহরের সরিষাহাটির মোড়ে ৪৪ কাঠা জমির উপর এম এক রকিবের বসতবাড়ি। পৈত্রিক সূত্রে এম এ রকিবের ৫ জন সন্তান ঐ সম্পতির অংশীদার। তারা ৩ ভাই ও দুই বোন। তিনি আরো বলেন, বাবার অসুস্থ্যতার সুযোগ নিয়ে এক ভাই ইশতিয়াক আহম্মেদ ও বোন ফাহমিদা জেরিন প্রতারণা ও ভুয়া কাগজ পত্রের মাধ্যমে বসত বাড়ির সম্পত্তি বিক্রির চেষ্টা করেন। পরবর্তীতে তার বাবা এম এ রাকিব বিষয়টি বুঝতে পেরে ২০০০ইং সালে আদালতে দলিল রহিতের মামলা করেন। মামলাটি বর্তমানে চলমান রয়েছে। এ অবস্থায় গত ৯ অক্টোবর স্থানীয় প্রভাবশালী কাজী আবু সাঈদ ক্রয় সূত্রে মালিকানা দাবি করে ৪০/৫০ জন লোকজনের মাধ্যমে জোরপূর্বক এম এ রকিবের বসতবাড়ি দখলের চেষ্টা করেন।এলাকাবাসী, থানা পুলিশ ও আদালতের আদেশের ফলে বর্তমানে তারা পিছু হটলেও তাদের আশঙ্কা, যে কোনো সময় পুনরায় বিবদমান ঐ সম্পতি দখল করে নিতে পারে এমন আশংখ্যা প্রকাশ করে বলেন, তিনি ও তার দুই ভাই দীর্ঘদিন ধরে বিদেশে "প্রবাসে" বসবাস করছেন। বিদেশে অবস্থানের সুযোগ নিয়ে দেশে থাকা তার এক ভাই ও এক বোন জাল দলিল করে তাদের পৈত্রিক সম্পত্তি বিক্রি করার চেষ্টা করছেন। ঐতিহাসিক এই বাড়ি ও বসতবাড়ির জমির মূল্য ২০ কোটি টাকারও উপরেও।
ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে কাজী আবু সাঈদ বলেন, দ্বীন মঞ্জিল-এ ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনার সাথে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হচ্ছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তবে সম্পত্তি আমি এম এ রকিবের ছেলে ইশতিয়াক আহম্মেদ ও মেয়ে ফাহমিদা জেরিনের কাছ থেকে ক্রয় করেছি। কিন্তু গত ২০ বছর ধরে এম এ রকিবের অন্য ছেলে-মেয়েদের বিরোধীতার কারণে ঐ সম্পত্তি দখলে পাচ্ছি না। এ বিষয়ে আদালতে মামলা চলছে। আদালতের রায় যেটা আসবে আমি সেটাই মেনে নেব।
নওগাঁয় ভাষা সৈনিকের বসতবাড়ির দখল চেষ্টার অভিযোগ
নওগাঁয় ভাষা সৈনিকের বসতবাড়ির দখল চেষ্টার অভিযোগ
শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রির্পোটারঃনওগাঁয় প্রয়াত ভাষা সৈনিকের বসত বাড়ির জাঁয়গা-জমি দখল চেষ্টার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভাষা সৈনিকের মেয়ে।মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, ভাষা সৈনিক ও নওগাঁ পৌর সভার সাবেক চেয়ারম্যান প্রয়াত এম এ রকিব এর বসত বাড়ির জমি দখল চেষ্টার অভিযোগে বৃহস্পতিবার ২৭ অক্টোবর সকাল ১১ টায় নওগাঁ জেলা প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে প্রয়াত এম এ রকিব এর ছোট মেয়ে তানজিনা শিরিন সংবাদ সম্মেলনে উপরোক্ত অভিযোগ করেন।সুইডেন প্রবাসী ভাষা সৈনিকের মেয়ে তানজিনা শিরিন লিখিত বক্তব্যে জানান, নওগাঁ পৌর সভার "চকদেব ডাক্তারপাড়া" এলাকার সরিষাহাটির মোড়ে নওগাঁ পৌর সভার প্রথম চেয়ারম্যান এম এ রকিবের বাড়ি "দ্বীন মঞ্জিল" অবস্থিত। বাড়িটির সাথে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের নানা ইতিহাস জড়িয়ে রয়েছে। দ্বীন মঞ্জিলের উঠানে শিক্ষা, সাহিত্য, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক চর্চা হতো। এসব নানা কারণে দ্বীন মঞ্জিল নওগাঁবাসীর কাছে ঐতিহাসিক বাড়ি হিসাবে পরিচিত। গত ৯ অক্টোবর স্থানীয় প্রভাবশালী কাজী আবু সাঈদ এর নির্দেশে ৪০/৫০ জনের একদল লোকজন বাড়িতে জোর পূর্বক প্রবেশ করে বাড়ির কেয়ার টেকার সুবির প্রামাণিক ও
তাঁর পরিবারকে উচ্ছেদ করে। এ সময় তারা বাড়িতে ভাঙচুর চালায় এবং বাড়ির মূল্যবান আসবাবপত্র সহ আনুমানিক অর্ধ কোটি টাকার মালামাল লুট করেন। এ ঘটনার দু' দিনপর এলাকাবাসীর প্রতিরোধে দখলকারীরা পিছু হটে। এ ব্যাপারে গত সোমবার নওগাঁ জেলা ও জজ আদালত ঐ জমির উপর অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (ইনজাংকশন) জারি করে। সংবাদ সম্মেলনে তানজিনা শিরিন আরো বলেন, শহরের সরিষাহাটির মোড়ে ৪৪ কাঠা জমির উপর এম এক রকিবের বসতবাড়ি। পৈত্রিক সূত্রে এম এ রকিবের ৫ জন সন্তান ঐ সম্পতির অংশীদার। তারা ৩ ভাই ও দুই বোন। তিনি আরো বলেন, বাবার অসুস্থ্যতার সুযোগ নিয়ে এক ভাই ইশতিয়াক আহম্মেদ ও বোন ফাহমিদা জেরিন প্রতারণা ও ভুয়া কাগজ পত্রের মাধ্যমে বসত বাড়ির সম্পত্তি বিক্রির চেষ্টা করেন। পরবর্তীতে তার বাবা এম এ রাকিব বিষয়টি বুঝতে পেরে ২০০০ইং সালে আদালতে দলিল রহিতের মামলা করেন। মামলাটি বর্তমানে চলমান রয়েছে। এ অবস্থায় গত ৯ অক্টোবর স্থানীয় প্রভাবশালী কাজী আবু সাঈদ ক্রয় সূত্রে মালিকানা দাবি করে ৪০/৫০ জন লোকজনের মাধ্যমে জোরপূর্বক এম এ রকিবের বসতবাড়ি দখলের চেষ্টা করেন।এলাকাবাসী,
থানা পুলিশ ও আদালতের আদেশের ফলে বর্তমানে তারা পিছু হটলেও তাদের আশঙ্কা, যে কোনো সময় পুনরায় বিবদমান ঐ সম্পতি দখল করে নিতে পারে এমন আশংখ্যা প্রকাশ করে বলেন, তিনি ও তার দুই ভাই দীর্ঘদিন ধরে বিদেশে "প্রবাসে" বসবাস করছেন। বিদেশে অবস্থানের সুযোগ নিয়ে দেশে থাকা তার এক ভাই ও এক বোন জাল দলিল করে তাদের পৈত্রিক সম্পত্তি বিক্রি করার চেষ্টা করছেন। ঐতিহাসিক এই বাড়ি ও বসতবাড়ির জমির মূল্য ২০ কোটি টাকারও উপরেও। ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে কাজী আবু সাঈদ বলেন, দ্বীন মঞ্জিল-এ ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনার সাথে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হচ্ছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তবে সম্পত্তি আমি এম এ রকিবের ছেলে ইশতিয়াক আহম্মেদ ও মেয়ে ফাহমিদা জেরিনের কাছ থেকে ক্রয় করেছি। কিন্তু গত ২০ বছর ধরে এম এ রকিবের অন্য ছেলে-মেয়েদের বিরোধীতার কারণে ঐ সম্পত্তি দখলে পাচ্ছি না। এ বিষয়ে আদালতে মামলা চলছে। আদালতের রায় যেটা আসবে আমি সেটাই মেনে নেব।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত