নওগাঁয় জায়গাঁ-জমি নিয়ে বিরোধের জেরধরে শহিদুল ইসলাম (৪৭) নামে এক ভ্যান চালককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। গত মঙ্গলবার ৩ মার্চ দিনগত রাতে নওগাঁর সাপাহার থানাধীন গোয়ালা লক্ষিতলা এলাকায় এই জায়গাঁ-জমি নিয়ে হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় গুরুতর আহত জখম অবস্থায় ভ্যান চালক শহিদুল ইসলামকে রাজশাহীতে নিয়ে চিকিৎসা করাকালে মাত্র কয়েক ঘন্টার ব্যবধানে বুধবার ৪ মার্চ ভোরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভ্যান চালক শহিদুল এর মৃত্যু হয়। এঘটনায় মামলার পরই থানা পুলিশ এজাহার নামীয় ৫ জনকে গ্রেফতার করেছেন।
নিহত ভ্যান চালক শহিদুল ইসলাম হলেন, সাপাহার উপজেলার গোয়ালা খরিবোন গ্রামের মৃত আমির আলীর ছেলে। এ ঘটনায় নিহতের মা বাদী হয়ে সাপাহার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলার এজাহারের বিবরণ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পৈত্রিক সম্পত্তি ভাগ-বন্টন নিয়ে শহিদুলের পরিবারের সাথে প্রতি পক্ষের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ ও মামলা চলছিল।
মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে শহিদুল তার নিজস্ব অটো-চার্জার ভ্যান নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে গোয়ালা লক্ষিতলা এলাকায় পৌঁছালে হামলাকারীরা রাস্তায় বাঁশ ফেলে তার গতিরোধ করে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোটা দিয়ে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করেন। শহিদুলের চিৎকারে ভ্যানে থাকা যাত্রী ও স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা প্রাণ নাশের হুমকি দিয়ে পালিয়ে যায়। তাকে উদ্ধার করে প্রথমে সাপাহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার পূর্বরাত ২টারদিকে তার মৃত্যু হয়। এমনকি হামলার পরও ঐ রাতে প্রতিপক্ষরা পুনরায় দলবদ্ধ হয়ে শহিদুলের বাড়িতে হামলা ও ভাংচুর চালায়। তারা ঘরের দরজা-জানালা ভাংচুর করে প্রায় ৫০ হাজার টাকার ক্ষতিসাধন করে এবং বাধা দিতে গেলে নিহতের মা ও দুই পুত্র বধূকে মারধর করে জখম করেন। গ্রেফতার কৃতরা হলেন, মতিবুর ইসলাম (৫৫), পিতা- মৃত ইয়াহিয়া, রফিকুল ইসলাম (৭০), পিতা-মৃত নজর আলী মন্ডল, আল মামুন (২০), পিতা মোঃ মতিবুর ইসলাম, সর্ব সাং- গোয়ালা মাসনাতলা এবং আব্দুর রায়হান (২০), পিতা মোঃ মজিবর রহমান, সাং-গোয়ালা, খরিবনা, থানা-সাপাহার। ও শফিকুল ইসলাম।
এব্যাপারে সাপাহার থানার অফিসার ইনচার্জ আনারুল ইসলাম বলেন, ঘটনার বিষয়ে জানতে পেরে ঐ রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে এবং এঘটনায় এজাহার নামীয় ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ বিষয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে এবং ঘটনার সাথে জড়িত অপরদের গ্রেফতারে পুলিশ তৎপর রয়েছে।
নিহত ভ্যান চালক শহিদুল ইসলাম হলেন, সাপাহার উপজেলার গোয়ালা খরিবোন গ্রামের মৃত আমির আলীর ছেলে। এ ঘটনায় নিহতের মা বাদী হয়ে সাপাহার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলার এজাহারের বিবরণ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পৈত্রিক সম্পত্তি ভাগ-বন্টন নিয়ে শহিদুলের পরিবারের সাথে প্রতি পক্ষের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ ও মামলা চলছিল।
মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে শহিদুল তার নিজস্ব অটো-চার্জার ভ্যান নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে গোয়ালা লক্ষিতলা এলাকায় পৌঁছালে হামলাকারীরা রাস্তায় বাঁশ ফেলে তার গতিরোধ করে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোটা দিয়ে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করেন। শহিদুলের চিৎকারে ভ্যানে থাকা যাত্রী ও স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা প্রাণ নাশের হুমকি দিয়ে পালিয়ে যায়। তাকে উদ্ধার করে প্রথমে সাপাহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার পূর্বরাত ২টারদিকে তার মৃত্যু হয়। এমনকি হামলার পরও ঐ রাতে প্রতিপক্ষরা পুনরায় দলবদ্ধ হয়ে শহিদুলের বাড়িতে হামলা ও ভাংচুর চালায়। তারা ঘরের দরজা-জানালা ভাংচুর করে প্রায় ৫০ হাজার টাকার ক্ষতিসাধন করে এবং বাধা দিতে গেলে নিহতের মা ও দুই পুত্র বধূকে মারধর করে জখম করেন। গ্রেফতার কৃতরা হলেন, মতিবুর ইসলাম (৫৫), পিতা- মৃত ইয়াহিয়া, রফিকুল ইসলাম (৭০), পিতা-মৃত নজর আলী মন্ডল, আল মামুন (২০), পিতা মোঃ মতিবুর ইসলাম, সর্ব সাং- গোয়ালা মাসনাতলা এবং আব্দুর রায়হান (২০), পিতা মোঃ মজিবর রহমান, সাং-গোয়ালা, খরিবনা, থানা-সাপাহার। ও শফিকুল ইসলাম।
এব্যাপারে সাপাহার থানার অফিসার ইনচার্জ আনারুল ইসলাম বলেন, ঘটনার বিষয়ে জানতে পেরে ঐ রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে এবং এঘটনায় এজাহার নামীয় ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ বিষয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে এবং ঘটনার সাথে জড়িত অপরদের গ্রেফতারে পুলিশ তৎপর রয়েছে।